বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৪৫ এম
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে লিটন দাস ও শেখ মেহেদীকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শৃঙ্খলা কমিটি।
লিটন দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে গিয়েছিলেন। অপরদিকে, শেখ মেহেদীর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করার অভিযোগ রয়েছে।
দুই ক্রিকেটারের বক্তব্য শোনার পর বিসিবি শাস্তির প্রস্তাব করে। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বোর্ড পরিচালক ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘ওদের (লিটন ও মেহেদী) শাস্তি এখন ডিসক্লোজ না করলে ভালো হবে। যেহেতু এটা একেবারেই অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
লিটনকে আর্থিক জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। শেখ মেহেদীর ক্ষেত্রেও সাজা প্রস্তাবিত হয়েছে। তবে জানা গেছে, লিটনের চেয়ে শেখ মেহেদীর জরিমানার পরিমাণ বেশি।
জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরে গতকাল (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় মেহেদী শৃঙ্খলা কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগের জবাব দেন।
অন্যদিকে, চিকিৎসার উদ্দেশে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন লিটন।
চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সফরের মাঝপথে দেশে ফেরেন লিটন এবং বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে ঘুরতে যান। ক্রিকেটারদের আচরণবিধি অনুযায়ী, সিরিজ বা খেলা না থাকলে বিসিবির অনুমতি নিয়ে দেশের বাইরে যেতে হয়, কিন্তু তিনি সেই নিয়ম মানেননি।
অন্যদিকে, সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজে একাদশে জায়গা না পাওয়া নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন শেখ মেহেদী। তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। এবং সিনিয়র সদস্য হিসেবে দলে জায়গা না পেয়ে আগেও নানা সময়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন এই অফ স্পিন অলরাউন্ডার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ সাল, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ হিজরি এবং ৮ সফর, ১৪৪৮ হিজরি।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজের সময় শুরু হচ্ছে ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হচ্ছে ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিবের সময় নির্ধারিত হয়েছে ৬টা ৫০ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৮টা ১২ মিনিটে।
আগামীকালের ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ০৩ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হচ্ছে ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ২২ মিনিটে।
সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনের শুরুতে অনেকের জন্য এক কাপ গরম চা অপরিহার্য। কিন্তু যদিএই চায়ে আদার ঝাঁজ থাকে, তাহলে এটি স্বাদের সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রদান করতে পারে। আদা প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ গুণের জন্য সুপরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে আদা চা পানের মাধ্যমে শরীরকে সতেজ রাখা সম্ভব এবং কিছু সাধারণ শারীরিক সমস্যা কমানোও যেতে পারে। চলুন, সকালের আদা চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানি।
হজমে সহায়ক
আদায় বিদ্যমান প্রাকৃতিক উপাদানগুলি হজম প্রক্রিয়াকে সহজ হিসেবে সাহায্য করে। তাই সকালে আদা চা পান করলে পেট ফাঁপা, বদহজম এবং অস্বস্তি কমানো সম্ভব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আদায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে। নিয়মিত আদা চা পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে।
সর্দি-কাশিতে আরাম
ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি, গলা ব্যথা বা কাশি দেখা দিলে গরম আদা চা সাময়িক আরাম দিতে পারে। এটি গলার তাপমাত্রা উষ্ণ রাখতেও সাহায্য করে।
শরীরে শক্তি জোগায়
সকালে এক কাপ আদা চা ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর। আদা চা পানের ফলে শরীরে সতেজ অনুভূতি ফিরে পাওয়া যেতে পারে।
বমিভাব কমাতে কার্যকর
আদা একটি প্রাচীন প্রতিকার হিসেবে দীর্ঘকাল ধরেই বমিভাব কমানোর কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষত ভ্রমণজনিত বমিভাব বা হালকা বমি বমি ভাব কমাতে এটি বিশেষভাবে সহায়ক।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
আদা শরীরের বিপাকক্রিয়া চালু রাখতে সাহায্য করে। তবে, শুধু আদা চা পান করলে ওজন কমবে এমন ধারণা সঠিক নয়; এর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামও প্রয়োজন।
তবে, যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করছেন বা গর্ভাবস্থায় আছেন, তাদের উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা। অতিরিক্ত আদা গ্রাহণ করলে বুকজ্বালা বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশটি মার্কিন প্রযুক্তির সহায়তায় নিজেদের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সমঝোতাটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তা বিধান বজায় রাখার পাশাপাশি মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সৌদি আরবের জ্বালানি খাতে প্রবেশের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
চুক্তির পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ্যে না এলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সমঝোতা অনুযায়ী সৌদি আরব পরবর্তীতে নিজেদের ভূখণ্ডেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি পেতে পারে। মার্কিন কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা সেন্ট্রিফিউজ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে ইউরেনিয়াম প্রসেসিং পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের এই প্রযুক্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি পরমাণু অস্ত্র তৈরিতেও ব্যবহারযোগ্য। ফলে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের বড় একটি অংশ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিকভাবে অন্য কোনো দেশকে নিজেদের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে যুক্তরাষ্ট্র আগে কখনো সহায়তা দেয়নি, যা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
অবশ্য এই অভিযোগ ও ঝুঁকি নাকচ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, পরমাণু অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করে; এমন কোনো পদক্ষেপ ওয়াশিংটন কখনো নেবে না। এছাড়া মার্কিন শক্তি সচিব ক্রিস রাইট এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, চুক্তিটিতে বিশ্বমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।
এই চুক্তির রাজনৈতিক ও কৌশলগত সময়কাল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অব্যাহত টানাপোড়েন, সৌদি আরবে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সৌদি নৌসীমানায় ব্লকেড দেওয়ার খবরের পরপরই এটি স্বাক্ষরিত হলো। পূর্বের নীতি অনুযায়ী সৌদি আরবের কাছে পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরের পূর্বশর্ত হিসেবে ইসরায়েলকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি জোর দেওয়া হতো।
কিন্তু এবার ট্রাম্প প্রশাসন সেই শর্ত ছাড়াই চুক্তিটি সম্পাদন করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর পেছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রিয়াদ যাতে রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে এ ধরনের সামরিক ও প্রযুক্তিগত চুক্তিতে আবদ্ধ না হতে পারে, সে জন্য ওয়াশিংটন তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নিয়েছে।
তবে এই চুক্তিটি বাস্তবায়ন হতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে এবং এর জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। ইতিমধ্যে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মার্কিন সরকারের করা পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে এর পার্থক্য রয়েছে; যেখানে ইউএই নিজেদের মাটিতে কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করবে না বলে অঙ্গীকার করেছিল। বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও চুক্তি পর্যালোচনার সময় সিনেট ও হাউস রিপ্রেজেন্টেটিভসে এটি তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতির দায়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার এক ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে আদালত ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
একই সময়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. শরীফ উদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এই তথ্যটি দুদকের আইনজীবী শেখ কোব্বাত হোসেন জানিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ইসরাত জাহান (দিপা) উপজেলা রূপাপাত ইউনিয়নের কদমী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত মো. মিজানুর রহমান মোল্লার স্ত্রী।
মামলার বরাতে আইনজীবী জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারায় আসামির বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর মামলা করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায়ও অভিযোগ উঠেছিল।
আইনজীবী শেখ কোব্বাত হোসেন আরও বলেন, মামলার পর আসামি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। আদালত আসামিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডও দিয়েছেন। একইসঙ্গে আসামির এক কোটি ৬৯ লাখ চার হাজার ২৭১ টাকার মূল্যের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থপাচার আইনের ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি জানিয়ে আইনজীবী বলেন, আসামির আগের হাজতবাসের সময় প্রদত্ত সাজার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ