০৪:৪৪ পি.এম
বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টে বছরে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এই ঘাটতির কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে দেরি হচ্ছে।
রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
এদিন যশোর-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুল জানতে চান, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসর নেয়ার পর তাদের অবসরকালীন ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পেতে দেরি হওয়ার কারণ কী; বর্তমানে কতজন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে?
আরও পড়ুন: বিএনপির ডাক, সরকার পতনের একদফা আন্দোলন: ২৮ অক্টোবর
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে ট্রাস্টের দায়ও ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ প্রদানে দেরি হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সরকারের এককালীন অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এই অর্থের সংস্থান এবং আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার কাজ করছে।
এসময় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ হাজার ২৮৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দেওয়ার কথাও বলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ নভেম্বর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন