ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নানা আয়োজনে শাবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস


নানা আয়োজনে শাবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে, দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রাতের আকাশ আলোকিত করে মনোমুগ্ধকর আতশবাজি প্রদর্শনী করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

এছাড়া, লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, লাইব্রেরি প্রশাসক অধ্যাপক মুহ. মিজানুর রহমান, সাস্ট রাইটিং সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুরাদ, সৈয়দ মুজতবা আলী হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী, মেডিকেল প্রশাসক অধ্যাপক ড. মো মাহবুবুল আলম, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনযুর উল-হায়দার, মহাবিদ্যালয় পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইউনুস আলী, পরিবহন দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমরান আহমদ চৌধুরী, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ফয়ছল আহমেদসহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ আফ্রিকার লিগে দল পেলেন রিশাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ এম


দক্ষিণ আফ্রিকার লিগে দল পেলেন রিশাদ

দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-২০ লিগ এসএ২০-তে দলের সদস্য হয়েছেন বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন। ডানহাতি লেগ স্পিনার রিশাদকে লিগটির সবচেয়ে সফল দল সানরাইজার্স ইস্টার্ন ক্যাপ সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে দলে নিয়েছে।

এসএ২০-তে রিশাদের এটি প্রথমবার দলের সদস্য হওয়া। ২৪ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার গত বছর বিগ ব্যাশে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে খেলেছিলেন। পূর্বে পাকিস্তান সুপার লিগে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলার পর এবার তিনি রাওয়ালপিন্ডিজের হয়ে খেলছেন।

আগামী ৭ অক্টোবর মিনি নিলামের আগে ইস্টার্ন ক্যাপ আরও একজন খেলোয়াড়, অস্ট্রেলিয়ার মিচেল মার্শকে দলে ভিড়িয়েছে। মার্শ ও রিশাদ নতুন দলে যোগ দিয়ে কুইন্টন ডি কক, এনরিচ নর্কিয়া ও অ্যাডাম মিলনের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গ পেতে যাচ্ছেন। প্রতিযোগিতাটির ষষ্ঠ আসর শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি।

ইস্টার্ন ক্যাপ নিজেদের মূল খেলোয়াড়দের ধরে রাখার কাজটি করেছে। স্টাবস টানা দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন, এবং টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ইয়ানসেন বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন।

সানরাইজার্স ইস্টার্ন ক্যাপের স্কোয়াড হলো: জেমস কোলস, লুইস গ্রেগরি, রিশাদ হোসেন, মিচেল মার্শ, অ্যাডাম মিলনে, ম্যাথিউ ব্রিজ, কুইন্টন ডি কক, জর্ডান হারম্যান, প্যাট্রিক ক্রুগার, সেনুরান মুথুসামি, এনরিচ নর্কিয়া, লুথো সিপামলা, ত্রিস্টান স্টাবস, মিচেল ভ্যান বুরেন, সিজে কিং, জেপি কিং ও মার্কো ইয়ানসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ত্রিনিদাদে দ্বিতীয় টেস্ট

পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০০ এম


পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ত্রিনিদাদে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাট এবং বল—দুই বিভাগেই পাকিস্তান ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে। প্রথম ইনিংসে আবদুল্লাহ শফিকের অসাধারণ ১৬০ রানের ইনিংসের উপর ভিত্তি করে সফরকারীরা ৪৩ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ লিড অর্জন করে।

এর পর, পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে সাজিদ খান ও আলি উসমান তাদের ঘূর্ণি বোলিংয়ে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ১১৭ রানেই গুটিয়ে দেন। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৭৫ রানের একটি সহজ লক্ষ্য দাঁড়ায়, যা তারা ২৩.৩ ওভারেই মাত্র দুটি উইকেট হারিয়ে অতিক্রম করে। ফলে সিরিজটি ড্র হলো।

ম্যাচের ভিত্তি তৈরি হয় প্রথম ইনিংসে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে, কিন্তু তারা বড় একটি সংগ্রহের সুযোগ হাতছাড়া করে। জাস্টিন গ্রিভস ৭৩ এবং অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৭০ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে। ব্রেন্ডন কিং ৪৬ রান করেন এবং শাই হোপ ২৯ রান যোগ করেন। কিন্তু কেউই ইনিংসকে শতকের দিকে নিয়ে যেতে পারেননি।

পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অফস্পিনার সাজিদ খান। তিনি ৩২.৪ ওভারে ৮৫ রান খরচ করে ৪ উইকেট নেন। একইভাবে কার্যকর ছিলেন আলি উসমান, যিনি ৩৫ ওভারে ৮০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। মোহাম্মদ আলি এবং উবাইদ শাহও ২টি করে উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিবীয়দের বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি।

বিপরীতে, পাকিস্তানের শুরুটা খুব ভালো হয়নি। তারা ৩৪ রানেই ইমাম-উল-হককে হারায়। তবে আজান আওয়াইস এবং আবদুল্লাহ শফিক দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রানের একটি জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত্তি স্থাপন করেন। আজান ৫৫ রান করে আউট হন, তবে শফিকের সঙ্গে বাবর আজম ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন।

তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে ১৮৩ রান যোগ করেন। বাবর ১৪৭ বলে ৮৮ রানের ভালো ইনিংস খেলেন, তবে শতকের অপেক্ষা করেই রানআউট হন। অন্যদিকে, আবদুল্লাহ শফিক ৩২৩ বল মোকাবিলা করে ১৫ চার ও ৩ ছক্কায় অসাধারণ ১৬০ রানের ইনিংস শেষে অপরাজিত থাকেন।

শেষ পর্যন্ত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ১৮ এবং সাজিদ খান ৩০ রান করে পাকিস্তানকে ৩৮৭ রানে পৌঁছে দেন। ফলে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের মূল্যবান লিড গ্রহণ করে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে জোমেল ওয়ারিকান দারুণ বোলিং করেন, যিনি ৪৬ ওভারে ১১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট তুলে নেন। শামার জোসেফ ২টি এবং জেইডেন সিলস ১ উইকেট পান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরু থেকেই পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের বিরুদ্ধে অসহায় আত্মসমর্পণ করে। উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান ওঠার পর তারা একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে। কেভেম হজ সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন। রোস্টন চেইজ ১৭, শাই হোপ ১৫ এবং ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ১৭ রান করেন; কিন্তু আর কেউ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারলেন না। ইনজুরির কারণে ব্র্যান্ডন কিং, যিনি প্রথম ইনিংসে ৪৬ রান করেছিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে পারেননি।

ফলস্বরূপ, ৪৬.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১১৭ রানেই অলআউট হয়ে যায়। পাকিস্তানের পক্ষে আবারও দারুণ পারফরমেন্স করেন সাজিদ খান এবং আলি উসমান, যিনি ১৯.১ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এবং সাজিদ খান ১২ ওভারে ৩২ রান খরচায় সমান সংখ্যক উইকেট নেন। মোহাম্মদ আলি নেন বাকি একটি উইকেট।

৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারান। ইমাম-উল-হক ৯ এবং আজান আওয়াইস ১৮ রান করে ফেরেন। তবে আবদুল্লাহ শফিক এবং বাবর আজম কোন নাটকীয়তার সুযোগ না দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

শফিক ৫১ বল মোকাবিলা করে অপরাজিত ২৪ রান করেন এবং বাবরও ৩০ বলেই ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন, যার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। ২৩.৩ ওভারে ২ উইকেটে ৭৭ রান তুলে পাকিস্তান ৮ উইকেটের জয়ের নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ, দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমরান খানের রেকর্ডে নাম লেখালেন বাবর আজম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ এম


ইমরান খানের রেকর্ডে নাম লেখালেন বাবর আজম

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে পাকিস্তানের হয়ে সর্বাধিক ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’ পুরস্কার জয়ের ক্ষেত্রে কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খানের রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখান বাবর আজম। শান মাসুদের জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন এই ব্যাটার ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ শুরুর আগে।

তিনি ব্যাট হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে চার ইনিংসে ৯৬.৫০ গড়ে মোট ১৯৩ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে সিরিজ শেষ করেন। তবে সিরিজের শুরুতে বাবরের পারফরম্যান্স খুব একটা আহামরি ছিল না। প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তিনি মাত্র ২৩ রান করেন। তবে এরপর, সফরকারী দলের রান তাড়া করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার মাঝে তিনি একটি লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরি উপহার দেন।

পরের ম্যাচেও বাবর সেই লড়াকু মানসিকতা ধরে রাখেন এবং প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন, যা পাকিস্তানকে ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড এনে দিতে বড় ভূমিকা পালন করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শেষ ম্যাচে তিনি মাত্র ৩০ বলে অপরাজিত ২৪ রান করেন, যার মধ্যে ছিল দুটি ছক্কা ও দুটি চার। এই ইনিংসটি দলের ৭৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা সহজে টপকে যেতে সহায়তা করে।

তার এই দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে যৌথভাবে ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’ পুরস্কারটি জিতে নেন। গ্রিভস চার ইনিংসে ১১১ রান করার পাশাপাশি সাতটি উইকেটও শিকার করেন; যার মধ্যে প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে নেওয়া পাঁচ উইকেটও রয়েছে।

যৌথভাবে পাওয়া এই ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’ পুরস্কারটি ছিল বাবরের টেস্ট ফরম্যাটে প্রথম। এর ফলে তার মোট পুরস্কারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০-এ। এর আগে তিনি টি-টোয়েন্টিতে পাঁচবার এবং ওয়ানডেতে চারবার এই সম্মাননা অর্জন করেন।

এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে সর্বাধিক ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’ পুরস্কার জয়ীদের তালিকায় ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার ইমরান খান ও ওয়াসিম আকরামের মতো কিংবদন্তিদের রেকর্ডের সমান অবস্থানে পৌঁছান। এই তালিকায় ওয়াকার ইউনিসের নামও রয়েছে, যিনি মোট নয়বার এই পুরস্কার জিতেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়েই এগোচ্ছেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৮ এম


সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়েই এগোচ্ছেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিনি এ সময় বলেছেন, দেশের মানুষ বিভাজন নয়, জাতীয় ঐক্য চায়।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শহীদ আকরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস এবং গণতন্ত্রের প্রতি অটল অঙ্গীকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অন্যান্য অধ্যায়। শহীদদের এই আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি জনগণের ভোটাধিকার, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার মধ্যেই নিহিত। তাই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

শামা ওবায়েদ বলেন, জুলাইয়ের যোদ্ধারা শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামেননি, তারা দীর্ঘ ১৭ বছরের গুম, খুন, সন্ত্রাস, নির্যাতন ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেই আন্দোলন করেছিলেন। এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত বিজয়।

নগরকান্দা ও সালথার মানুষের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, এ অঞ্চলের মানুষ সবসময় অন্যায়, অবিচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে। ভবিষ্যতেও জনগণের অধিকার, মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপচেষ্টা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিহত করা হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জাজরীস ও বদরুজ্জামান তাঁরা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%