০৯:০২ এম
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা করা যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরদিনেই লেবাননে আবারও রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন), দক্ষিণ লেবাননে এক ইসরায়েলি ড্রোন হামলাতে অন্তত আটজন নিহত হন, এদের মধ্যে একজন দন্তচিকিৎসক এবং তার দুই সন্তানও রয়েছেন।
এই ঘটনার পর, লেবানিজ বিশ্ববিদ্যালয় আগামী সপ্তাহের সমস্ত পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছিলেন যে, দুই পক্ষই হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে ইসরায়েল বা হিজবুল্লাহ—কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই চুক্তির কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
সোমবার (১ জুন) ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরে ব্যাপক হামলার হুমকি দিলে, লেবাননের রাজধানীতে বিশাল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যেতে শুরু করেন। এর জবাবে হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়।
ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে জানান, নেতানিয়াহু এবং হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সাথে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তারা একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। কিন্তু ঘোষণার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চতুর্থ দফার আলোচনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সরাসরি এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না।
সূত্র : আল জাজিরা
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন