ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মান্দায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ


মান্দায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ

নওগাঁর মান্দায় সাম্প্রতিক দিনগুলির ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের মনোহরপুর, গাংতা এবং চুকিনগর এলাকায় এই খাবারগুলো বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন হিল্লোল, ভালাইন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মমতাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনিছার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আফাজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল এ বিষয়ে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর নির্দেশনায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার প্রথম দফায় মোট ১০০ পরিবারের মধ্যে এসব খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


মান্দায় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বনবিভাগের কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই তিনটি সরকারি রাস্তার ২৩৭টি ইউক্যালিপটাস ও আম গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। স্থানীয় এক মহিলাদল নেত্রীর বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব সরকারি গাছ বিক্রি করে দেওয়ার একটি ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের দ্বারিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে মণ্ডলপাড়া, খাঁপাড়া ও প্রামানিকপাড়া রাস্তায় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ২০০৫ সালে ইউক্যালিপটাস ও আম গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। হঠাৎ করেই গাছগুলো বিক্রির ব্যবস্থা শুরু করে ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েন দ্বারিয়াপুর (এফডব্লিউএডি) নামের একটি বেসরকারি সংস্থা।

এফডব্লিউএডি নিজস্ব লোকজনের মাধ্যমে বিক্রির জন্য ১২০টি ইউক্যালিপটাস এবং ১১৭টি আম গাছ চিহ্নিত করে। তবে স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, গাছের সংখ্যা ৪০০ এর বেশি হবে। গত ৬ জুলাই, গাছগুলো নিলাম দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ওই বেসরকারি সংস্থার চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দলের সহসভাপতি আসমা ইসলাম। সেই নিলাম ডাকে প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মণ্ডলও ছিলেন। তবে বনবিভাগের অনুমোদন না থাকায় গাছ ব্যবসায়ীরা ডাকে অস্বীকৃতি জানালে ওই নিলাম কার্যক্রম ভেস্তে যায়।

এ অবস্থায় বিএনপি নেত্রী দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আবারও নিলাম ডাকের আয়োজন করেন। গতকাল রোববার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে দ্বারিয়াপুর স্কুল সংলগ্ন মোড়ে নতুন করে নিলাম ডাক হয়েছে। নিলামে অংশ নেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ২১ জন গাছ ব্যবসায়ী। ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকায় গাছগুলো ডাক দিয়ে নেন দ্বারিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা গাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ। নিলাম ডাক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মণ্ডল, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেত্রী আসমা ইসলাম, এফডব্লিউএডির চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান খান, প্রধান শিক্ষক সদেরুল ইসলামসহ গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, নিলাম ডাকের পরদিন সোমবার (১৩ জুলাই) ডাককারী আব্দুস সামাদ বেশকিছু শ্রমিক নিয়োগ করে গাছগুলো কাটা শুরু করেন। ইতোমধ্যে অন্তত ৫০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বনবিভাগের অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে এভাবে গাছগুলো কাটা হচ্ছে এ নিয়ে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

উপজেলা মহিলাদলের সহ-সভাপতি এবং সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসমা ইসলাম জানান, তারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নয়, ইউনিয়ন পরিষদের সকল নীতিমালা মেনেই গাছগুলোর টেন্ডার প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসকে অবগত করা হয়েছে।

বেসরকারি সংস্থা এফডব্লিউএডির চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান মন্তব্য করেন, মোবাইলফোনের মাধ্যমে এ নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। তথ্য নিতে হলে অফিসে আসতে হবে বলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ প্রসঙ্গে মান্দা উপজেলা বন কর্মকর্তা আহমেদ আলী মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমার দপ্তরে এ ধরণের কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে বনবিভাগের অনুমোদন ছাড়া সরকারি রাস্তার গাছ কেউ কেটে নিতে পারেন না।’

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সার্থী জানান, ওইসব রাস্তার গাছ টেন্ডার মাধ্যমে বিক্রির অনুমোদনের জন্য এ দপ্তরে কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে, কয়েকদিন পূর্বে একটি অবগত কপি পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি আনছে ইউরোপের ২৭ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি আনছে ইউরোপের ২৭ দেশ

২৭ সদস্যদেশজুড়ে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক নতুন বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এটি হতে পারে অনলাইনের ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ইইউর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

সোমবারের দিনে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এই ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, দুটি বিশেষজ্ঞের তৈরি একটি প্রস্তাবে ধাপে ধাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের শুধুমাত্র বাবা-মা, অভিভাবক বা শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সীমিত সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে। বয়স বাড়ানোর সাথে সাথে কিশোর-কিশোরীদের জন্য এসব বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে শিথিল করা হবে।

ভন ডার লিয়েন বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বয়স-উপযোগী বিধিনিষেধ প্রয়োজন। প্রশ্নটি আর এই নয় যে শিশুরা অনলাইনে ঝুঁকির মুখে পড়ছে কি না; বরং তাদের জন্য কীভাবে নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।’

তিনি ইঙ্গিত দেন যে গ্রীষ্মকাল শেষে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ অনুসরণ করে ইউরোপীয় কমিশন একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপন করবে। আগামী সেপ্টেম্বরে তিনি ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দিতে পারেন।

এছাড়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিশুদের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কিংবা এমন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এসব উদ্যোগ মূলত টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে কেন্দ্র করে আছে।

তবে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং অনেক প্ল্যাটফর্মে বয়সসীমা চালু রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমা না চাইলে পাবনায় তুষার ও সারজিস আলম অবাঞ্ছিত: বিএনপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ এম


ক্ষমা না চাইলে পাবনায় তুষার ও সারজিস আলম অবাঞ্ছিত: বিএনপি

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দেয়া বক্তব্যের জন্য যদি ক্ষমা না চাইলে পাবনা জেলা বিএনপি সারোয়ার আলম ও সারজিস আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে পাবনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গুলিবর্ষণকারী সাঈদ চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রেক্ষিতে, যা বিএনপি পাবনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে করা হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার জানিয়েছেন, গত ৯ জুলাই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম এবং মুখ্য আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার পাবনা সদর ও চাটমোহরে একটি রাজনৈতিক সফর করেন। জানানো হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দলের কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে আগে থেকেই অবহিত করা হয়েছিল এবং বিএনপি সহযোগিতার মনোভাবও দেখিয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ওই সফরের সময়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে যেসব মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দেয়া হয়েছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। এর ফলে অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং শিমুল বিশ্বাসের নামে যেসব মিথ্যা বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেই জন্য পাবনার জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। অন্যথায় পাবনার মানুষ পাবনার যেকোনো সভা সমাবেশে সারজিস আলম এবং সারোয়ার তুষারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করবে।

এনসিপি নেতাদের বক্তব্যে জামায়াতের ইন্ধন রয়েছে দাবি করে মাসুদ খন্দকার বলেন, তাদের (এনসিপি) ভাষা এবং জামায়াতের ভাষা, দুইটির মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে। জামায়াত যেভাবে কথা বলে এবং এনসিপি যেভাবে কথা বলে, দুই সংগঠনের কথাবার্তায় বিস্তর মিল আছে। পরিণতিতে বোঝা যায়, কারও (জামায়াত) ইন্ধন আছে কিনা, তা জনগণও অনুভব করছে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, পাবনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মাস্টার, বর্তমান যুগ্ন আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা, আবু ওবায়দা সেখ তুহিন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু এবং বর্তমান জেলা আহবায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, গত ৯ জুলাই পাবনা সফরের পর ১০ জুলাই নাটোরের পদযাত্রায় সারোয়ার তুষার অভিযোগ করেছেন যে, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পাবনায় ছাত্র-জনতাকে গুলিবর্ষণ করে দুই শিক্ষর্থীকে হত্যাকারী আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইদ খান, ওরফে সাঈদ চেয়ারম্যানসহ পাবনার আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেমির ওপরে, নতুন বন্যার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ এম


তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেমির ওপরে, নতুন বন্যার শঙ্কা

টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি দুশ্চিন্তার হারে বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। আকস্মিকভাবে পানি বৃদ্ধির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তাতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের উজানে কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীতে পানিপ্রবাহ আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার রাতে ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ৫২ দশমিক ৩০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

গত মাসের শেষের দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করেছিল, তবে এক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে পানি আবারও বাড়তে শুরু করে এবং সোমবার সন্ধ্যায় তা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির স্তর বিপৎসীমা অতিক্রম করায় চলতি মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো বন্যার শঙ্কা আরও প্রবল হয়ে উঠেছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে পড়েছে, ফলে চরাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা ও ভেলা। পানি বন্দি হয়ে পড়া মানুষ গৃহপালিত পশু, শিশু, বৃদ্ধ এবং প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। একই সঙ্গে সাপ এবং বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রবেরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের চরের বাসিন্দা কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘বিকেল থেকে পানি হু হু করে বাড়ছে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের অনেক বাড়িতে পানি ঢুকেছে। পানির চাপ দেখে মনে হচ্ছে বড় বন্যা হতে পারে। বন্যার সময় সবদিকে শুধু পানি থাকায় আমাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়।’

ঘোড়ামারা চরের বাসিন্দা জহুরুল জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে পানি বাড়া-কমার মধ্যে থাকলেও সোমবার পানির পরিমাণ হঠাৎ বাড়ে। ফলে চরাঞ্চলের বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পানির তীব্র চাপে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং নদী তীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধগুলো সংস্কার না করায় সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ মেরামতের কাজ না করে বর্ষা মৌসুমে জরুরি মেরামতের নামে সরকারি অর্থের অপচয় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে কাজ করলে বাঁধ পাকাপোক্ত হতো এবং মানুষ নদীভাঙন ও বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত বলে দাবি করেন তারা।

সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজানের ঢলের কারণে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই তিস্তায় পানিপ্রবাহ বাড়তে শুরু করে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার এবং রাত ৯টায় ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সর্বাধিক সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%