মোহাম্মদ নূর : সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০৬:২৫ পি.এম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি, ভালো ফলাফল অর্জন এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি জুয়েল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হামিদুর রহমান ও মো. দুলাল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ চন্দ্র রায়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাগলী চুনাপাথর ও কয়লা আমদানিকারক সমিতির সভাপতি কামাল হোসেন। এ ছাড়া অভিভাবক প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল হালিম, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি লালু মিয়া, হাজী আমিনুল হক ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী বলেন, তাহিরপুর উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ করা হবে। শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কখন, কোথায় যাচ্ছে এবং কীভাবে সময় কাটাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনা নিশ্চিত করা, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির বিষয়ে খোঁজ রাখা এবং তাদের প্রতি যথাযথ নজরদারি বাড়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে মনোযোগী করে তোলা, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বাড়িতে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সমাবেশে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক সদস্য ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা জোরদার করার উদ্দেশ্যে গোষ্ঠীটি দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এই তথ্যটি দ্যা মিডল ইস্ট আই-এর মাধ্যমে জানা গেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) হুথিরা জানায়, তারা সৌদি আরবের ধাহরানে সৌদি আরামকোর স্থাপনা, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদে আরামকোর একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে।
গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে।”
হুথিরা আগামী দিনগুলোতেও বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে গোষ্ঠীটির উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে প্রতিদিন হামলা চালাচ্ছে হুতিরা। গত শনিবার বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর জবাবে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার কারণে সৌদি আরব তাদের গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ সম্মেলন ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ এবার সরাসরি ও অনলাইনে অংশগ্রহণের সুযোগ রেখে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এতে নির্বাহীরা দূর থেকেই সম্মেলনে অংশ নিতে পারবেন।
তবে কিছু অংশগ্রহণকারী রিয়াদে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে রাজধানীর বাইরের বিমানঘাঁটি অথবা প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিমানবন্দর ব্যবহার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
হুতিদের সঙ্গে সংঘাত বেড়ে যাওয়ার পরও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সৌদি সরকার।
এদিকে মঙ্গলবার ধাহরানে সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরের একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করে বলেছেন, সৌদি আরবে হামলার প্রভাব বিশ্বজুড়েই পড়তে পারে। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “সৌদি অর্থনীতি এই অঞ্চল ও বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর নেতিবাচক প্রভাব সর্বত্র, সবার ওপর পড়তে পারে।”
২০১৫ সালে ইয়েমেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট যুদ্ধে জড়ানোর পর উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এই দেশটির ওপর হুতিদের সাম্প্রতিক হামলাগুলোকে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল শুরু করবে। এর ফলে ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদীসহ মধ্যবর্তী বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন। নতুন রুটে ট্রেনটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। তবে, কুমিরা স্টেশনে এ যাত্রাপথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হচ্ছে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওপিএস) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান জানান, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২৬ অক্টোবর থেকে এ সেবা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নতুন সূচি অনুযায়ী, ৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর চট্টগ্রাম থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।
অন্যদিকে, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। সেখান থেকে রাত ৩টায় ছেড়ে সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে।
ট্রেনটিতে যাত্রীদের জন্য শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট ও এসি বার্থের ব্যবস্থা থাকবে। ফলে বিভিন্ন শ্রেণির যাত্রীরা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী আসন বেছে নিতে পারবেন। ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী ছাড়াও নাঙ্গলকোট, লাকসাম, কসবা, আখাউড়া, আশুগঞ্জ ও ভৈরববাজার স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চলাচল করছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস চলাচল করছে। মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে এ পথে ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ জোড়া হবে।
রেলওয়ের আদেশ অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেসে ১৬টি কোচ ও ১ হাজার ৩৬৬টি আসন থাকবে। ট্রেনটির চলাচলের সময় প্রায় ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আশঙ্কা, চট্টগ্রাম-দোহাজারী অংশের একক রেললাইন ও কয়েকটি স্টেশনের ছোট লুপলাইনের কারণে ট্রেনের ক্রসিংয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এতে অন্য ট্রেনের সময়সূচিও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মোহাম্মদ সফিকুর রহমান জানান, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস আর চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনে থামবে না। তাই সেখানকার যাত্রীদের বিকল্প ট্রেন বা পরিবহন ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চলাচল করে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস নামে দুটি ট্রেন নিয়মিত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করেন তিনি।
মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রলীগের একটা কর্মী পদের জন্য যে সারজিস আলম প্রতিদিন সাদ্দাম-ইনানের পা চাটত, সেও আজকে আমাদের নিয়ে বড় বড় কথা বলে! শেখ মুজিবুর রহমানকে বাপ ডেকেও যার একটা পদ হয়নি, সেই পা-চাটা সারজিস আলম কোন লজ্জায় আমাদের নিয়ে কটাক্ষ করে?’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারজিস আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় যার চুলের স্পাইক পর্যন্ত নষ্ট হয়নি, পাঞ্জাবির ইস্ত্রির ভাঁজ পর্যন্ত ভাঙেনি, ডিবি অফিসে জুস খেতে খেতে যে ঘটনাচক্রে নেতা হয়ে গেছে, সেও আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আমরা নাকি ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে আপস করে সরকার পতন না ঘটিয়ে শুধুমাত্র কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছি!’
২০১৮ সালের পর শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে রাশেদ খান আরও বলেন, ‘আচ্ছা, ধরেই নিলাম, আমরা আপস করেছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালের পরে আমরা যখন শেখ হাসিনাবিরোধী লড়াইয়ে নেমেছি, ক্যাম্পাসে অসংখ্যবার মার খেয়েছি, তখন এই সারজিস আলম শেখ মুজিবুর রহমানকে বাপ ডাকতে ডাকতে ফেনা তুলে ফেলেছে!’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সারজিস আলমের কর্মকাণ্ড নিয়েও অভিযোগ তুলে ধরেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জুলাইয়ের গাদ্দার সারজিস আলম শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে, এটা কি জাতি ভুলে গেছে? জাতি কি ভুলে গেছে, নাহিদ-আসিফকে তুলে নেওয়া কিংবা ডিবি হেফাজতে নেওয়ার পরেও কারফিউয়ের মধ্যে সারজিস-হাসনাত গোয়েন্দা সংস্থার গাড়ি করে ঘুরে বেড়িয়েছে!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে ২৬ অক্টোবর থেকে যথারীতি কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে, ছুটিকালীন ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিথি ও দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, দুর্গাপূজা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এবং পরে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সব মিলিয়ে টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা এ ছুটি পাচ্ছেন। ছুটি শেষে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে।
অন্যদিকে, ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে অতিথি ও দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আগামীকাল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ প্রবেশপথগুলোতে অতিথি ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধসংক্রান্ত ব্যানার টাঙানো হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে। ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ