ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চুয়াডাঙ্গায় ২৭ মামলার আসামি পিয়াল আহম্মেদ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ছয় ধরনের অস্ত্র


চুয়াডাঙ্গায় ২৭ মামলার আসামি পিয়াল আহম্মেদ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ছয় ধরনের অস্ত্র

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৭টি মামলার আসামি পিয়াল আহম্মেদ ওরফে পিয়াল মাহামুদ সাদ্দামকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২০৩টি নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নিজস্ব গুদামে অভিযান চালিয়ে চাপাতি, কুড়াল, ছুরি, ছোরা ও রডসহ ছয় ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের দিকনির্দেশনায় আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা থানার ওসি নেতৃত্বে আভিযানিক দলটি মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়ির পেছনে ডোবা পুকুরের পাড় থেকে পিয়াল সাদ্দামকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে চ্যাম্পিয়ন দ্বীপ স্পোর্টিং রয়েলস, জমজমাট আয়োজনে শেষ হলো ফুটসাল টুর্নামেন্ট–২০২৬

পরে গ্রেপ্তার সাদ্দামকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর নিজস্ব গুদামে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি লোহার চাপাতি, একটি দেশীয় লোহার কুড়াল, দুটি লোহার ছুরি, দুটি বড় আকারের লোহার ছোরা ও একটি লম্বা লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, গ্রেপ্তার পিয়াল আহম্মেদ সাদ্দামের বিরুদ্ধে আদালতে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া আলমডাঙ্গা থানার একটি মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই সাজ পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন তিনি।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় অবৈধ মাদক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাজুড়ে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দায়েসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চরফ্যাশন রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ এম


এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

স্বাস্থ্য খাতে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের সময়ে স্বাস্থ্য খাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দকৃত বাজেটের প্রতিটি পয়সা জনগণের সেবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—যে ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না। তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল কলেজের ৩২তম ডিএনএমসি ডে-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।

স্বাস্থ্য খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের স্বাস্থ্য খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এমনকি এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানেও টানা ১২ বছর কোনো আয়কর দেওয়া হয়নি, সেই অর্থও লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সরকার ও নতুন গভর্নিং বডি এসে এখন সেই পুঞ্জীভূত দায় শোধ করছে।

দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো খাতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—যে ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না; তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিয়ে স্বাস্থ্য ড এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, চব্বিশের গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তনের পথ ধরেই সরকার স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করছে। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি পয়সা নতুন ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ এবং সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কাছে বিনামূল্যে ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতেই ব্যয় করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত, গঠন করা হলো তদন্ত কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ এম


কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত, গঠন করা হলো তদন্ত কমিটি

জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার পর কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে, গত বুধবারের ঘটনার তদন্তের জন্য একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পর্যালোচনা করতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠকে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াত কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার বিস্তারিত আলোচনা শেষে ছয় দফা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩নং ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন পরিচালিত হবে এবং এই দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।

গত ১৪ অক্টোবরের ঘটনার তদন্তের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। এই কমিটি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াত আমিরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে অভ্যন্তরীণ চাপা অস্থিরতার মধ্যে গত বুধবার দলীয় কার্যালয়ে একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বহিরাগত কয়েকজন এসে এই ঘটনা ঘটিয়ে চলে যায় বলে জানা যায়। এ সময় জামায়াতের মহানগর নেতার ফোন পেয়ে সেখানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত হন।

এ বিষয়ে গত বুধবার তাৎক্ষণিকভাবে এক বিবৃতিতে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, ‘গত বুধবার রাত ৭টায় কুমিল্লা মহানগরী জামায়াত কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত একটি সভা চলছিল। ইতোমধ্যে কিছু যুবক প্রোগ্রামে ঢুকে হইচই করে। এ সময় তারা চিৎকার করে চলে যাওয়ার সময় আমাদের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। তিনি আরো বলেন, আমরা ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। এর পেছনে কারা জড়িত বা কেন তারা এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাল এসবের বিস্তারিত জেনে আমরা পুনরায় অবহিত করব।

এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটা সাংগঠনিক বিষয়, সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

এদিকে কুমিল্লা জামায়াত কার্যালয়ের ওই ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কুমিল্লা মহানগর শাখার আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। গত বুধবার রাতে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার দোয়া ও আমল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার দোয়া ও আমল

ঘুম মহান আল্লাহর একটি বিশেষ নেয়ামত। সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য এর তুলনায় শ্রেষ্ঠ কিছু নেই। ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠা অনেকের জন্য কষ্টকর হতে পারে। তবে যারা নিয়মিত তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ আদায় করেন, তাদের জন্য এটি সহজ হয়ে যায়।

মহান আল্লাহ ইসলামকে আমাদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন। ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার জন্য যে দোয়া ও আমল রয়েছে, তা তিনি আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন।

ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার আমল

এক. রাতে দেরি না করে দ্রুত ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

দুই. ভোরে জেগে ওঠার দৃঢ় ইচ্ছা থাকা। যদি কেউ ভোর ৫টায় ঘুম থেকে ওঠার জন্য সময় নির্ধারণ করে, তবে সে অবশ্যই ৫টা বাজার এক মিনিট আগে জেগে উঠবে। (ইনশাআল্লাহ!) কারণ, বান্দার দৃঢ় ইচ্ছার কারণে সে ফজরের সময়ে জেগে উঠতে সক্ষম হবে। মহান আল্লাহ যখন বান্দার একনিষ্ঠতা দেখবেন, তখন কোনো অ্যালার্ম বা সংকেত ছাড়াই ওই বান্দা আল্লাহর ইচ্ছায় জেগে উঠবেন।

তিন. নামাজের গুরুত্ব উপলব্ধি করা এবং মহান আল্লাহর নির্দেশ মানার জন্য ব্যাকুল থাকা। তাহলে এমনিতেই ঘুম থেকে জেগে উঠবেন।

চার. ভোরবেলা ওঠার নিয়তে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোরআনের একটি আয়াত পড়া যেতে পারে। তাহলো-

لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَياةِ الدُّنْيَا وَفِي الآخِرَةِ لاَ تَبْدِيلَ لِكَلِمَاتِ اللّهِ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
উচ্চারণ : লাহুমুল বুশরা ফিল হায়াতিদদুনইয়া ওয়া ফিল আখিরাতে লা তাবদিলা লিকালিমাতিল্লাহি জালিকা হুয়াল ফাউযুল আজিম।

অর্থ : তাদের জন্য সুসংবাদ দুনিয়ার জীবনে ও পরকালীন জীবনে। আল্লাহর কথার কখনো হের-ফের হয় না। এটাই হল মহা সফলতা। (সুরা ইউনুস, আয়াত: ৬৪)

ঘুম থেকে ওঠে পড়ার দোয়া

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ভোরে উপনীত হয়ে (ঘুম থেকে উঠে) এই দোয়া পড়বে-

اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا وَبِكَ أَمْسَيْنَا وَبِكَ نَحْيَى وَبِكَ نَمُوتُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা ওয়া বিকা আমসাইনা ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামুতু।

অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার আদেশেই আমরা প্রভাতে উপনীত হই এবং তোমার আদেশেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার আদেশেই আমরা জীবন ধারণ করি এবং তোমার আদেশেই আমরা মৃত্যুবরণ করি। (ইবনে মাজাহ: ৩৮৬৮)

অপর একটি দোয়া নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে,

الحمدلله الذي أحيانا بعدما أماتنا و إليه النّشور
উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।

অর্থ : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের মৃত বানানোর পর জীবিত করেছেন। আর তার দিকেই পুনরুত্থান। (বুখারি: ৬৩২৪)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা বন্দিদের আলাদা করার পরিকল্পনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


রোহিঙ্গা বন্দিদের আলাদা করার পরিকল্পনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা

বাংলাদেশের কারা কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গা বন্দিদের আলাদা রাখার পরিকল্পনা করছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশি বন্দিদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হবে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কক্সবাজারের উখিয়া অথবা টেকনাফে রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষায়িত কারাগার স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান কারাগারে ৭০০-এর বেশি রোহিঙ্গা বন্দি রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা কারাগার, যা ৪০০ বন্দির ধারণক্ষমতা নিয়ে গঠিত, সেখানে বর্তমানে ২ হাজার ৯৮১ জন বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে ৫২৪ জন রোহিঙ্গা বন্দি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কারাগারের ধারণক্ষমতার তুলনায় রোহিঙ্গা বন্দির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

একই ধরনের পরিস্থিতি চট্টগ্রাম ও বান্দরবান কারাগারেও বিদ্যমান। চট্টগ্রাম কারাগারে অন্তত ২০ জন এবং বান্দরবান কারাগারে ৩০ জন রোহিঙ্গা বন্দি রয়েছেন। কারা কর্তৃপক্ষ তাদের সার্বিক নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে।

কারা অধিদফতরের ডিআইজি (প্রিজন্স-চট্টগ্রাম) মো. ছগির মিয়া বলেন, “রোহিঙ্গা বন্দিদের জন্য কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে আলাদা স্থাপনা তৈরি করে সেখানে রাখা হলে তারা বাংলাদেশি বন্দিদের সঙ্গে মিশতে পারবেন না। এতে তাদের মাধ্যমে অপরাধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও কমবে।”

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির আব্দুল মান্নান মন্তব্য করেন, কক্সবাজারের মোট জনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে নির্মিত কারাগারে বর্তমানে ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ বন্দি রয়েছেন। এর ফলে অপরাধের পরিমাণও দ্বিগুণ হয়েছে।

কারা অধিদফতরের ডিআইজি (প্রিজন্স) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, রোহিঙ্গা বন্দিদের মাধ্যমে বাংলাদেশি বন্দিরাও মাদক ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের উখিয়া কিংবা টেকনাফে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েও রোহিঙ্গা বন্দিদের জন্য আলাদা কারাগার স্থাপনের প্রস্তাবে দ্বিমত রয়েছে পুলিশের। চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নিজামুল হক বলেন, “কোনো নির্দিষ্ট জাতি, বর্ণ বা শ্রেণির মানুষকে আলাদা করে কারাগারে রাখার ব্যবস্থা করা হলে তা কিছুটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে।”

বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার ব্যবস্থাকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন আইনজীবীরাও। তাদের মতে, আলাদা কারাগার নির্মাণের পরিবর্তে বন্দিদের ওপর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, “রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার করা হলে তাদের ক্ষেত্রে আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা যাবে কি না, সে প্রশ্ন রয়েছে। তারা অপরাধী হলে দেশি-বিদেশি পরিচয় যা-ই হোক, অপরাধী হিসেবেই বিবেচিত হবেন। তাই অপরাধীদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরির প্রয়োজনীয়তা আমার বোধগম্য নয়।”

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদ বলেন, “ঠিকানাহীন কোনো ব্যক্তি অন্য কারও সঙ্গে মিশে তাকে নিজের পথে আসার জন্য প্ররোচিত করতে পারেন। তাই দেশের অখণ্ডতা রক্ষার স্বার্থে তাদের আলাদা রাখা উচিত।”

চট্টগ্রাম বিভাগে একটি কেন্দ্রীয় ও ১০টি জেলা কারাগার রয়েছে। এসব কারাগারে বর্তমানে ২০ হাজারের বেশি বন্দি রয়েছেন। অথচ কারাগারগুলোর মোট বন্দি ধারণক্ষমতা মাত্র ৭ হাজার ৭০০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%