০৯:১৮ পি.এম
মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অন্তত ৮৫টি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
বুধবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তারা এই দাবি করে।
আইআরজিসি বলেছে, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি যৌথ অভিযানে বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষবস্তু বানানো হয়। এই বন্দর থেকেই মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়া কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ
এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি মোকাবেলা করছে। অন্যদিকে বাহরাইন জানায়, রাজধানী মানামাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা সাইরেন বাজছিল।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, এ পদক্ষেপের জবাবে তারা ‘বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া’ দেখাবে।
বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনায় কোনও বহিরাগত হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ হলো ইরানের নির্ধারিত রুট।”
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
সর্বশেষ মার্কিন হামলাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে ইরানের গৃহীত ব্যবস্থার লঙ্ঘন, বারবার হামলার হুমকি, ইরানের তেল খাতে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ, দক্ষিণ ইরানে হামলা এবং লেবাননে জায়নবাদী (ইসরায়েলি) আগ্রাসন অব্যাহত রাখা- এ সবই সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন।”
সূত্র: সিএনএন
আরও পড়ুন: জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন