বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৫ এম
বৃষ্টির কারণে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় এ কারণে বেকায়দায় পড়লো আয়ারল্যান্ড। ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করার জন্য দলটিকে বাছাইপর্ব খেলতে হবে। আইসিসি পুরুষ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ১২তম স্থানে থাকা আইরিশদের জন্য সরাসরি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের পথটি বেশ কঠিন বলা চলে।
র্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশকে টপকাতে হলে তাদের আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের প্রয়োজন ছিল। এছাড়া ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়সীমার আগে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হারাতে হবে।
কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায়, তাদের সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের আশা শেষ হয়ে গেল। এর ফলে ইউরোপীয় দলটিকে এখন ১০ দলের বাছাইপর্বে খেলতে হবে। উল্লেখ্য, এই বাছাইপর্বের বিজয়ী দল সরাসরি বিশ্বকাপ ২০২৭-এর মূল পর্বে জায়গা করে নেবে।
অন্যদিকে, বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দলগুলো বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্ব বা ‘সুপার সিরিজ’-এ অংশ নেবে। সেখান থেকে সেরা দলটি ১২ দলের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। এই ১০ দলের বাছাইপর্বে অংশ নেবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের ওয়ানডে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী যৌথ আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া সর্বনিম্ন র্যাঙ্কিংধারী দুটি ‘পূর্ণ সদস্য' দেশ। ‘সিডব্লিউসি লিগ ২’ ও ‘বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ’ থেকে উঠে আসা সেরা চারটি করে দলও এ বাছাইপর্বে অংশগ্রহণ করবে।
প্লে-অফ পর্বে ‘সিডব্লিউসি লিগ ২’-এর তলানির চারটি দল এবং ‘চ্যালেঞ্জ লিগ’ থেকে সমসংখ্যক দল অংশ নেবে। প্লে-অফের ফরম্যাট বা কাঠামো এখনো চূড়ান্ত না হলেও, ধারণা করা হচ্ছে এটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আগেই অনুষ্ঠিত হবে।
তবে ‘চ্যালেঞ্জ লিগ’-এ ১২টি দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে; প্রতিটি গ্রুপে ছয়টি করে দল থাকবে। এই চক্রে প্রতিটি দল তিনটি করে ‘রাউন্ড-রবিন’ টুর্নামেন্ট খেলবে। এরপর প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুটি দল ‘বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ’-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
আয়ারল্যান্ড ২০২৩ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল। কারণ, গত আসরের বাছাইপর্বের ‘সুপার সিক্স’ পর্যায় থেকেই তারা ছিটকে পড়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুক্তি নবায়নের বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আলোচনা চলছে। স্প্যানিশ ক্লাবটি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার ভিনিসিয়াসকে বার্নাব্যুতে ধরে রাখার লক্ষ্যে উন্নত শর্তাবলীসহ একটি নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারের বর্তমান চুক্তির সময়সীমা শেষ হতে এখন মাত্র ১২ মাস বাকি রয়েছে। এ সময়ে আর্সেনাল তার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
রিয়ালের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রথম দিকে স্থবির হয়ে পড়েছিল, তবে স্প্যানিশ ক্লাবটি এখন ভিনিসিয়াসকে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে। জানা গেছে, ভিনিসিয়াস এই নতুন শর্তাবলীকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
রিয়াল বর্তমানে ভিনিসিয়াসের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। ক্লাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, যার মধ্যে ফিরে আসা প্রধান কোচ হোসে মরিনহোও রয়েছেন, আশাবাদী যে তিনি চুক্তি নবায়ন করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াল কয়েক দিনের পরিবর্তে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার কাছ থেকে সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।
যদি ভিনিসিয়াস এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন, তবে আর্সেনাল এই ব্রাজিলিয়ানের প্রতি তাদের আগ্রহের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে প্রস্তুত। ভিনিসিয়াস তিন বছর আগে রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন যা ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গত ১৮ মাস ধরে ক্লাব এবং ভিনিসিয়াসের প্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
বিশ্বকাপ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সোমবার তিনি ক্লাবে ফিরে এসেছেন এবং প্রাক-মৌসুম অনুশীলন সেশন ও মেডিকেল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। রিয়ালের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭৫টি ম্যাচ খেলা এবং ১২৮টি গোল করা ভিনিসিয়াস আর্থিকভাবে ‘লস ব্লাঙ্কোস’-এর শীর্ষ তারকা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চাচ্ছেন।
তবে সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের অধীনে রিয়াল তাদের বেতন কাঠামো বজায় রাখার ক্ষেত্রে সবসময় কঠোর প্রতিবন্ধকতা পালন করে। ভিনিসিয়াস প্রকাশ্যে রিয়ালকে ‘আমার স্বপ্নের ক্লাব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তিনি সেখানে ‘বহু বছর’ থাকতে চান।
যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে আর্সেনাল এই ব্রাজিলিয়ানকে তাদের বাম-প্রান্তের আক্রমণের জন্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন আগস্ট মাস ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্ভাব্য অভিযান ও গণ-গ্রেফতারের আতঙ্কে চরম দিন কাটাচ্ছেন বরিশালের আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। আগামী ৫ই আগস্ট থেকে ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতার এড়াতে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন তারা। এই সময়ের মধ্যে যেকোনো ধরনের পুলিশি ঝামেলা বা আটক অভিযান এড়াতে নগরীর পরিচিত মুখগুলো এখন আত্মগোপনে। বরিশাল নগরী ছেড়ে তারা ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে, যার বড় একটি অংশের বর্তমান গন্তব্য হয়ে উঠেছে পটুয়াখালীর সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা।
তালাশ বিডির টানা কয়েকদিনের বিশেষ অনুসন্ধানে নগরীর রাজনৈতিক অঙ্গনের এই আড়ালের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বরিশাল নগরীর এক আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি যায় তালাশ বিডির প্রতিনিধি দল। তবে সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নগরীতে না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, আগস্ট মাস এলেই পুলিশি হয়রানি ও গ্রেফতারের আশঙ্কা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, তাই তিনি কোনো ঝুঁকি না নিয়ে আগেই নগরীর বাইরে চলে গেছেন। অতীত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ওই ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনেও কোনো কর্মসূচিতে যাইনি, তাও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ডিবি পুলিশ এসে আমাকে আটক করে নিয়ে যায়। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কোনো সুযোগ দিতে চাই না। ১৫ই আগস্ট পার হলে পরিস্থিতি বুঝে আবার নিজের ব্যবসায় ফিরে আসব।"
অনুরূপ চিত্র দেখা গেছে বরিশাল নগরীর একটি প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তথা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার ক্ষেত্রেও। তালাশ বিডির টিম যখন তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে, শুরুতে তিনি দাবি করেন যে তিনি বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তবে তালাশ বিডির বিশেষ প্রতিনিধি দল তাকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখার তথ্যপ্রমাণ সামনে আনতেই তার সুর বদলে যায়। কিছুটা নিচু গলায় ও ইতস্তত বোধ করে তিনি বলেন, "ভাই, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি আপনারা ভালোই বোঝেন। এই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে কোথায় আছি তা কাউকেই সঠিকভাবে বলছি না। দয়া করে বিষয়টিকে অন্যভাবে নেবেন না, পরিস্থিতির কারণেই এই লুকোচুরি।"
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কেবল এই দুজনই নন—আগস্টের শুরু থেকেই ৫ই আগস্ট থেকে ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত সময়টাকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' ধরে নিয়ে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং মূল দলের মাঝারি থেকে তৃণমূল পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কুয়াকাটার বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলেছেন। সেখানে সাধারণ পর্যটকের ছদ্মবেশে দিন কাটাচ্ছেন অনেকেই।
তবে মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রেফতারের তীব্র আতঙ্ক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তালাশ বিডির গভীর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আগস্ট মাস কেন্দ্র করে বরিশাল বা তৎসংলগ্ন এলাকায় গণ-গ্রেফতার বা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আটক করতে ওপর মহল থেকে কোনো বিশেষ অভিযানের নির্দেশনা কিংবা সবুজ সংকেত আসেনি।
এ বিষয়ে তালাশ বিডির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, "বর্তমানে আগস্ট মাস ঘিরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ঢালাওভাবে আটক বা গ্রেফতার করার ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের নির্দেশনা আমাদের কাছে নেই। তাছাড়া বরিশালে এই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার বা বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আগাম কোনো তথ্যও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে নেই।"
তবে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে আরো যোগ করেন, "আগস্ট মাসকে ঘিরে যদি কেউ মাঠপর্যায়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালায়, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী উসকানিমূলক মিছিল, গোপন সভা বা রাজপথে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে ছাড় দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করা হবে।"
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভয় ও স্পষ্ট বক্তব্য সত্ত্বেও, কেবল অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং মনস্তাত্ত্বিক গ্রেফতার আতঙ্কেই বরিশাল ছেড়ে কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত এই লুকোচুরির চিত্র বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে। এ উপলক্ষে, বুধবার, সদর দপ্তরসহ বাহিনীর সব রেঞ্জ, জেলা, ব্যাটালিয়ন এবং উপজেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এই তথ্য বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে, মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের মাধ্যমে চলমান বৈপ্লবিক রূপান্তরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। তিনি জানান, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবাই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের প্রধান কর্তব্য।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাহিনীর প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে যে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে, সেটিকে ধরে রেখে আনসার-ভিডিপিকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বাহিনীর কার্যালয়গুলোতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনা হয়। এছাড়া, শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া।
সদর দপ্তরের অনুষ্ঠানে নতুন বাংলাদেশের রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত আটটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ