প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করেন তিনি।
মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রলীগের একটা কর্মী পদের জন্য যে সারজিস আলম প্রতিদিন সাদ্দাম-ইনানের পা চাটত, সেও আজকে আমাদের নিয়ে বড় বড় কথা বলে! শেখ মুজিবুর রহমানকে বাপ ডেকেও যার একটা পদ হয়নি, সেই পা-চাটা সারজিস আলম কোন লজ্জায় আমাদের নিয়ে কটাক্ষ করে?’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারজিস আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় যার চুলের স্পাইক পর্যন্ত নষ্ট হয়নি, পাঞ্জাবির ইস্ত্রির ভাঁজ পর্যন্ত ভাঙেনি, ডিবি অফিসে জুস খেতে খেতে যে ঘটনাচক্রে নেতা হয়ে গেছে, সেও আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আমরা নাকি ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে আপস করে সরকার পতন না ঘটিয়ে শুধুমাত্র কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছি!’
২০১৮ সালের পর শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে রাশেদ খান আরও বলেন, ‘আচ্ছা, ধরেই নিলাম, আমরা আপস করেছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালের পরে আমরা যখন শেখ হাসিনাবিরোধী লড়াইয়ে নেমেছি, ক্যাম্পাসে অসংখ্যবার মার খেয়েছি, তখন এই সারজিস আলম শেখ মুজিবুর রহমানকে বাপ ডাকতে ডাকতে ফেনা তুলে ফেলেছে!’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সারজিস আলমের কর্মকাণ্ড নিয়েও অভিযোগ তুলে ধরেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জুলাইয়ের গাদ্দার সারজিস আলম শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে, এটা কি জাতি ভুলে গেছে? জাতি কি ভুলে গেছে, নাহিদ-আসিফকে তুলে নেওয়া কিংবা ডিবি হেফাজতে নেওয়ার পরেও কারফিউয়ের মধ্যে সারজিস-হাসনাত গোয়েন্দা সংস্থার গাড়ি করে ঘুরে বেড়িয়েছে!’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন