ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৫:১৫ পি.এম
প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা টিম। উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সহযোগিতায় শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় থানা শিশু পার্কে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বনভোজন এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের বিনিময়ে পরিবেশবান্ধব গাছ বিতরণ করা হয়।
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘বোতল দিন, গাছ নিন’ কর্মসূচি। এতে প্লাস্টিকের বোতল জমা দিয়ে গাছ সংগ্রহ করেন দর্শনার্থীরা। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে প্লাস্টিকের বোতলের পাশাপাশি চিপস ও চকলেটের প্যাকেট জমা দিয়েও গাছ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে দর্শনার্থীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যায়।
আয়োজকরা জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার প্রবণতা কমানো, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। প্লাস্টিকের বোতল ও বিভিন্ন প্যাকেট পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এসব বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ রক্ষা ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা দিবাকর বিশ্বাস।
এ সময় দিবাকর বিশ্বাস বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সুস্থ ও সুন্দর জীবনের অন্যতম শর্ত। শুধু প্রশাসন বা কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষে এককভাবে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ জন্য সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। প্রত্যেকে নিজের বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে এবং যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকলে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বিডি ক্লিনের এ ধরনের উদ্যোগ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিডি ক্লিন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা সমন্বয়ক মেহেদী হসান বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু এক দিনের কর্মসূচি নয়, এটি প্রতিদিনের অভ্যাস হওয়া উচিত। প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট কিংবা চকলেটের প্যাকেট যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে জমা রাখতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ভাণ্ডারিয়া গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বনভোজনের মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে চলচ্চিত্র তারকাদের অংশগ্রহণ নতুন কিছু নয়। বহু অভিনেতা রাজনীতিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক উত্থানের পর, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেতা ধানুশও নতুন করে আলোচনায় আসেন। প্রশ্ন উঠেছে, তিনিও কি এবার রাজনীতির মাঠে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন?
ধানুশের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এবং ভক্তদের নিয়ে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এই জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে অভিনেতার ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এসব গুঞ্জনে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
গত ২৫ অক্টোবর চেন্নাইয়ের উপকণ্ঠে একটি বেসরকারি কলেজে নারী ভক্তদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করেন ধানুশ। সেখানে তিনি পদ্মফুল খোদাই করা রুপার প্রদীপ উপহার দেন, যা ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক। এই উপহার নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।
এর আগে দিল্লি সফরে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ধানুশের সাক্ষাতের খবরও প্রকাশিত হয়েছে। এসব ঘটনার পর অভিনেতার সঙ্গে বিজেপির সম্ভাব্য রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কংগ্রেস নেতা মানিকম ঠাকুর বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিজেপি একজন জনপ্রিয় অভিনেতাকে সামনে এনে রাজনৈতিক সমীকরণে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দলের পরিকল্পনার প্রথম ধাপে এআইএডিএমকের সাধারণ সম্পাদক এদাপ্পাদি কে পালানিস্বামীকে কাজে লাগানো, দ্বিতীয় ধাপে কে আন্নামালাইয়ের মাধ্যমে নতুন দল গঠন এবং তৃতীয় ধাপে কোনো অভিনেতাকে রাজনীতিতে নিয়ে আসা।
অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর এআইএডিএমকের কিছু নেতা ধানুশকে তাদের দলে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতিতে ধানুশের সম্ভাব্য প্রবেশের জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে তার ভক্ত সংগঠনের সাম্প্রতিক পরিবর্তন। ১৪ অক্টোবর ভক্ত সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে ‘ধানুশ ওয়েলফেয়ার মুভমেন্ট’ রাখা হয়েছে। এরপর সংগঠনের নতুন পতাকা ও প্রতীক চালুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সংগঠনের নেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক সুব্রামানিয়াম শিবা জানিয়েছেন, পতাকাটি নতুন নয়। এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। পতাকার মাঝখানে লাল তারকা ও ধানুশের ছবি রয়েছে। দুই পাশে তামিল ভাষায় লেখা ‘এন্নামপোল থান ভাঝক্কাই’। এর অর্থ, মানুষের জীবন তার চিন্তারই প্রতিফলন।
শুধু ভক্ত সংগঠন নয়, সাধারণ মানুষের জন্যও বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ধানুশের সংগঠনের। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তামিলনাড়ুর ২৩৪টি বিধানসভা আসনে শিক্ষার্থীদের জন্য শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বিনা মূল্যের পাঠদানকেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে এসব কেন্দ্র চালুর লক্ষ্য রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন শিক্ষক ও একজন সহকারী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের বেতনের দায়িত্বও নেবে সংগঠনটি।
এ ছাড়া সংগঠনের সদস্য ও সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তার জন্য রাজ্যজুড়ে তিন হাজার আইন উপদেষ্টা নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ২৭ জুলাই তিরুভাল্লুর জেলায় এক অনুষ্ঠানে ভক্তদের উদ্দেশে ধানুশ বলেছিলেন, শুধু তার সিনেমার মুক্তি কিংবা গানের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেই হবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরও বড় কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। তার এই বক্তব্যও নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
এক ভক্তের দাবি, ২০২৫ সাল থেকেই নিয়মিত সমর্থকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন ধানুশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে নিজের সমর্থকগোষ্ঠীকে সংগঠিত করাই এসব উদ্যোগের লক্ষ্য। ওই ভক্তের আরও দাবি, ধানুশের সমর্থকদের একটি বড় অংশ ২০২৬ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়কে ভোট দিয়েছিলেন।
তবে এতসব আলোচনা ও জল্পনার মধ্যেও ধানুশের ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, আপাতত অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত তিনি। তার আগামী ছবি ‘ওএম’-এর পরিচালক রাজকুমার পেরিয়াসামিও রাজনীতিতে ধানুশের যোগ দেওয়ার গুঞ্জনকে গুরুত্ব দিতে চাননি। পরিচালকের ভাষ্য, ধানুশ সিনেমার প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনার কথা তার জানা নেই।
বর্তমানে ধানুশের ৫৫তম ছবির কাজ চলছে। এরই মধ্যে ৫৬তম ছবির মহরতও সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি অন্য ভাষার সিনেমাতেও অভিনয় করছেন তিনি। ‘ওএম’ ছবিটি আগামী ২০ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের সামাজিক ক্রেডিট ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ফলে নাগরিকদের ওপর ব্যাপক নজরদারির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ব্যবস্থা সরকারের ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি তথ্যের অস্বচ্ছ ব্যবহার, বৈষম্য ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের কারণও হতে পারে। চীনের এক আইন গবেষকের গবেষণায় এ আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
গত মাসে ‘জার্নাল অব সিচুয়ান নরমাল ইউনিভার্সিটি’ সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়। এর লেখক লিন জিয়ানশিং সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের একজন ডক্টরাল গবেষক। সিচুয়ান প্রদেশে সামাজিক শাসনব্যবস্থার মডেল ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্ভাবন নিয়ে পরিচালিত একটি সরকারি অর্থায়নপুষ্ট প্রকল্পের আওতায় এ গবেষণা করা হয়েছে।
লিনের মতে, সামাজিক মূল্যায়নব্যবস্থায় বিগ ডেটা ও অ্যালগরিদম ব্যবহার করে নাগরিকদের অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডকে পরিমাপযোগ্য স্কোরে রূপান্তর করা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তির সম্ভাব্য আচরণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া এবং তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।
গবেষক সতর্ক করে বলেছেন, এআইনির্ভর এমন প্রশাসনিক ব্যবস্থা ঝুঁকি মূল্যায়ন ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বাড়ালেও এর ফলে তথ্যের অস্বচ্ছতা, ব্যাপক নজরদারি ও বৈষম্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
স্বাস্থ্যসেবা ও ঋণ পাওয়ায় প্রভাব
লিনের গবেষণায় বলা হয়েছে, সামাজিক মূল্যায়নব্যবস্থায় কোনো ব্যক্তির স্কোর বেশি বা কম হওয়ার বিষয়টি সরাসরি তার অধিকার ও দায়িত্বে প্রভাব ফেলছে বলে মনে না-ও হতে পারে। তবে বাস্তবে স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাওয়া এবং সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে, তা এ মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করতে পারে।
গবেষকের আশঙ্কা, নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রোফাইল তৈরি করা হলে এ ব্যবস্থা একপর্যায়ে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার হাতিয়ার থেকে আচরণগত নজরদারির মাধ্যমে পরিণত হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে তথ্যের গুণগত মান এবং স্কোর নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত অ্যালগরিদমের নির্ভরযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। সংগৃহীত ব্যক্তিগত তথ্যের মান, মডেল তৈরির পদ্ধতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধরন—সবকিছুই এ ব্যবস্থার কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন লিন।
তার মতে, কঠোর তথ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ও কার্যকর তদারকি না থাকলে নাগরিকদের ডিজিটাল কর্মকাণ্ডের তথ্য অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হবে।
চীনের সামাজিক ক্রেডিট ব্যবস্থা কেমন
চীনের সামাজিক ক্রেডিট ব্যবস্থা পশ্চিমা বিশ্বে প্রায়ই নাগরিকদের আচরণ পর্যবেক্ষণ ও স্কোরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের একটি বিস্তৃত কাঠামো হিসেবে আলোচিত হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গত বছর প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এ ধারণার ভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
নিবন্ধ অনুযায়ী, চীনের সামাজিক ক্রেডিট ব্যবস্থা একক ও কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত কোনো অভিন্ন নেটওয়ার্ক নয়। বরং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার পরিচালিত একাধিক উদ্যোগ ও পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার সমন্বয়ে এটি গড়ে উঠেছে।
এসব ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে গুরুতর আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় কালো তালিকাভুক্ত করা, আর্থিক ঋণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরি এবং বিভিন্ন শহরের স্থানীয় সরকারের পরিচালিত মূল্যায়নব্যবস্থা। কিছু স্থানীয় ব্যবস্থায় নাগরিকদের আচরণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি পুরস্কার ও শাস্তির বিধানও রয়েছে।
স্ট্যানফোর্ডের নিবন্ধে বলা হয়েছে, চীনের অল্পসংখ্যক শহরে এ ধরনের স্থানীয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় সরকারি কর্মচারীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সামাজিক ক্রেডিট কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সরকারি সেবায় এআইয়ের ব্যবহার বাড়াচ্ছে চীন
চীনের সরকার সামাজিক শাসনব্যবস্থায় এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। গত বছর দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিষদ প্রকাশিত একটি কর্মপরিকল্পনায় সরকারি খাতে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে এআইয়ের ব্যবহার এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়।
এর লক্ষ্য হলো এমন একটি জনসেবাব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের প্রয়োজন যথাযথভাবে শনাক্ত করা, আগাম সেবার পরিকল্পনা করা এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
এর উদাহরণ হিসেবে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় আনহুই প্রদেশের একটি সামাজিক সহায়তা পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর তথ্যভান্ডার তৈরি এবং বিভিন্ন সরকারি বিভাগের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক সেবার কার্যকারিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে।
লিনের মতে, সামাজিক মূল্যায়নব্যবস্থা নাগরিকদের প্রয়োজন শনাক্ত করা, সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া এবং প্রশাসনিক সম্পদ বণ্টনে সরকারকে সহায়তা করতে পারে। তবে এ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে তথ্যের মান, নির্ভরযোগ্য অ্যালগরিদম এবং প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ জরুরি।
তার গবেষণায় মূলত সতর্ক করা হয়েছে, যথাযথ নীতিমালা ও তদারকি ছাড়া সামাজিক মূল্যায়নব্যবস্থায় এআইয়ের ব্যবহার বাড়ালে জনসেবা উন্নত করার প্রযুক্তি নাগরিকদের আচরণ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শীতের আগমনী বার্তায় পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে চলনবিল অঞ্চল। বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে বেড়াচ্ছে বিলের জলাভূমিতে। পাখির কলকাকলি এবং জলরশির মিতালিতে বদলে গেছে বিলের পরিচিত দৃশ্যপট। তবে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য রক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অবৈধ পাখি শিকার। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে অতিথি ও দেশীয় পাখির উড়াউড়ি এবং কোলাহল মুখর করে তুলছে চলনবিলকে।
মৎস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত চলনবিলে শীতের শুরুতেই বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন শুরু হয়েছে। কাকডাকা ভোরে এ সকল পাখি খাবারের সন্ধানে নেমে পড়ে বিল-জলাভূমিতে। নীল আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো যেন এক অপরূপ সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে।
সন্ধ্যা হলে ঝাঁক বেঁধে পাখির দল গাছে গাছে নিরাপদ আশ্রয় নেয়। বিলের অল্প পানিতে সাদাবক, গাংচিল, বালিহাস, পানকৌড়ি, ডাহুকসহ নানা প্রকার পাখির ডুব দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য এবং ঋষি বকের ধ্যান মগ্ন ছবি মানুষের মনে অনাবিল সুখানুভূতির সৃষ্টি করছে।
চলনবিল এখন অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে এবং পাখির মিলন মেলায় রূপ নিয়েছে। তবে শিকারীরা বসে নেই। নানা উপায়ে সৌখিন ও মৌসুমি শিকারীরা পাখি শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে মারা পড়ছে পাখি।
পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার ১২টি উপজেলা বেষ্টিত চলনবিলে প্রকৃতির মাঝে সাদাবক, পানকৌড়ি, শামুকখোল, বালিহাসসহ অসংখ্য অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়াউড়ি, কোলাহল, কলরব চোখে পড়ে। আর মাছে ভরপুর হাটু পানিতে প্রতিদিন ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির মিলন মেলায় যেন স্বর্গীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে চলনবিল জুড়ে।
চলনবিলের কৃষকের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদা বকপাখি চলনবিলের কৃষকের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। এ বছর এই বিলে হাজারো অতিথি পাখির আগমন ঘটেছে। এর মধ্যে সাদা বক ও শামুকখোল পাখি বেশি চোখে পড়ছে। এই বক ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকারে আসে।
হালচাষের সময় সাদাবক দল বেঁধে পেছনে পেছনে পোকামাকড় খেতে ভিড় জমায়। তাছাড়া পাখি বিলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। তারা কাউকেও এই বিলের পাখি শিকার করতে দেন না।
পরিবেশবাদী সংগঠন চলনবিল রক্ষায় আমরার সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম মধু জানান, শীত প্রধান দেশ থেকে প্রতি বছর এই সময় চলনবিলে নিজেদের আহার যোগাতে বক, বালিহাস, পানকৌড়ি, শামুকখোলসহ নানা প্রজাতির পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে আসে। প্রকৃতির মাঝে পাখ-পাখালির বিচরণ এবং ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। তবে কিছু লোভী শিকারি ফাঁদ পেতে সেই পাখি শিকার করে থাকে। এই বিলের পাখি রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাখি শিকারের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালিদ হাসান বলেন, চলনবিল জীববৈচিত্র্য ভরপুর একটি বিল। এই বিলের পাখি ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ, অবরোধ ও সংঘর্ষের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেডের ঝুটগুদামে দুর্বৃত্তদের দ্বারা আগুন লাগানো হয়েছে।
এছাড়া পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক ও বিভিন্ন কারখানার গেটে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মৌচাক কাটার এলাকায় পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়েছে, কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ লাঠিপেটার পাশাপাশি জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। মহাসড়ক অবরোধ থাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এতে চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দেওয়ার পর কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। প্রথমে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর ও চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অবরোধ শুরু হলেও পরে রতনপুর, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুরসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে এসব এলাকার অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে হাজার হাজার শ্রমিক মহাসড়কে অবস্থান নিলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেডের ঝুটগুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুপুরে আগুন লাগার খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু শ্রমিক বিক্ষোভ ও মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যানজটের মধ্যে পড়ে ইউনিট দুটি প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে বিজিবির পাহারায় মহাসড়কের উল্টো পথে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দুটি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তারেকুল ইসলাম জানান, ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেডের ঝুটগুদামে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। সড়কে যান চলাচল বন্ধ ও যানজটের কারণে প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরে বিজিবির সহায়তায় উল্টো পথে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে আগুন কীভাবে লেগেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্সে আগুন, মৌচাক কাটার এলাকায় পুলিশ বক্স ভাঙচুর এবং আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক ও বিভিন্ন পোশাক কারখানার গেটে ভাঙচুর চালানোর খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন জানান, শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। তারা কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা একটি পুলিশ বক্সে আগুন দিয়েছেন।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন পিপিএম-সেবা জানান, সকাল থেকেই শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মহাসড়ক অবরোধ থাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল করিম ভূঁইয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তারা এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন করবে। বর্তমানে মহাসড়কে অবরোধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।
শ্রমিক আন্দোলনের কারণে শুধু যানবাহন চলাচলই ব্যাহত হচ্ছে না, জরুরি সেবাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কে অবরোধ ও যানজটে আটকে পড়া একটি অ্যাম্বুলেন্সে লাশ নিয়ে চালককে বিপাকে পড়তে হয়েছে বলে জানা গেছে। চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত দীর্ঘ সড়কে যানবাহন আটকে থাকায় সাধারণ যাত্রী, রোগী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
পুলিশ, শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, মৌচাক, সফিপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। এরই মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এ সিদ্ধান্তের পরও শ্রমিকদের আন্দোলন থামেনি।
শ্রমিকদের দাবি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করার দাবিতে তারা আন্দোলন করছে।
এর আগে গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ ও আনসার একাডেমির ৩ নম্বর ফটক এলাকায় শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। ওই দিন শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। অবরোধের কারণে অন্তত ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল বলে শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। রাতে শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে দিলেও রোববার সকালে আবারও অবরোধ শুরু করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ