ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাপে গেয়ের করা শটে বিশ্বকাপের সর্বাধিক গতিময় গোল


পাপে গেয়ের করা শটে বিশ্বকাপের সর্বাধিক গতিময় গোল

বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ এখন তুঙ্গে, চলছে নকআউট পর্বের শেষ ১৬ দলের লড়াই। এই মাঠের তুমুল উত্তেজনার মধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মনে অনেক প্রশ্ন উঠে আসতে পারে। বিশেষ করে—এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতির শটের গোল কোনটি। ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা हालের দিনগুলোতে প্রযুক্তির সাহায্যে প্রকাশ করেছে এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গতিময় ১০ গোলের একটি তালিকা। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিপক্ষে সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গেয়ের করা গোলটি এখন পর্যন্ত চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুতগতির গোল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই শটটিতে বলের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩১.৯৪ কিলোমিটার। যদিও সেনেগালের বিশ্বকাপ যাত্রা ৩২-এর রাউন্ডেই শেষ হয়ে গিয়েছে, তবে পাপে গেয়ের এই বুলেট গতির গোলটি ফুটবল ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। গতিময় গোলের এই তালিকায় পাপে গেয়ের পিছনে ফেলেছেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার ইয়োহান মানজাম্বিকে। গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে যিনি গোলটি করেছিলেন, তাতে বলের গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৮.৭৩ কিলোমিটার, যা গেয়ের গোলের থেকে ঘণ্টায় প্রায় তিন কিলোমিটার কম। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নরওয়ের থেলো আসগার্ডের দুর্দান্ত একটি গোল। ফ্রান্সের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তার নেওয়া শটটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৫.৯৫ কিলোমিটার। সবচেয়ে শক্তিশালী ১০ শটের মধ্যে বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন কেপ ভার্ডের কেভিন পিনা। তিনি উরুগুয়ের বিপক্ষে এক ঘণ্টায় ১২৫.২২ কিলোমিটার গতির শটে যে গোলটি করেছেন, তা বিশ্বকাপে তার দেশের ইতিহাসে প্রথম গোল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এটি শুধু গতিই নয়, গোলটি ৩১ গজেরও বেশি দূর থেকে করা হয়েছিল, যা শীর্ষ ১০ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দূরপাল্লার শট হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। শেষ ষোলোর খেলা শুরু হওয়ার আগে, ফিফার তালিকার শীর্ষ ১০ গতিময় গোলের ৯টি এসেছে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো থেকে। নকআউট পর্ব থেকে তালিকায় একমাত্র গোলটি মিসরের মোহামেদ সাবেরের। তিনি ডালাসে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ও তীব্র গতিতে গোলটি করেন। ফুটবলের গতি ও খেলোয়াড়দের মুভমেন্টের এত নিখুঁত হিসাব পাওয়া যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে। এবারের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রিওন্ডা’র ভেতর ব্যবহৃত হয়েছে অত্যন্ত হালকা ‘ইনারশিয়াল মেজরমেন্ট ইউনিট’ (আইএমইউ) সেন্সর, যা বলের ভারসাম্য নষ্ট করে না। স্টেডিয়ামের ভেতরে বসানো ১৬টি বিশেষ ক্যামেরা প্রতি সেকেন্ডে বল ও খেলোয়াড়দের প্রায় ৫০ বার ট্র্যাকিং করে ২৯টি ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। ফিফা ও স্পোর্টস ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস অবশ্য এবারই প্রথম নয়, এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ নারী বিশ্বকাপেও এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার দেখা গিয়েছিল। বিশ্বকাপ যত সামনে এগোবে, প্রযুক্তির এই ট্র্যাকিং ডেটায় নতুন গতির কোনো রেকর্ড যুক্ত হয় কি না—এখন সেটাই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোলেমানের সোলার পাম্পে পরিবর্তন আসবে সেচের চিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


সোলেমানের সোলার পাম্পে পরিবর্তন আসবে সেচের চিত্র

 

নরওয়ে ০–০ ব্রাজিল সকলের নজরে। সোমবার ৬ জুলাই ২০২৬ পরবর্তী খেলাসমূহের মধ্যে রয়েছে সোমবার ৬ জুলাই ২০২৬[শেষ ১৬] সকাল ৬টা মেক্সিকো – ইংল্যান্ড এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো। মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২৬[শেষ ১৬] রাত ১টা পর্তুগাল – স্পেন এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম, ডালাস, যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন— এমপি ও ওসির স্বাক্ষর নকল করে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার ১। ত্রিশালে ভিক্ষুক শফিকুলের পাশে ইউএনও। আড়াইহাজারে হাসপাতালে ডাক্তারকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে। মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা। বগুড়ায় এইচএসসির ফরম পূরণের নামে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার।

 

একটি যন্ত্র আছে, যা স্থানান্তর করা যায় একদিক থেকে আরেক দিক। সূর্য যেদিকে কিরণ দেয়, সেদিকে এটি মুখ করতে পারে। সোলার পাম্পের এই শক্তিতে মাটির গভীর থেকে উঠে আসে পানির ধারা। সেই পানি জমির আল বেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিনব এ যন্ত্রের পেছনের কারিগর হলেন সোলেমান আলী, যিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোলানী গ্রামে বাস করেন। যখন জ্বালানি তেলের সংকট এবং লোডশেডিংয়ের দুশ্চিন্তা কৃষকদের নিত্যসঙ্গী, তখন সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি ভিন্ন সমাধানে পৌছেছেন। তিনি তৈরি করেছেন স্বল্প খরচে ভ্রাম্যমাণ সৌর সেচযন্ত্র—যা এক খেত থেকে আরেক খেতে নিয়ে সহজেই ব্যবহার করা যায়।

সোলেমানের শুরুটা কিন্তু এমন ছিল না। অভাবের কারণে তার পড়াশোনা প্রথম শ্রেণির পরে থেমে যায়। জীবিকার তাগিদে তিনি সাইকেল মেরামতের কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি ইনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই (আইপিএস) তৈরির কাজে যুক্ত হন। সেখান থেকেই তার প্রযুক্তির প্রতি গভীর আগ্রহ জন্ম নেয়। ২০১৩ সালে সৌর সেচব্যবস্থা নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি।

বছরের পর বছর ধরে বাজারের বিভিন্ন সৌর প্যানেল, কন্ট্রোলার ও যন্ত্রাংশ জোগাড় করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যান সোলেমান। একসময় তিনি তৈরি করেন নিজের সৌর সেচযন্ত্রের মডেল। পরে সেটিকে আরও উন্নত করতে পাম্পে যুক্ত করেন গিয়ার বক্স, যাতে দ্রুত পানি ওঠানো যায়। সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী প্যানেল ঘোরানোর ব্যবস্থা করেন। পুরো কাঠামোয় চাকা বসিয়ে এটিকে ভ্রাম্যমাণ করে তুলেন। কৃষকের জমিতে সেচ পাম্পের বোরিং করলেই, সোলেমানের সৌর সেচযন্ত্র নিয়ে গিয়ে স্থাপন করলেই পানি তোলার উপযোগী হয়ে যায়।

সোলেমানের তৈরি সৌর সেচযন্ত্রে ১০টি সৌরকোষ রয়েছে, প্রতিটির ক্ষমতা ২৫০ ওয়াট। মোট ২ হাজার ৫০০ ওয়াট ক্ষমতার এই প্যানেল সূর্যের আলো পেলেই বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, যা দিয়ে তিন হর্সপাওয়ারের পানির পাম্প চালানো হয়। প্রতি মিনিটে ন্যূনতম ৭০০ লিটার পানি তোলা যায় এবং এক দিনে প্রায় ১০ একর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব।

সোলেমানের সেচযন্ত্রের খরচও তুলনামূলকভাবে কম। ভালো মানের এক ওয়াট সৌরকোষের দাম পড়ে ২৮ টাকা। সেই অনুযায়ী ২ হাজার ৫০০ ওয়াটের সৌর প্যানেলের দাম পড়ে ৭০ হাজার টাকা। পানির পাম্প কেনা ও প্যানেলের অবকাঠামো তৈরিতে খরচ পড়ে আরও ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে একটি ভ্রাম্যমাণ সৌর সেচযন্ত্র তৈরিতে খরচ পড়ে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা।

প্রতিটি সেচযন্ত্র ভাড়া দিয়ে বছরে ৩৬ হাজার টাকা করে পান সোলেমান। একই সঙ্গে কেউ যদি সেচযন্ত্রটি কিনতে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি সেটিও বিক্রি করেন। মানভেদে প্রতিটি সেচযন্ত্রের দাম পড়ে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ ১০ হাজার টাকা। পাশাপাশি তারা কারিগরি সেবাও প্রদান করেন। সোলেমান এ পর্যন্ত শতাধিক সৌর সেচযন্ত্র তৈরি করে বিক্রি করেছেন এবং নিজে ছয়টি সেচযন্ত্র ব্যবহার করছেন। ভাড়ায় তিনি ২০টি সেচযন্ত্র ব্যবহার করছেন।

সাধারণ সেচযন্ত্র দিয়ে প্রতি বিঘায় খরচ হয় সাত থেকে আট হাজার টাকা, সেখানে সৌর সেচযন্ত্রে তা নেমে এসেছে তিন হাজার টাকায়।

সদর উপজেলার কৃষক আতাউর রহমান খেতে সৌর সেচযন্ত্র ব্যবহার করে সেচের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, "লোডশেডিংয়ের চিন্তা নেই, পেট্রোল-ডিজেলের ঝামেলাও নেই—সময়মতো পানি দিতে পারছি, ফলনও ভালো হচ্ছে। সেচে টাকাও সাশ্রয় হচ্ছে।"

সলেমান জানান, "আমার বাড়ির সব কাজই এখন সৌরশক্তি নির্ভর। ওয়েল্ডিং মেশিনটাও সৌরশক্তিতে চলছে। মুরগি-গরুর খামার, হ্যাচারির ভারি ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতিও সম্পূর্ণ সৌরশক্তিতে চলতে শুরু করেছি। মুরগির তিনটি শেডে এগজস্ট ফ্যান ও নয়টা সিলিং ফ্যান এবং মাছের হ্যাচারির পানি তুলতেও এই শক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বাড়ির ২০টির ওপরে লাইট, আটটি ফ্যান, ফ্রিজ, এসি, বৈদ্যুতিক চুলা, টেলিভিশনসহ সব ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতিও সৌরশক্তিতে চলে। যেখানে আগে মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসত, এখন তা নেমে এসেছে এক হাজার টাকার নিচে।"

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বলেন, "উত্তরাঞ্চলে বোরো মৌসুমে লোডশেডিং তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। যার কারণে বোরো ধান উৎপাদনে সেচকাজে কৃষকদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।"

সলেমানের এই সৌর সেচ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা গেলে, জ্বালানি ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ। নবায়নযোগ্য এ উৎস ব্যবহার করার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেচের সুবিধা বাড়বে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে পারলে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা লাভবান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালান্ডের গোলে লিড নিল নরওয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ এম


হালান্ডের গোলে লিড নিল নরওয়ে

দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকার পর অবশেষে নরওয়ে ম্যাচে এগিয়ে গেল। ৭৯তম মিনিটে আর্লিং হালান্ডের দুর্দান্ত হেডে তারা ব্রাজিলের জালে বল জড়িয়ে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয়।

ডান দিক থেকে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের ভাসিয়ে দেওয়া নিখুঁত ক্রসে বক্সের ভেতর উঁচুতে লাফিয়ে শক্তিশালী হেড করেন হালান্ড। গোলরক্ষক আলিসনের কোনো সুযোগ ছিল না সেই বল ঠেকানোর।

পুরো ম্যাচে খুব বেশি বলের সংস্পর্শে না এলেও তিনি সুযোগ পেয়েই স্বভাবসুলভ দক্ষতায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

এর ঠিক আগে, ৭৯তম মিনিটে, ব্রুনো গিমারাইসকে তুলে এদেরসনকে মাঠে নামান ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে বদল আনার পরপরই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

৮১ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে নরওয়ে। সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণের পথ খুঁজছে ব্রাজিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ এম


রাজধানী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনের অংশ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা কর্মীরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। রবিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে প্রায় ৬৫ বছর বয়সী ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আইয়ুব আলী বলেছেন, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি। সিআইডি প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, মরদেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালান্ডের জোড়া গোলে চাপে ব্রাজিল, শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০০ এম


হালান্ডের জোড়া গোলে চাপে ব্রাজিল, শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের শঙ্কা

হলান্ড এক হাতে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপে বিদায় করে দিল। ৯০তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে খুব জোরালো শটে হলান্ড দ্বিতীয় গোলটি করেন। নরওয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে এগিয়ে গেল।

যাকে নিয়ে পুরো ব্রাজিল দল ব্যাপক ভয়ে ছিল, সেই হলান্ডই নরওয়েকে এগিয়ে দিলেন। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে হেডে গোল করলেন হলান্ড।

জাপানের বিপক্ষে নব্বই মিনিট মাঠে দেননি নেইমার। কিন্তু শেষ ষোলোর ম্যাচে ৬৮তম মিনিটে মার্তিনেল্লির বদলি হিসেবে আনচেলত্তি নেইমারকে মাঠে নামালেন।

গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হলো ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধ। প্রথম হাফে দুই দলই গোল করার বেশকিছু সুযোগ পায়, তবে গোলকিপারের সহায়তায় উভয় দলই বেঁচে যায়।

প্রথমার্ধের যোগ করার সময়ে ওডেগার্ডের একটি শট অ্যালিসন সেভ করেন। ৪০তম মিনিটে নরওয়ের গোলকিপার ভিনিসিউসের শট সেভ করেন।

ম্যাচের ১১তম মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে নরওয়ের এক ডিফেন্ডার কুনহাকে ফাউল করেন। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও, পরে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্যে ব্রাজিল পেনাল্টি পায়। তবে গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলকিপার নিল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতেই নরওয়ে এগিয়ে যায়। তবে তাদের গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়।

ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ব্রাজিল ও নরওয়ের চারবার মুখোমুখি হয়েছে। তবে এটা অবাক করার মতো যে, এই চার দেখায় একবারও জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ে দুটি ম্যাচ জিতেছে, বাকি দুটি ড্র হয়েছে।

দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই ম্যাচটি ১–১ গোলে সমাপ্ত হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%