ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যার প্রতিবাদে পিরোজপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা 


গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যার প্রতিবাদে পিরোজপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা 
 
গাইবান্ধায় বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের হামলায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পিরোজপুর জেলা ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। সোমবার (২৯ জুন) বিকালে শিবিরের জেলা শাখার আয়োজনে পিরোজপুর শহরের সিও অফিস মোড় থেকে মিছিলটি শুরু করে শহরের কৃষ্ণচুড়ার মোড় ঘুরে প্রধান সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ শেষে জেলা কার্যালয়ের সামনে এসে পথসভায় মিলিত হয়। 
 
সভায় বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবিরের জেলা শাখার সভাপতি ইমরান খান, সেক্রেটারী মিজানুর রহমান ও অর্থ সম্পাদক আবু ছালেহ প্রমূখ। 
মিছিলে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্রশিবিরের সহশ্রাধিক নেতা কর্মীরা অংশ নেন।
এসময় বক্তারা বলেন, সরকার বিএনপি’র সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে দিয়ে গুম, খুন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকতে চায়। ইতিমধ্যে এসব অপকর্মের কারণে হাসিনাকে কিন্তু পালিয়ে যেতে হয়েছে। আপনাদেরকে হুসিয়ারী করে বলতে চাই, আপনারা যদি এই সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে নিয়ন্ত্রনে না আনতে পারেন তাহলে আপনারা কিন্তু পালাবার পথ পাবেন না। বাংলার মানুষ কিন্তু এসব অত্যাচারের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে আপনাদেরকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করবে। 
 
শিবিরি সভাপতি ইমরান খান বলেন, সাইফুল্লাহ ভাইকে হত্যা করার পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে কিন্তু সরকার ও প্রশাসন কোন ধরণের পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। যদি শিবিরের কোন ভাইয়ের ওপর আঘাত আসে তাহলে আমাদের হৃদয়ে আঘাত পাই, আর যদি কোন ভাইকে হত্যা করা হয় তাহলে আমাদের অন্তরের মধ্যে আগুন জ্বলে যায়। সেই আগুন আপনাদেরকে শেষ করার আগে আপনাদের সাবধান করে দিচ্ছি। এই হত্যা কান্ডের সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ছাত্রশিবির হচ্ছে একটা জনসমূদ্র এই সমূদ্রে যদি ঝড় ওঠে তাহলে সকল ফ্যাসিবাদ ভেঙ্গে চুড়মার হয়ে যাবে। তিনি পরবর্তী কর্মসূচি পালনের জন্য সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকারও আহবান জানান। 
 
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২১ জুন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী (২৪)কে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মুকুল মিয়াসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ১৪/১৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে সাঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনোয়ার গ্রুপ নেবে জনবল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ এম


আনোয়ার গ্রুপ নেবে জনবল

আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটির ট্রান্সপোর্ট বিভাগে চাকরি দেয়ার লক্ষ্যে নিয়োগ করা হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম ও সংখ্যা: এক্সিকিউটিভ, সংখ্যা নির্ধারিত নয়।

আবেদনের যোগ্যতা: প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় যে বিবিএ (ম্যানেজমেন্ট) ডিগ্রি থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ২ থেকে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আবেদন করতে পারবেন শুধুমাত্র পুরুষ প্রার্থীরা। বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। কর্মস্থল হবে মুন্সিগঞ্জ।

বেতন: মাসিক বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের সময়সীমা: আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ এম


কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। তিনি গত রবিবার জাতীয় সংসদে জনগণের মনের কথা বলেছেন।

তার বক্তব্যে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এ তদন্ত হতে পারে। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা তিনি বলেন।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দেড় বছরের শাসনকালে অন্তর্বর্তী সরকারের অপকর্ম এবং অপশাসনের ক্ষতচিহ্ন সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে।

রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশরক্ষার কৌশল, আইন- বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া—কোথায় নেই ইউনূসের অপশাসনের কালো ছায়া? গভীরভাবে ইউনূসের শাসন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইউনূস ও তার সহযোগীরা যেন দেশ ধ্বংসের এক মহোৎসবে মেতে ছিলেন। লুটেরা দুর্বৃত্ত ডাকাত দল যেমন একটি গ্রামে আগুন ধরিয়ে লুটপাট করে, ঠিক তেমনটাই করেছে ইউনূস গং দেড় বছরে বাংলাদেশের মাটিতে।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেন। দেশবাসী আশা করেছিল, শান্তিতে নোবেলজয়ীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করবে। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। মানুষ নতুনভাবে বাঁচতে পারবে।

কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউনূসের ভদ্রবেশী মুখোশ খুলে যায়। দেশের মানুষ দেখে শান্তির দূতের আড়ালে হিংস্র দানবের রূপ। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার দেড় বছরে দুটি কাজ অত্যন্ত সফলভাবে করেছে। প্রথমত, দেশকে বিভক্ত করা। দ্বিতীয়ত, দেশের সম্পদ লুটপাট করা।

২৪-এর ৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এই ঐক্যের শক্তি কী অসাধারণ, সেটি জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। ইউনূসের দায়িত্ব ছিল খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ। অন্তর্র্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কিন্তু ক্ষমতা নিয়েই ড. ইউনূস বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজনের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেন। সংস্কারের নামে তিনি পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেন রাজনৈতিক অনৈক্য, অবিশ্বাস। এর একমাত্র কারণ ছিল ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা।

সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার শুরু করছিল নাটক। যে নাটক দেশের ক্ষতি করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিকভাবে জাতীয় সংসদে বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন এবং জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। সংস্কার নাটকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি তিনি অন্যত্র সরিয়ে নেন। এরপর ইউনূস সরকার এবং তাঁর উপদেষ্টাদের লুটপাটের কাহিনি এখন সারা বিশ্ব জানে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মতে, ইউনূস আমলে ঘুষ লেনদেনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। সুইস ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ইউনূস আমলে সেখানে টাকা রাখার রেকর্ড হয়েছে।

ইউনূসের নিজস্ব দুর্নীতির ফিরিস্তি বাংলাদেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, এনিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাই না। বলা যায়, ইউনূস একা নন, আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমানসহ অধিকাংশ উপদেষ্টার একমাত্র কাজ ছিল দুর্নীতি এবং লুটপাট। দেড় বছর একজন উপদেষ্টা যখন নিজের চিকিৎসার নামে প্রায় কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন, তখন এই অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিকতার মান কতটা নিচে ছিল, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

অন্তর্র্বর্তী সরকার, কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি—সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। এসব দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা যেন রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন সংজ্ঞা আমাদের সামনে হাজির করেছে। ক্ষমতায় যাওয়া মানেই দুর্নীতির লাইসেন্স। ক্ষমতায় যাও, দুর্নীতি কর, দেশ বেচে দাও, বিদেশে টাকা পাচার করো—তারপর জাতির বিবেক হয়ে জনগণকে জ্ঞান দাও। এইটাই ছিল ইউনূস সরকারের মূলমন্ত্র।

যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের জন্য এটি রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। ইউনূস সরকার কেবল সীমাহীন দুর্নীতি এবং লুটপাট করেনি, রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার আইনকানুন, রীতিনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। আর এ কারণেই ইউনূস শাসনের দেড় বছরের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ভালো করেই জানেন আইনের শাসনের মূল ভিত্তি। এখন তিনি আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে। বিগত চার মাসে তিনি নিশ্চয়ই অনুভব করছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বাধা কোথায়? ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় কী?

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতি হলো, প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। একজন অপরাধী, দুর্নীতিবাজের একমাত্র পরিচয় হচ্ছে, তিনি অপরাধী। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের অংশ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার। আইনসম্মত সাম্যতার নীতি তখনই কার্যকর হবে, যখন ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের মতো হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা আইনের আওতায় আসবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই উপলব্ধি করেছেন, একটি অন্যায়ের বিচার না করলে, আরেকটি অন্যায়ের বিচার করার নৈতিক অধিকার নেই। আইনের পরিভাষায় বলা হয়, একটি বিচারহীনতা আরও দশটি অপরাধের জন্ম দেয়। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

সাধারণ মানুষ মনে করবে, ক্ষমতায় থাকলে যা খুশি তাই করা যায়, তার বিচার হয় না। এর ফলে নির্বাচিত সরকার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সরকারের ভিতরে অনেক সুযোগসন্ধানী মনে করবে, যদি ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা এত দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যায়, তবে আমরা একটু করলে দোষের কী?

আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ইউনূস সরকার নামে অন্তর্র্বর্তী সরকার হলেও, এটি আসলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে গঠিত হয়েছিল। আজ যদি ইউনূসের অনিয়মের তদন্ত না হয়, তবে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার একই পথে হাঁটবে। ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টারা সুশীল সমাজের সফেদ পোশাককে কালি লেপন করেছেন। দেড় বছরের ইউনূস শাসনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে সুশীল সমাজ সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা তৈরি হয়েছে। নিরীহ মানুষ এখন মনে করে, সুশীল মানেই ইউনূস গংদের মতো মতলববাজ এবং দুর্নীতিবাজ। এই কারণেই সুশীল সমাজের ইমেজ রক্ষার জন্য হলেও, ইউনূস সরকারের দেড় বছরের সব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার জাতির কণ্ঠ হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, বিএনপি জনগণের কাছে তিনটি প্রধান অঙ্গীকার করেছে নির্বাচনের আগে। আইনশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা এবং রাষ্ট্রীয় অপচয় বন্ধ। এই তিনটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে ইউনূস সরকারের অপকর্মের তদন্ত করতেই হবে। ইউনূস আমলে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে আইনশাসনের চরম লঙ্ঘন ঘটেছে। তাই এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আগের আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে। দুর্নীতি দমন করতে হলে, দেড় বছরের সীমাহীন দুর্নীতির তদন্তে কোনো বিকল্প নেই। সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আশা করি, স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে। নতুন কমিশনের প্রথম কাজ হবে ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে জমাকৃত অভিযোগের তদন্ত। রাষ্ট্রীয় অপচয়েও ইউনূস সরকার ছিল শীর্ষে। ড. ইউনূসের উড়োজাহাজ ভর্তি প্রমোদ ভ্রমণ থেকে ধর্ম উপদেষ্টার ৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল, সবই রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় প্রমাণ করে। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত না করলে নতুন করে অপচয়বিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সফল হতে হলে, ইউনূস সরকারের আমলে সব ধরনের অনিয়মের তদন্ত করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতসকালে ঢাকার বাতাস যাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ এম


সাতসকালে ঢাকার বাতাস যাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।সবশেষ বায়ুর মান সূচক অনুযায়ী, শহরটির বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সাতসকালে ঢাকার স্কোর ১১৫। এই স্কোর অনুযায়ী, বায়ুর মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসময় ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলাবালি, ইটভাটা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উৎস। তাদের ভাষ্য, এসব উৎস থেকে দূষণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বায়ুর মানে টেকসই উন্নতি সম্ভব নয়। তাই সাময়িক উন্নতির চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণই দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে জরুরি।

এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৭১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এ ছাড়া, ১৬৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। সমান স্কোর নিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ১৫৭ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের স্কোর ১৫৬।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচনা করা হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমার্ধে গোলশূন্য মরক্কো-নেদারল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ এম


প্রথমার্ধে গোলশূন্য মরক্কো-নেদারল্যান্ড

বিশ্বকাপের শেষ ৩২–এর পর্বে ঘটে যাওয়া অঘটনে জার্মানি বিদায় নিয়েছে। এইবার মাঠে উপস্থিত হয়েছে নেদারল্যান্ডস এবং মরক্কো। দুই দলের শক্তি, সমর্থন ও খেলার ছন্দের কারণে চলছে হাড্ডাহাড্ডি এক লড়াই।

বিশ্বকাপের শেষ ৩২–এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পরেও এখনো কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

এদিকে, নাটকীয় টাইব্রেকারের মাধ্যমে জার্মানি এবার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘটিয়েছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা প্যারাগুয়ের বিপক্ষে টাইব্রেকার ৪–৩ গোলে হেরেছে। এর আগে উভয় দলের ১২০ মিনিটের খেলা শেষ হয়েছিল ১–১ সমতায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%