জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার ১৯টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ৬১ জন অসহায় ও দুস্থ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।
দলের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে জেলার মোট ৮০টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, যিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারিফ উল হাসান এবং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক মনজুরুল আলম দুলাল।
এ সময় জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। তার পক্ষ থেকেই আজ জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্বদের মধ্যে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে রাজবাড়ীর সাংস্কৃতিক কর্মী ও প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আরও বেশি সহায়তা পায়, সেই বিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গাছ লাগানো যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে এবং পরিবেশ রক্ষা করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
আজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর ঘাটে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন অ্যাকশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’ গাবুরা ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে ২ হাজার ১৫টি পরিবারকে নিয়ে ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের এক হাজার সদস্যের মাঝে তিনটি করে লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গাবুরা এলাকায় কদবেল, তাল ও তেঁতুল গাছের চারা রোপণ করলে মাটি ক্ষয়রোধে ইতিবাচক ভূমিকা নিশ্চিত হবে।
বিশেষত, তালগাছ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে কার্যকর। তিনি পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণের জন্য আহ্বান জানান।
শ্যামনগর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন, একটি গাছ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একটি শিশুর যত্ন নেয়ার মতো, একটি গাছকেও পরিচর্যা করার মাধ্যমে বড় হতে হবে। তিনি লবণসহনশীল ও পরিবেশবান্ধব গাছ বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন ফেইথ ইন অ্যাকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, এমঅ্যান্ডই কর্মকর্তা প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস এবং প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য, সাথে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটররা। অনুষ্ঠানে এক হাজার উপকারভোগীর মধ্যে এক হাজার তাল, এক হাজার কদবেল এবং এক হাজার তেঁতুল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হিসেবে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে 'আমরা কিশোরগঞ্জবাসী' ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে, যখন কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়, তখন ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা ঐতিহাসিকভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তবে, এতে ট্রেন চলাচলে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি।
এসময় বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জ থেকে মাত্র ২টি ট্রেন ঢাকা রুটে চলাচল করে, যা জনগণের ভোগান্তি শেষ করে না। যদি কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন নেত্রকোনা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়, তবে কিশোরগঞ্জবাসীর বিড়ম্বনা আরও বাড়বে। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি গড়ে তোলার হুমকি দেন।
জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন, পৌর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্ব ফরিদ আহাম্মদ, সাবেক কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবক মুরাদ ভূঁইয়া সহ অন্যান্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)।
আজ এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই জানিয়েছে, বিএসইসি’র এই পদক্ষেপকে দেশের পুঁজিবাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে বলা হয়েছে এটি বাজারের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।
ডিএসই আরও জানায়, এটি বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সাহায্য করবে।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ১ জুলাই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ক-এর অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ যুগান্তকারী আদেশ জারি করেছে।
এই আদেশের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সুরক্ষা, বাজারে সুষ্ঠু, কার্যকর ও স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিতকরণ, সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন সহজতর করার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-কে নিজস্ব প্রবিধান ও নীতিমালা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটারসমূহ স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রাসঙ্গিক প্রবিধান, নীতিমালা এবং পরিচালনগত প্রয়োজনীয়তার আলোকে বাজার পরিচালনার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা পাবে। তবে, এসব প্যারামিটারে কোনো পরিবর্তন আনা হলে সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জকে তা অবিলম্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-কে অবহিত করতে হবে।
বাজারের সব অংশগ্রহণকারীর কাছে পরিবর্তনের বিষয়ে যথাযথভাবে প্রচার ও অবহিতকরণ নিশ্চিত করতে হবে। বিএসইসি বলেছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারী সুরক্ষা জোরদার করা, একটি সুশৃঙ্খল লেনদেন পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ন্যায্য, দক্ষ ও স্বচ্ছ লেনদেনকে উৎসাহিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ