ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যাচ্ছেন ট্রাম্প


বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার জন্য ট্রাম্প যাচ্ছেন। ছবি: এএফপি। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ হল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ফুটবল মাঠে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখা যায়নি। তবে তিনি আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত শিরোপা ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে আসবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই তথ্য জানিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা রোববারের ফাইনাল ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। আমি জানি, প্রেসিডেন্টও সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য উন্মুখ। তার (ট্রাম্প) উপস্থিতি এমন একটি বিশ্বকাপের সমাপ্তি ঘটাবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা, সবচেয়ে নিরাপদ এবং সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।"

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যে এই মহারণটি আগামী রোববার, ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্ক এলাকার নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত বছর ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল উপলক্ষে ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। তখন তিনি চেলসি এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) মধ্যকার ম্যাচ শেষে ইংলিশ ক্লাবটির হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার

বিশ্বকাপ ফাইনালে ট্রাম্পের পছন্দের দল কোনটি সে সম্পর্কে লেভিট বলেন, তিনি তা জানেন না। তবে সাংবাদিকদের ট্রাম্পকেই প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন। লেভিট বলেন, "আমি নিশ্চিত, তিনি আপনাদের জন্য মজার কোনো উত্তর দেবেন।"

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুক্রবার নিউইয়র্ক সিটির ট্রাম্প টাওয়ারে আয়োজিত ফিফার একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলেও জানিয়েছেন লেভিট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে অপসারণের সিদ্ধান্তে ইউক্রেনজুড়ে বিক্ষোভ কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে অপসারণের সিদ্ধান্তে ইউক্রেনজুড়ে বিক্ষোভ কেন?

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে অপসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে পুরো দেশে বিক্ষোভে অবতীর্ণ হয়েছেন শত শত মানুষ। রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে রাস্তায় নেমে তারা সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। ফেদোরভের বক্তব্য অনুযায়ী, সেনাপ্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফের বদলানোর প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ার জন্য দ্বন্দ্ব তীব্র হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানাচ্ছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেনারেল স্টাফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল সমন্বয়হীনতা।

শত শত বিক্ষোভকারী কিয়েভের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরানোর প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকেন। একই ধরনের প্রতিবাদ ইউক্রেনের একাধিক শহরে দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ‘বড় ধরনের ভুল’ করেছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মিখাইলো ফেদোরভ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ, ড্রোনভিত্তিক যুদ্ধকৌশল, প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক সংস্কার এবং অস্ত্র সংগ্রহের ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের ড্রোন সক্ষমতা বাড়ানো এবং ক্রিমিয়ায় সাম্প্রতিক অভিযানের পেছনে তার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

ফেদোরভ জানান, তিনি সেনাপ্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এ প্রস্তাবে রাজি হননি, যার ফলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্রতর হয়েছে। যদিও জেলেনস্কি এই পরিস্থিতি স্বীকার করেন এবং জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেনারেল স্টাফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সমন্বয়হীনতা বিদ্যমান ছিল। তবে জনগণের প্রতিক্রিয়া এবং পরিস্থিতি তিনি বিবেচনাতে নিয়েছেন বলে জানান প্রেসিডেন্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রকাশ্য মতবিরোধ কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, বরং রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের কৌশল ও নেতৃত্ব নিয়েও নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় জমজমাট মানিকগঞ্জের ঘিওরের নৌকার হাট, প্রতি হাটে ১০ লাখ টাকার বেচাকেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


বর্ষায় জমজমাট মানিকগঞ্জের ঘিওরের নৌকার হাট, প্রতি হাটে ১০ লাখ টাকার বেচাকেনা

বর্ষায় নদ-নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে নৌকার চাহিদা বেড়ে গেছে। আর এই চাহিদার কারণে মানিকগঞ্জের ঘিওরের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট আবারও জমে উঠেছে, যা প্রায় তিনশো বছরের পুরোনো। তবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের অভিযোগ হলো, এত পুরোনো ও জনপ্রিয় হাট হলেও এখানে এখনও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে হাটে নৌকার কদর বৃদ্ধি পায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে জমজমাট বেচাকেনা। ছোট ছোট যানবাহনে করে হাটে ডিঙ্গি নৌকা আনা হয়। কাঠমিস্ত্রি ও ব্যবসায়ীরাও সঙ্গে থাকেন। নৌকার আকার ও মান অনুযায়ী দাম ৩ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ে ১০ হাত লম্বা ও আড়াই হাত প্রস্থের একটি নৌকার দাম ৭ হাজার টাকা। ১১ হাত লম্বা ও ৩ হাত প্রস্থের নৌকাও ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৩ হাত লম্বা ও ৩ হাত প্রস্থের নৌকার দাম ৮ হাজার টাকা। ১৫ হাত লম্বা ও ৩ হাত প্রস্থের নৌকা ৯ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্ষায় পানি বাড়ানোর সাথে সাথে নৌকার দামও অনেক বেড়ে যায়। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার আলতাফ হোসেন বলেন, “কিছু দিনের ভারী বৃষ্টির কারণে বাড়ির চারপাশে পানি জমে গেছে। নৌকা ছাড়া বের হওয়ার কোনো উপায় নাই। কিন্তু নৌকার দাম অনেক বেশি হওয়ায় বিপাকে পড়েছি।”

দৌলতপুরের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “বাড়ির পাশেই একটি নদী রয়েছে। গরু-ছাগলের দেখাশোনা ও দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজের জন্য নৌকা প্রয়োজন। তাই বাধ্য হয়েই ৮ হাজার টাকা দিয়ে একটি নৌকা কিনেছি।”

শিবালয়ের জরিনা বেগমও একটি ডিঙ্গি নৌকা কিনেছেন। কিন্তু তার অভিযোগ হলো, প্রতিটি নৌকার দাম আগের তুলনায় ১ থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি।

অন্যদিকে, বিক্রেতাদের দাবি, কাঠ, লোহাসহ বিভিন্ন কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে কারিগরদের মজুরিও বেড়েছে। তাই নৌকার দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।

দিন দিন ঘিওরের এই ঐতিহ্যবাহী হাটের পরিধি বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু ড্রেনেজ, টিউবওয়েল ও টয়লেটের মতো মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। হাটের ইজারাদার মো. মনির উদ্দিন জানান, “প্রতি বছর ডিঙ্গি নৌকার সংখ্যা বাড়ছে। জায়গার সংকটের কারণে এখন ঈদগাহ ও কলেজ মাঠেও হাট বসাতে হচ্ছে। তবে ড্রেনেজ, টিউবওয়েল ও টয়লেটের অভাব দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

প্রতি বুধবার ঘিওরের এই নৌকার হাটে ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার নৌকা কেনাবেচা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বীরের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা! হামিদুর রহমান চত্বর ভাঙা নিয়ে ঝিনাইদহে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


জাতীয় বীরের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা! হামিদুর রহমান চত্বর ভাঙা নিয়ে ঝিনাইদহে উত্তেজনা

ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে শ্রমিকদের এই অবকাঠামোটি ভাঙতে দেখা যায়। তবে এর পেছনে কারা দায়ী বা কী উদ্দেশ্যে এই কাজ করা হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি দপ্তরই স্পষ্টভাবে উত্তর দিচ্ছে না। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে তীব্র বিভ্রান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে যারা এই ভাঙার কাজ করছেন, তারা সরাসরি কোনো সদুত্তর না দিয়ে ঝিনাইদহ পৌর কর্তৃপক্ষের দিকে আঙুল তুলছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ঝিনাইদহ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ আলী খান সম্পূর্ণ দায় অগ্রাহ্য করে বলেন, "বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। জেলা প্রশাসক দপ্তর থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।"

তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও একই কথা বলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, ভাস্কর্য অপসারণের বিষয়ে তাদের বিভাগে কিছুই জানানো হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানিয়েছেন, "জেলা প্রশাসন এই স্থাপনাটি ভাঙছে না। আমি দায়িত্ব গ্রহণের অনেক আগে থেকেই ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত ছিল। সম্ভবত সড়ক বিভাগ বা পৌরসভা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে।"

তবে তিনি আরও বলেন, "আমরা বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতি রক্ষার্থে জেলা পুলিশ লাইনসের সামনে তাঁর একটি নতুন প্রতিকৃতি নির্মাণের পরিকল্পনা করছি।"

অন্যদিকে, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম মাজিদ জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভাস্কর্যটি একাধিকবার ভাঙচুরের শিকার হয়েছিল। এছাড়া, এটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে বর্তমানে ঠিক কারা এই ভাঙার কাজটি পরিচালনা করছে, তা তারও জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, "জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলায় আমি গত কয়েক দিন ধরে ঢাকায় আছি। এলাকায় কী হচ্ছে বা কেন চত্বরটি ভাঙা হচ্ছে, তা আমার জানা নেই।"

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ঝিনাইদহ পৌরসভা শহরের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মরণে এই চত্বরটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত রূপ পায়নি।

দেশের প্রতিটি জেলায় এমন ভাস্কর্য বা স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের গৌরব ও ঐতিহ্য বহন করে। বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিবিজড়িত চত্বরটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে, অথচ সাধারণ মানুষ জানতেই পারছে না কেন এবং কারা এটি করছে।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান আমাদের জাতীয় বীর। এই চত্বরটি থাকলে নতুন প্রজন্ম তাঁর বীরত্ব ও আত্মত্যাগের গল্প জানতে পারতো। এভাবে জাতীয় বীরের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং বেদনাদায়ক।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের ধলাই সীমান্তঘাঁটি দখলের লড়াইয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে শহীদ হন অকুতোভয় সিপাহী হামিদুর রহমান। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া এই সূর্যসন্তানকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। অথচ তাঁর নিজ জেলাতেই তাঁর স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ সর্বস্তরের মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরের শ্রীঘরে মাদক বিক্রির অভিযোগে বাড়ি উচ্ছেদ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ঘোষণা স্থানীয় বাসিন্দাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ পি.এম


নাসিরনগরের শ্রীঘরে মাদক বিক্রির অভিযোগে বাড়ি উচ্ছেদ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ঘোষণা স্থানীয় বাসিন্দাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামে মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেখানে আক্তারনগর বাজার সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রির অভিযোগে একজন ব্যক্তির নাম, করিম মিয়া, তার বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্থানীয় ইউপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী মিলে অভিযোগের ভিত্তিতে করিম মিয়ার বাড়িতে যান। তারা দাবি করেন, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়।

পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে ঐ বাড়িটি উচ্ছেদ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, করিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসছিলেন। এর ফলে স্থানীয় যুবসমাজের একটি অংশ মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল। এর আগে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও, তিনি পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, অভিযানের সময় করিম মিয়া নিজের ভুল স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে আর মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকবেন না বলে সবার কাছে ক্ষমা চান। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, "আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ চাই। আমাদের এলাকার যুবসমাজ যেন মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা পায় এবং সুন্দর জীবন গড়তে পারে। মাদকের কারণে পরিবার ও সমাজে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, তা বন্ধ করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"

এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকের বিরুদ্ধে তাদের সামাজিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনের তথ্য স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী তথ্য ভিন্ন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%