১০:০৮ পি.এম
বাংলাদেশের রফতানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে দেশের রফতানিকারকদের আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিদেশি ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
স্বল্প পর্যায়ে রফতানির সুযোগ রেখে সোমবার (১৫ জুন) একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ডলার। আর এক হাজার ডলারের পণ্য রফতানির বেলায় ইএক্সপি সার্টিফিকেটের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ধানমণ্ডিতে নতুন শাখা উদ্বোধন করলো শান্তা সিকিউরিটিজ
দেশীয় উদ্যোক্তরা এখন থেকে তাদের পণ্য অনলাইনে বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও খুচরা বিক্রি করতে পারবেন। অ্যামাজন-আলি এক্সপ্রেস-ফ্লিপকার্টের মত মার্কেটপ্লেসে পণ্য তালিকাভুক্ত করতে পারবেন দেশের উদ্যোক্তারা।
এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক এতে বলেছে, ব্যবসা-থেকে-ভোক্তা ভিত্তিক রফতানি কার্যক্রম সহজতর এবং ডিজিটাল বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর ফলে দেশীয় উদ্যোক্তারা অ্যামাজন, আলি এক্সপ্রেস, ই-বে, তেমু, ফ্লিপকার্ট এর মত বৈশ্বিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পণ্য তালিকাভুক্ত করতে পারবেন। ঘরে বসেই এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের পণ্য সরাসরি বিদেশি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
এসব রফতানি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অথোরাইজড ডিলারের (এডি) মাধ্যমে। পণ্য রফতানিতে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি আছে কি না, এডি শাখা তা যাচাই করবে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে সিটিজেনস ব্যাংকের নতুন শাখার উদ্বোধন
এভাবে ব্যবসা করার জন্য প্রতি বছর অনলাইন মাকের্ট প্লেসের সাবস্ক্রিপশন ফিও পরিশোধ করতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, রফতানিকারকের বিদেশি মুদ্রা হিসাবের (ইরআরকিউ) মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন হবে। কোনো সময় ক্রেতাকে মূল্য ফেরত দেওয়ার দরকার হলে এবং তখন ইরআরকিউ হিসাবে বিদেশি মুদ্রার ঘাটতি থাকলে স্থানীয় মুদ্রা হিসাব থেকে তা সমন্বয় করে দেবে এডি শাখা।
ফলে বাংলাদেশের রফতানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে দেশের রফতানিকারকদের আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিদেশি ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে সীমান্তপারের ই-কমার্স কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: বাইন্যান্সের চুরি হওয়া ক্রিপ্টোর ৯৫ শতাংশ পুনরুদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন