মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
বলিউডের তারকা দম্পতি দীপিকা পাডুকোন ও রণবীর সিং তাদের দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের নাম প্রকাশ করেছেন। নবরাত্রির উৎসবে তারা ছোট মেয়ের প্রথম ঝলক অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তাদের দ্বিতীয় কন্যার নাম রাখা হয়েছে দেবী পাডুকোন সিং। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বড় মেয়ে দুয়া পাডুকোন সিং ছোট বোনের গালে স্নেহচুম্বন দিচ্ছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাধাষ্টমীর দিনে দীপিকা ও রণবীর দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের জন্মের সুখবর দিয়েছিলেন। এবার উৎসবের আবহে পরিবারের চার সদস্যের একটি ছবি প্রকাশ করে তারা ছোট মেয়ের নাম ঘোষণা করেছেন। ছবিতে দীপিকার কোলে নবজাতক দেবী রয়েছে, অন্যদিকে রণবীরের কোলে বড় মেয়ে দুয়া রয়েছে। ছোট বোনের গালে আদর করে চুমু দিচ্ছে বড় মেয়ে।
ছবিতে চারজনের পরনে ঘিয়ে ও সোনালি রঙের পোশাক রয়েছে। পরিবারের এই মিষ্টি মুহূর্তটি অনুরাগীদের মন জয় করেছে। অনেকে মনে করছেন, দেবীপক্ষের আবহে মেয়ের নাম ‘দেবী’ রাখার পেছনে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
বড় মেয়ে দুয়ার প্রথম ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রেও দীপিকা ও রণবীর উৎসবের আবহকে বেছে নিয়েছিলেন। দুয়ার জন্মের পর তারা বেশ কিছু দিন মেয়েকে আড়ালে রেখেছিলেন। পরে ২০২৪ সালের দীপাবলিতে তারা মেয়ের নাম প্রকাশ করেন।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার মা-বাবা হওয়ার খবর ঘোষণা করেছিলেন দীপিকা ও রণবীর। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর তাদের ঘরে আসে প্রথম সন্তান দুয়া। মেয়ের জন্মের পর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছুদিন গোপনীয়তা বজায় রাখলেও ধীরে ধীরে তারা মেয়েকে ঘিরে নানা মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে শুরু করেন।
দুই মেয়েকে ঘিরে দীপিকা ও রণবীর বিশেষ কিছু রীতি পালন করছেন। দুয়ার জন্মের আগের দিন তারা সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয় কন্যার জন্মের আগেও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। দেবীর জন্মের আগের দিনও সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে গিয়ে আশীর্বাদ নেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মডেল এবং রাজনীতিবিদ মেঘনা আলমকে কেন্দ্র করে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদলে সাজগোজ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নজর কাড়েন।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন মেঘনা আলম। এই উদ্দেশ্যে ১৭ অক্টোবর তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর আসনটি শূন্য হয়ে যায়।
মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মেঘনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে তাকে শাড়ি, মাথায় ঘোমটা ও গলায় মুক্তার মালা পরা অবস্থায় দেখা যায়। তার সাজে অনেকেই খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্ব ও পোশাকের ছাপ খুঁজে পেয়েছেন।
সাক্ষাৎ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে মেঘনা আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি জাতীয় সংসদকে দক্ষ ও কার্যকর করে তোলার জন্য সৃষ্টিকর্তার সাহায্য কামনা করেন।
খালেদা জিয়ার মতো সাজের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে মেঘনা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পেরে তিনি সম্মানিত। তবে এমন সাজ নেওয়ার বিষয়টি ইচ্ছাকৃত ছিল না বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, তিনি কেবল মার্জিত ও আন্তরিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায়ও তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ঠিক কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ফলে রাজনৈতিক মনোনয়ন প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং খালেদা জিয়ার আদলে তার সাজ, সব মিলিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন মেঘনা আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ জন্মভূমি, শৈশবের স্মৃতি এবং মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে শিকড় ও মাতৃভূমির আত্মিক টানের মূল্য অপরিসীম। স্মৃতি এবং রক্তের টান অর্থ-সম্পদ দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অগ্রগতির স্বার্থে সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমের রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকালে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় নিজের পৈতৃক বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীর আয়োজনে সৌজন্য ও স্মৃতিচারণমূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গণতন্ত্রে মতের ভিন্নতা, মতানৈক্য এবং মতবিরোধ থাকাটা স্বাভাবিক। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে দিন শেষে মনে রাখতে হবে, এই দেশ আমাদের, এ দেশের সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ড আমাদের। বিএনপির বর্তমান ভিশন এবং রাজনীতির মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না।
নিজের জন্মস্থানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার মা এই মাটিতেই শুয়ে আছেন। কাজের ব্যস্ততার কথা বললেও মাতৃভূমির টানেই বারবার ছুটে আসেন তিনি। পৈতৃক বাড়ির উঠান, বৈঠকখানা, পুকুরপাড় এবং তৎকালীন ‘শান্তির হাট’ ঘিরে থাকা স্মৃতিগুলো তার হৃদয়ে গভীরভাবে গাঁথা রয়েছে।
শৈশবে কমলনগরের ঐতিহ্যবাহী ভুলুয়া নদীতে মাছ ধরার স্মৃতি তুলে ধরে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃতিকে বাধাগ্রস্ত করার কারণে ভুলুয়া নদী পলি জমে শুকিয়ে গেছে এবং এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
ভুলুয়া নদীর নাব্যতা সংকট এবং আঞ্চলিক জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ সম্পর্কে ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে নদীটি পুনঃখননের বিষয়ে পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। অচিরেই ভুলুয়া নদী পুনঃখনন এবং সংস্কার প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিগত দিনের রাজনৈতিক নির্যাতন এবং কষ্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা অনেক অন্যায় এবং কষ্টের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছেন। এখন নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করার সময় এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর কাছে দোয়া এবং সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আলেকজান্ডার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন মিঠু, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র হাসানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু এবং কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন।
মতবিনিময় সভা শেষে ইসমাইল জবিউল্লাহ হাজিরহাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগত রোগীদের সুবিধার্থে পানির ফিল্টার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করেন।
এ সময় কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান, কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম, রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান, উপজেলা স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইকতারুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর জেলা পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন, রামগতি পৌর বিএনপির সভাপতি সাহেদ আলী পটু, কমলনগর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম প্রিন্সসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, "গত ১৭ বছর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ সর্বজনের, তার প্রমাণ দুর্গাপূজার এই উৎসব। সর্বজনের বাংলাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া প্রয়োজন।’
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা শহরের হরিতলাসহ বিভিন্ন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আরও বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ সর্বক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণে দেশ এগিয়ে যাক।’
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের কমিটির সদস্য, ভক্ত, দর্শনার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিফ উল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান, রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান এবং হরিতলা মন্দিরের সভাপতি স্বপন কুমার সোমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আলজেরিয়া সফরে গেছেন, যা বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার উদ্দেশ্যে। তিনি গতকাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) আলজিয়ার্সের হুয়ারি বুমেদিয়েন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই সফরটি ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
সফররত বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জ্বালানি খাতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আলজেরিয়ার হাইড্রোকার্বন ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের প্রেসিডেনশিয়াল ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান দেশটির রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী এবং হাইড্রোকার্বন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরকাব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলজেরিয়ার হাইড্রোকার্বন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা চলাকালে বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক বন্ধন জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
এই সফরের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আলজেরিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিনিয়োগ অংশীদারি গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস উৎপাদন, জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতা বাড়ানোর উপায়ও আলোচনায় স্থান পাবে।
আলজেরিয়া সফরকে দুই দেশের জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরো বিস্তৃত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেল ও গ্যাস খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদার করাই এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ