ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের


সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

সীমান্ত হত্যা বা বর্ডার কিলিং নিয়ে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দেওয়া বক্তব্যের প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেন, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার হত্যার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য খুবই আপত্তিকর এবং অপমানজনক। এরকম মন্তব্য সরকারিভাবে দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তির কাছে শোনা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য এক লজ্জার বিষয়।

শনিবার (৬ জুন) রাতে গণমাধ্যমের মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, গত তিন দিন অতিবাহিত হলেও সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্য প্রত্যাহার কিংবা ব্যাখ্যা করেননি। তাছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকেও এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কোন নিন্দা বা আপত্তি জানানো হয়নি। এই কারণে, আমরা ধরে নিতে বাধ্য হচ্ছি যে, সীমান্ত হত্যার বিষয়ক সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্যই সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

তিনি আরো বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সীমান্ত হত্যা’ শব্দটির সংজ্ঞাকে সংকুচিত করে সংকটটিকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে, এই শব্দটি শুধু শূন্যরেখা (জিরো লাইন) এ সংঘটিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তার দাবি অনুযায়ী, সীমান্ত সংক্রান্ত অপরাধ বা অবৈধ অনুপ্রবেশে জড়িত ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ এখতিয়ারের আওতাভুক্ত। এই যুক্তির ভিত্তিতে তিনি বলেন, এসব মৃত্যুকে সীমান্ত হত্যা হিসেবে উল্লেখ করা সঙ্গত নয়।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, কিন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার নীতিমালা এবং জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক আইন বেসামরিক নিরস্ত্র মানুষের ওপর বেআইনি গুলি, নির্যাতন বা নিষ্ঠুর আচরণকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। জেনেভা কনভেনশন এবং এর অতিরিক্ত প্রোটোকলসমূহ যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতের সময়েও বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা নিষিদ্ধ করেছে। তদুপরি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য প্রণীত জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক মাত্রার বলপ্রয়োগ করতে পারে। অতিরিক্ত বা নির্বিচার প্রাণঘাতী শক্তির ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এর আগে ২০২০ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনও সীমান্ত হত্যার বিষয় নিয়ে অনুরূপ মন্তব্য করে সমালোচনার সৃষ্টি করেছিলেন। ভারতের প্রতি মোমেনের নতজানু অবস্থান সর্বজনবিদিত। সেই আনুগত্যের ফলস্বরূপ ওই সরকার ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, পরবর্তী বিপ্লবী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন আপসকামী বক্তব্য গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতের কাছে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


কুয়েতের কাছে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রশাসন কুয়েতকে বিপুল পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে ড্রোন হামলা ও আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত শুক্রবার (৫ জুন) জানিয়েছে, এই বিক্রির মোট মূল্য প্রায় ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

চুক্তিতে কুয়েত আধুনিক কাউন্টার-আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমস বা ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তি পাবে, যার অন্তর্ভুক্ত থাকবে রোডরানার-মিউনিশন ও অ্যানভিল-কাইনেটিক সিস্টেম।

এছাড়া বিক্রির আওতায় লঞ্চ বক্স, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম, দীর্ঘ-পাল্লার সেন্ট্রি টাওয়ার, সামুদ্রিক সেন্ট্রি টাওয়ার, পালসার ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়্যারফেয়ার সিস্টেম এবং ট্যাকটিক্যাল অপারেশন সেন্টারসহ একাধিক সরঞ্জাম উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, এ বিক্রির মাধ্যমে কুয়েতের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ড্রোন হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া, এই কর্মসূচিটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে বলেও জানানো হয়েছে। কুয়েতকে মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছে ওয়াশিংটন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাংস বেশি খেয়ে ওজন বেড়েছে? ভুঁড়ি কমাতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০০ এম


মাংস বেশি খেয়ে ওজন বেড়েছে? ভুঁড়ি কমাতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

 

কোরবানির ঈদ মানেই পরিবারের সঙ্গে মজাদার সব খাবারের আয়োজন। গরু-খাসির মাংসের বাহারি সব পদে ভরপুর খাবারের টেবিল। তবে উৎসবের আমেজে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন। কয়েক দিন পরই দেখা যায় পেটের চারপাশে মেদ জমতে শুরু করেছে এবং ওজনও কিছুটা বেড়ে গেছে।

তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে পেটের চর্বি বা ভুঁড়ি বেড়ে গেলে তা দ্রুত কমাতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করা জরুরি। জীবনযাপনে কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে এবং নিয়ম মেনে চললে ধীরে ধীরে কমানো সম্ভব অতিরিক্ত মেদ। আর অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে শরীরের হজম প্রক্রিয়ার ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। ঈদের পর বা যে কোনো উৎসব-অনুষ্ঠানে বেশি পরিমাণে চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া হলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমা হয়। এই বাড়তি মেদ বা ভুঁড়ি সহজেই ঝরিয়ে ফেলুন।

ঈদের শুরু থেকে যদি প্রতিদিন অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকে, তবে পেটের মেদ কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। তাই খাদ্যতালিকায় মাংসের পরিমাণ কমিয়ে শাকসবজি, ডাল ও সালাদের পরিমাণ বাড়ানো উচিত। এতে কম ক্যালোরি গ্রহণ হবে। এর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি থাকবে।

এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান আপনার শরীরকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ পানি হজমে সহায়তা করে, বিপাকক্রিয়া সচল রাখে এবং অযথা ক্ষুধা লাগার প্রবণতাও কমায়। প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে, যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।

আর খাদ্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও প্রয়োজন। প্ল্যাঙ্ক, ক্রাঞ্চ বা কার্ল-আপ, সাইক্লিং কিংবা হালকা কার্ডিও ব্যায়াম পেটের চর্বি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে শুধু পেটের নয়, পুরো শরীরের ব্যায়ামের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

এ ছাড়া ওজন ও পেটের মেদ কমানোর সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর উপায়গুলোর একটি হলো হাঁটা। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট দ্রুতগতিতে হাঁটলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি খরচ হয় এবং ধীরে ধীরে জমে থাকা চর্বি কমতে শুরু করে।

অনেকেই ভারি খাবারের সঙ্গে কোমল পানীয় বা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু এসব খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি থাকে, যা দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই সফট ড্রিংকস, মিষ্টি এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

আর রাতে ভারি খাবার খেলে তা সহজে হজম হতে চায় না এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমতে শুরু করে। তাই রাতের খাবারে মাংসের পরিমাণ কমিয়ে সবজি, সালাদ কিংবা হালকা খাবার রাখার চেষ্টা করুন। আর আঁশ ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। ডিম, মাছ, ডাল, ফলমূল, শাকসবজি ও ওটসে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও আঁশ। এসব খাবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন হাঁটলে শরীর ও স্বাস্থ্যে মিলবে যেসব উপকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ এম


প্রতিদিন হাঁটলে শরীর ও স্বাস্থ্যে মিলবে যেসব উপকার

প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস আপনার শরীরে জাদুকরী পরিবর্তন আনতে সক্ষম। হাঁটা যেমন আপনার হার্ট ও ফুসফুসকে সুস্থ রাখে, ঠিক তেমনি এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং গভীর ঘুমে সাহায্য করতে পারে।

নিয়মিত হাঁটার ফলে রক্ত চলাচল বাড়ে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমে যায়। এর ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ একাধিক সংস্থার গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সুস্থ থাকতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাঁটার প্রয়োজন। বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস এবং ওবেসিটি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এই ছোট্ট চেষ্টা অন্তত অনেক উপকারে আসবে।

হাঁটাহাঁটি রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ওষুধের মতো কাজ করে। বর্তমানে কম বয়সিরাও হার্টের সমস্যায় ভুগছে। কৈশোরে শরীরে ফ্যাটি লিভারের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এসব রোগের পেছনে দায়ী হচ্ছে লাইফস্টাইল।

চিকিৎসকদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত ও অলস জীবনযাপন এ ধরনের ক্রনিক লাইফস্টাইল ডিজিজের জন্য প্রায়ই দায়ী। তবে এই সব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে হাঁটা। কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. জেরেমি লন্ডন সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে হাঁটার উপকারিতা নিয়ে কিছু তথ্য শেয়ার করেছেন।

তিনি লিখেছেন, আপনি যত বেশি হাঁটবেন, তত বেশি সুফল পাবেন। তবে কম হাঁটলেও ক্ষতি নেই। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট হাঁটলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ১৫ শতাংশ কমতে পারে। এছাড়াও পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম আহার এবং কায়িক পরিশ্রমও একইভাবে গুরুত্বপূর্ন।

হাঁটার ফলে গোটা দেহে রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে এবং শরীরের প্রতিটি অঙ্গে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায়। এই অভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়ক, একইসাথে রক্তে শর্করার মাত্রার স্বাভাবিক রাখতেও এটি সাহায্য করে। এছাড়াও, হাঁটার অভ্যাস ওজন কমাতে সহায়তা করে, ফলে বিপাকীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে হাঁটার অভ্যাস অপরিহার্য। হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে নিউরোট্রান্সমিটারগুলো ঠিকমতো নিঃসৃত হয়। এর ফলে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। এক কথায়, হাঁটা মস্তিষ্কের জন্য শরীরচর্চার ভূমিকা পালন করে। এটি স্মৃতিশক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, ফলে বিষণ্নতা ও অবসাদ এড়ানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমে মুখে লালচে র‌্যাশ? ঘরোয়া উপায়ে মিলতে পারে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


গরমে মুখে লালচে র‌্যাশ? ঘরোয়া উপায়ে মিলতে পারে স্বস্তি

গরমের সময় ত্বকে অনেকেরই সমস্যা দেখা দেয়। মাথায় রাখতে হয় যে গরমে ঘাম জমে ত্বকে চুলকানি, র্যাশ কিংবা ঘামাচির মতো সমস্যা তৈরি হয়। এছাড়া ‘নিকেল অ্যালার্জি’ সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই অ্যালার্জি আংটি, চুড়ি, ঘড়ি বা অন্যান্য ধাতব বস্তু থেকে হতে পারে। এর দ্বারা ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি বাড়ে এবং অনেকের ত্বকে বড় বড় ফোসকাও পড়ে। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময় হিট র‌্যাশ ও কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু ঘরোয়া উপায় গ্রহণ করা যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত—

চন্দন ও গোলাপজলের প্যাক বানান। চন্দন প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ১ টেবিল চামচ খাঁটি চন্দনগুঁড়ো নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী গোলাপজল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। এটি মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

শসা ও টকদইয়ের প্যাকও একটি ভালো বিকল্প। শসা ত্বককে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং টকদইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের চুলকানি ও সংক্রমণ দূর করতে সক্ষম। অর্ধেক শসার রসের সাথে ১ টেবিল চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখ ও হাতে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

কফি-মধুর প্যাকও কার্যকর হতে পারে। একটি পাত্রে দুই চামচ চিনি, কফি এবং মধু একসাথে মিশিয়ে নিন। এরপর ত্বকে ভালো করে মালিশ করে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। পরে তা ধুয়ে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এই পদ্ধতি রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

এছাড়া, তরমুজের প্যাকও খুব উপকারী। ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখতে তরমুজ দারুণ কাজ করে। এক কাপের মতো তরমুজ কুচি নিয়ে ব্লেন্ড করুন এবং ত্বকে লাগিয়ে রাখলে চুলকানি কমবে এবং র্যাশের সমস্যা দূর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%