ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব


শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব

নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই দুই খাতে মোট ২ লাখ ৬ হাজার ১৫ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই নতুন অর্থবছরে বরাদ্দের এই অংক বেড়েছে।

দীর্ঘ ১৯ বছর পর সংসদে জাতীয় বাজেট পেশ করেছে বিএনপি সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন। এটি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বাজেটের অংক।

মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবেলায় মানুষকে কিছুটা স্বস্তি প্রদান করার জন্য সরকারের এবারের বাজেটে একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতেও। দুই খাতে মোট বরাদ্দ হলো ২ লাখ ৬ হাজার ১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার জন্য বরাদ্দ আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বেশি।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। নতুন অর্থবছরের জন্য এই খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা।

সর্বস্তরে শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে জোর দেয়া হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেটে। একই সঙ্গে উন্নত ও দায়িত্বশীল স্বাস্থ্যসেবার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকরা বিশেষ নজর দিচ্ছেন।

বরাদ্দের অর্থ সুষম বণ্টন ও স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবহার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ওপর নির্ভর করবে আর্থিক নীতি প্রণয়নের সফলতা।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেডের জায়গায় টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ডাক পেলেন নিখিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ এম


হেডের জায়গায় টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ডাক পেলেন নিখিল

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ট্রাভিস হেড নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও তাকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছে। তার পরিবর্তে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিখিল চৌধুরি টি-টোয়েন্টি সিরিজে ডাক পেয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে নিখিল তাসমানিয়া এবং বিগ ব্যাশে হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে খেলছেন। তিনি এর আগে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে কখনও সুযোগ পাননি। এ কারণে বাংলাদেশ সিরিজে তাঁর অভিষেকের অপেক্ষা থাকবে।

ক্রিকেটে নিখিলের যাত্রার গল্পটি সত্যিই নাটকীয়। দিল্লিতে জন্ম নেওয়া নিখিল ১২টি টি-টোয়েন্টি এবং ২টি লিস্ট 'এ' ম্যাচ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের হয়ে খেলেছেন।

২০২০ সালে কুইন্সল্যান্ডে থাকা তাঁর চাচাকে দেখতে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান নিখিল। কিন্তু সে সময় কোভিড-১৯ মহামারির কারণে অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ হয়ে গেলে তিনি সেখানেই আটকে পড়েন।

বর্তমানে ২০২৭ সাল পর্যন্ত একটি অস্থায়ী ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন তিনি। যদিও এখনও দেশটির স্থায়ী নাগরিকত্ব পাননি, কিন্তু আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী টানা পাঁচ বছর অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসের সুবাদে জাতীয় দলের হয়ে খেলার যোগ্যতা তিনি অর্জন করেছেন।

ব্রিসবেনে গ্রেড ক্রিকেট খেলার সময় তৎকালীন হারিকেনস বোলিং কোচ জেমস হোপসের নজরে আসেন নিখিল। এরপর বিগ ব্যাশ লিগে (BBL) হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে তিনি দুর্দান্ত তিনটি মৌসুম কাটান। ২০২৪-২৫ মৌসুমে দলের বিগ ব্যাশ শিরোপা জয়ে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।

সম্প্রতি তাসমানিয়ার হয়ে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে নিখিলের অভিষেক ঘটে। শেফিল্ড শিল্ডে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেটও শিকার করেছেন। যদিও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি, সর্বশেষ আইপিএলে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে ছিলেন।

নিখিল চৌধুরীকে দলে নেওয়া প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক টনি ডোডেমাইড জানিয়েছেন, 'নিখিল বেশ কিছুদিন থেকে আমাদের নজরে ছিল। পাকিস্তান সফরের আগে ব্রিসবেনে প্রাক-মৌসুম ক্যাম্পে সে স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় হিসেবে দলের সঙ্গেই অনুশীলন করেছে। বিগ ব্যাশ এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আমাদের দারুণ মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশে নিখিল মূল্যবান অভিজ্ঞতা লাভ করবে এবং আগামী সপ্তাহে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একাদশ নির্বাচনের সময় সে অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে বাজেটের আকার অর্থহীন: অর্থনীতিবিদরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ এম


বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে বাজেটের আকার অর্থহীন: অর্থনীতিবিদরা

অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাজেটের আকার নয়, বরং এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক ভিত্তির দুর্বলতা মোকাবিলা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার ব্যয় কমানো গেলে বাজেট ঘাটতি কমতে পারে। এই বিষয়ে তারা প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন।

এদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দেশীয় শিল্পের জন্য আগাম কর অব্যাহতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কর ছাড়ের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি কমানো হবে।

দীর্ঘ ২১ বছর পর বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন।

এই বাজেট জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বাজেট ঘোষণার পর অর্থনীতিবিদরা এর বাস্তবায়ন ও বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, ‘নীতিকাঠামো নিঃসন্দেহে খুবই শক্তিশালী। কিন্তু বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল। অর্থের সংস্থান নেই। শেষ পর্যন্ত এই বাজেটের বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় বিষয়।’

অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ‘সরকারের পরিচালন ব্যয় কমানো গেলে বাজেট ঘাটতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে। সুদের হার কমানো গেলে বেসরকারি খাত এক বছরের মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা হলে সেখান থেকেও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে।’

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ জানান, ‘টার্নওভার কর শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ থেকে আবার ১ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি করছি। এছাড়া ভ্যাটের হার না বাড়িয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ, দেশীয় শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

যদিও ডিসিসিআই মনে করছে, উচ্চ রাজস্ব আদায়ের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত মহাসাগরে সন্ধান মিলল প্রাচীন তিমির বিশাল সমাধিক্ষেত্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


ভারত মহাসাগরে সন্ধান মিলল প্রাচীন তিমির বিশাল সমাধিক্ষেত্রের

দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের গভীর অংশে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে প্রাচীন ‘তিমির গোরস্তান’, যা মূলত তিমির মৃতদেহ ও জীবাশ্মের বিশাল সমাহার। এই অঞ্চলটির নাম ডায়ামেন্টিনা ফ্র্যাকচার জোন এবং এটি সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এবং এখানে অন্তত ৫৩ লাখ বছর ধরে তিমির দেহাবশেষ জমা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গবেষকদল সাবমার্সিবল ব্যবহার করে ৩২টি অভিযান পরিচালনা করে এই আবিষ্কার করেছেন। অভিযানের সময় তারা ৪৮৫টি তিমির জীবাশ্ম এবং আধুনিক তিমির দেহাবশেষের অবস্থান শনাক্ত করেন। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে বিস্তৃত তিমি-জীবাশ্ম অঞ্চল।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই অঞ্চলের কিছু জীবাশ্মের বয়স প্রায় ৫৩ লাখ বছর। এছাড়া, জীবাশ্মগুলোর মধ্যে একটি নতুন প্রজাতির ঠোঁটওয়ালা তিমির সন্ধানও পাওয়া গেছে, যার নাম রাখা হয়েছে টেরোসিটাস বেঙ্গুয়েলি।

বিজ্ঞানীদের মতে, মৃত তিমির দেহ সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থেকে এক বিশেষ বাস্তুতন্ত্র সৃষ্টি করে, যা ‘হোয়েল ফল’ হিসেবে পরিচিত। এসব দেহাবশেষকে ঘিরে বিভিন্ন প্রাণী যেমন হাড়-খেকো কৃমি, ভঙ্গুর তারামাছ, ঝিনুক ও অন্যান্য গভীর সমুদ্রের প্রাণী বাস করছে। আবিষ্কৃত অঞ্চলটিতে এমন পাঁচটি সক্রিয় হোয়েল ফল বাস্তুতন্ত্রও রয়েছে।

গবেষণাটি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের ধারণা এই এলাকার বিশেষ ভৌগোলিক গঠন এবং তিমির অভিবাসনপথের অবস্থান বিপুল সংখ্যক তিমির দেহাবশেষ জমা হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

গবেষণা দলের অন্যতম সদস্য শিয়াওতং পেং বলেন, এই আবিষ্কার গভীর সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য, তিমির বিবর্তন এবং কোটি কোটি বছর ধরে চলমান সামুদ্রিক পরিবেশগত পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য উন্মোচনের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দুর্গম এই অঞ্চল এখনও অনেকটাই অনাবিষ্কৃত, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রজাতি এবং চমকপ্রদ বৈজ্ঞানিক তথ্যের আবিষ্কারের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে কোন মেগা প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ এম


বাজেটে কোন মেগা প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে নতুন কোনো মেগা প্রকল্প নেয়নি সরকার। বরং সরকারের লক্ষ্য রয়েছে চলমান বড় প্রকল্পগুলোকে দ্রুত শেষ করে সেবায় নিয়ে আসা। এডিপির প্রায় ১৮ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ১৫টি মেগা প্রকল্পের জন্য। যেখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাত।

নতুন মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ না দেয়ার বদলে, সরকার চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে ১৫টি বৃহৎ প্রকল্পের জন্য ৫৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক বরাদ্দ পেয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প।

আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থের পরিমাণ ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের অগ্রগতি ৬৮ শতাংশের বেশি এবং সরকারের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করা।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পেয়েছে দেশের প্রথম পাতাল রেল প্রকল্প এমআরটি লাইন-১। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত যার রুটে বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলছে। ২০৩০ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে সেবা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী প্রকল্প পাচ্ছে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ, যা আগামী অর্থবছরে ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এটি চার গুণেরও বেশি। বছরের শেষ নাগাদ নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্পটির।

চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এই রুটের জন্য প্রায় পাঁচ গুণ বাড়িয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।

এদিকে, উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পেরও বরাদ্দ বেড়েছে। আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, স্বল্প সময়ে যাতায়াতকে স্বস্তিদায়ক করতে দ্রুত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%