প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গাছ লাগানো যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে এবং পরিবেশ রক্ষা করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
আজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর ঘাটে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন অ্যাকশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’ গাবুরা ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে ২ হাজার ১৫টি পরিবারকে নিয়ে ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের এক হাজার সদস্যের মাঝে তিনটি করে লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গাবুরা এলাকায় কদবেল, তাল ও তেঁতুল গাছের চারা রোপণ করলে মাটি ক্ষয়রোধে ইতিবাচক ভূমিকা নিশ্চিত হবে।
বিশেষত, তালগাছ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে কার্যকর। তিনি পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণের জন্য আহ্বান জানান।
শ্যামনগর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন, একটি গাছ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একটি শিশুর যত্ন নেয়ার মতো, একটি গাছকেও পরিচর্যা করার মাধ্যমে বড় হতে হবে। তিনি লবণসহনশীল ও পরিবেশবান্ধব গাছ বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন ফেইথ ইন অ্যাকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, এমঅ্যান্ডই কর্মকর্তা প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস এবং প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য, সাথে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটররা। অনুষ্ঠানে এক হাজার উপকারভোগীর মধ্যে এক হাজার তাল, এক হাজার কদবেল এবং এক হাজার তেঁতুল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন