ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বর্ষায় তেনাচিড়া বিল যেন উত্তরবঙ্গের ‘মিনি কক্সবাজারে’ রূপান্তরিত


বর্ষায় তেনাচিড়া বিল যেন উত্তরবঙ্গের ‘মিনি কক্সবাজারে’ রূপান্তরিত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের তেনাচিড়া বিলে বর্ষায় এলজিইডির নির্মাণাধীন সড়কের চারদিকে জলরাশি। ভাসছে সাদা শাপলা ও গোলাপি পদ্ম। ছোট ছোট নৌকা বয়ে যাচ্ছে বিলের বুকে। মাঝখান দিয়ে চলে গেছে সরু আঁকাবাঁকা পাকা সড়ক। দুপাশে সারি সারি গাছ। সবুজ গাছপালা, শীতল বাতাস, ঢেউ খেলানো জলরাশি আর সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য যেন উত্তরবঙ্গের দর্শনার্থীদের কাছে এক টুকরো ‘মিনি কক্সবাজার’ রূপান্তরিত হয়েছে।

প্রতিদিন বিকেল হলেই সাঘাটা, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুরসহ দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এখানে। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে, আবার কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দি করতে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও আলোকচিত্রীদের উপস্থিতিও দিনে দিনে বাড়ছে। শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, শাপলা-পদ্মে ভরা বিল আর ছোট ছোট ডিঙি নৌকার দৃশ্যও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

অনেকেই নৌকায় ভেসে বিল ঘুরে দেখছেন। কেউ কেউ হাঁটুপানিতে নেমে গোসল করে উপভোগ করছেন বর্ষার নির্মল পরিবেশ। শিশুদের হাসি, পানির কলকল শব্দ আর পাখির ডাক মিলিয়ে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক প্রশান্তিময় আবহ। ঘুরতে আসা দর্শনার্থী বলেন পরিবার নিয়ে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। বিলে নেমে গোসল করেছি, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেছি। এমন পরিবেশে কিছুক্ষণ থাকলেই মন ভালো হয়ে যায়।
নৌকার মাঝি জানান নৌকা চালিয়ে কিছু টাকা ইনকাম করি। ঘূরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান গাইবান্ধার সাঘাটার এই মিনি কক্সবাজার দেখতে এসেছি। এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব কম জায়গায় দেখা যায়। জায়গাটি সংরক্ষণ করা গেলে এটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে। গ্রামবাংলার প্রকৃত সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি। শাপলা-পদ্ম, জলরাশি, নৌকা আর সূর্যাস্তের অপূর্ব সমন্বয় যে কাউকে মুগ্ধ করবে। পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা গেলে এটি দেশজুড়ে পরিচিত একটি ইকো-ট্যুরিজম স্পট হয়ে উঠতে পারে। স্থানীয় ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহম্মেদ তুলিপ বলেন, তেনাচিড়া বিল প্রতি বছরই বর্ষায় বিনোদনপ্রেমীদের আনন্দের খোরাক জোগায়।

আরও পড়ুন: বর্ষপূর্তিতে ম্যাগাজিন বর্ষবার্তা বের হচ্ছে

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আসাদুজ্জামান জানান, এ বছর টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তেনাচিড়া বিলে পর্যাপ্ত পানি জমেছে। একটি রাস্তার কিছু অংশ তলিয়ে গেছে। ফলে বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আগের তুলনায় অনেক বেশি ফুটে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাফের আগে চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন হামজারা, প্রতিপক্ষ কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


সাফের আগে চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন হামজারা, প্রতিপক্ষ কারা?

আগামী নভেম্বরে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ঘরের মাঠের বড় আসরের প্রস্তুতি নিতে ফিফার সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) একাধিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

এ অনুযায়ী, এই দুই আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে জাতীয় দলের জন্য অন্তত চারটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের জন্য বাফুফে প্রচেষ্টা চালাবে। তার মধ্যে কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দুই থেকে তিনটি ম্যাচ।

সম্প্রতি বাংলাদেশকে অনানুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কিরগিজস্তান ফুটবল ফেডারেশন সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে আয়োজিত একটি ত্রিদেশীয় ফুটবল সিরিজে অংশ নেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেছেন, "আমরা কিরগিজস্তানের কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছি। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে সেখানে খেলার বিষয়ে পারস্পরিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাব।"

কিন্তু যদি কিরগিজস্তান সফর চূড়ান্ত না হয়, সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে ঢাকাতেই প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে হামজা চৌধুরীদের আরও প্রস্তুত করতে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিয়মিত ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নিতে চায় দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি সমর্থিত রিকশা ও ভ্যানচালক সংগঠনের যাত্রা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


এনসিপি সমর্থিত রিকশা ও ভ্যানচালক সংগঠনের যাত্রা শুরু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির নতুন ইউনিট জাতীয় রিকশা-ভ্যান চালক শক্তির উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে নেভি গলিতে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রমিক শক্তির নতুন এই ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এনসিপির সদস্যসচিব সংসদ সদস্য আখতার হোসেন এই নতুন ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করেন। এতে ফয়সাল আহমেদকে আহ্বায়ক এবং মুহাম্মদ ওবায়দুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

ফরিদুল ইসলাম সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন, ওহিদুল ইসলাম ও মুহাম্মদ জয়নাল যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন। সুমন রহমান সালেহ সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন এবং মুহাম্মদ রাজু, সাকা নূর ও মিসেস দিলরুবা বেগম যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন।

জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ ইসহাক নতুন ইউনিটের তত্তাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় রিকশা-ভ্যান চালক শক্তির মুখ্য সংগঠক হিসেবে মুহাম্মদ হানিফ মিয়া রয়েছেন। মুহাম্মদ সানোয়ার, মোহা. রফিক, মোহা. হুমায়ুন, আলাউদ্দিন খান, মোরশেদ আলম, আনোয়ার হোসেন, মোহা. শাহজালাল, মোহা. খোকন ও লিটন আকন সংগঠক হিসেবে কাজ করবেন।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে বাবুল শিকদার, মো. বাচ্চু, রবিউল ইসলাম, মো. বাবুল, মনির হোসেন, মো. মুরাদ, মো. হাবীব, মো. মাসুদ, মো. জুয়েল, তাসলিমা আক্তার লিপি, মো. মোস্তফা, মো. রমজান, মো. জাফর, মো. শাহজালাল, রজ্জব আলী, লোকমান হোসেন, আক্তার হোসেন এবং সাদা মিয়া রয়েছেন।

শ্রমিক সমাবেশে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সাইফ মোস্তাফিজ, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহার ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ, মুখ্য সংগঠক আরমান হেসেনসহ অনেক উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন। শ্রমিক সমাবেশের শেষে গণসংগীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল যুবকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল যুবকের

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মো. রাজীব ফরাজী (২৫) নামে একটি যুবকের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনা ঘটে রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে, উপজেলায় রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের আমলীবাড়িয়া গ্রামে। নিহত যুবক রাজীব ফরাজী হচ্ছেন ওই গ্রামের মহিউদ্দিন ফরাজীর ছেলে। তার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায় যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগীরোগে ভুগছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরের সময় রাজীব বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। কিন্তু একপর্যায়ে তিনি ফিরে আসেননি, তখন তার স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অবশেষে পুকুর থেকে রাজীবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের ধারণা অনুযায়ী, গোসলের সময় হঠাৎ করে মৃগীরোগের খিঁচুনি উঠলে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় এক অপূরণীয় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ: আইপিসির বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ: আইপিসির বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে এখন প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে অবস্থান করছে। এটি বিশ্লেষণভুক্ত মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার মানুষ যারা জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে ভুগছেন।

অন্যদিকে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৮১ লাখে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে পড়ে যেতে পারেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গার, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশনের (গেইন) যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি)’র সর্বশেষ বিশ্লেষণে উল্লিখিত তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

আইপিসি হলো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার তীব্রতা ও ব্যাপ্তি বিশ্লেষণ এবং শ্রেণিবিন্যাসের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি কাঠামো। এর বিশ্লেষণ সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের মানবিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিকল্পনার জন্য একটি অভিন্ন প্রমাণভিত্তিক ভিত্তি প্রদান করে।

সম্প্রতি ঢাকায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও তদারকি ইউনিটের (এফপিএমইউ) নেতৃত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় এই বিশ্লেষণের ফলাফল প্রকাশ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মাত্রা সবচেয়ে বেশি পার্বত্য চট্টগ্রাম, হাওরাঞ্চল, কয়েকটি উপকূলীয় জেলা এবং কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মধ্যে।

কর্মশালায় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণকে নীতি ও বিনিয়োগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইপিসির এই বিশ্লেষণ আমাদের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে সাহায্য করবে।’

খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা উল্লেখ করেন, ‘কার্যকর নীতিনির্ধারণে তথ্য ও প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, এই আইপিসি প্রতিবেদনের ফলাফল নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং মানবিক সংস্থাগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ড. মোহাম্মদ জকরিয়া বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, সমাজ, এনজিও, উন্নয়ন সহযোগী, জাতিসংঘের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিকূল জলবায়ু, বন্যা, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে, কোটি মানুষের প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্যে প্রবেশাধিকার আরো সীমিত হয়ে পড়বে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা জরুরি খাদ্য সহায়তা সম্প্রসারণ, দুর্যোগ-সাড়া সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি সম্প্রসারণ, জীবিকা পুনরুদ্ধারে সহায়তা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুপারিশ করেন।

বাংলাদেশে এফএওর প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি বলেন, ‘বারবার বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার সহনশীলতা বাড়ানো এখন অত্যন্ত জরুরি। জরুরি কৃষি কৌশল, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, টেকসই জীবিকা এবং স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট মোকাবিলা করতেই নয়, বরং ভবিষ্যৎ সংকট থেকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেবে।’

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, ‘এই আইপিসি বিশ্লেষণের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো, এটি সংকট আরও গভীর হওয়ার আগেই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। বিশ্লেষণে চিহ্নিত অনেক এলাকা বর্তমানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যার মুখে রয়েছে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম। সেখানে ডব্লিউএফপি আগাম পদক্ষেপ (Anticipatory Action) গ্রহণ করেছে এবং সরকারের দুর্যোগ-সাড়া সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করছে। জরুরি সাড়ার পাশাপাশি আইপিসি ভবিষ্যৎ সংকটের পূর্বাভাস, আরও কার্যকরভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

কর্মশালায় খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং অংশীদার সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলা, ভবিষ্যতের দুর্যোগে সহনশীলতা বৃদ্ধি তথা সবার জন্য টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%