বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৬ এম
চুক্তি নবায়নের বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আলোচনা চলছে। স্প্যানিশ ক্লাবটি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার ভিনিসিয়াসকে বার্নাব্যুতে ধরে রাখার লক্ষ্যে উন্নত শর্তাবলীসহ একটি নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারের বর্তমান চুক্তির সময়সীমা শেষ হতে এখন মাত্র ১২ মাস বাকি রয়েছে। এ সময়ে আর্সেনাল তার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
রিয়ালের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রথম দিকে স্থবির হয়ে পড়েছিল, তবে স্প্যানিশ ক্লাবটি এখন ভিনিসিয়াসকে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে। জানা গেছে, ভিনিসিয়াস এই নতুন শর্তাবলীকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
রিয়াল বর্তমানে ভিনিসিয়াসের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। ক্লাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, যার মধ্যে ফিরে আসা প্রধান কোচ হোসে মরিনহোও রয়েছেন, আশাবাদী যে তিনি চুক্তি নবায়ন করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াল কয়েক দিনের পরিবর্তে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার কাছ থেকে সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।
যদি ভিনিসিয়াস এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন, তবে আর্সেনাল এই ব্রাজিলিয়ানের প্রতি তাদের আগ্রহের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে প্রস্তুত। ভিনিসিয়াস তিন বছর আগে রিয়ালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন যা ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গত ১৮ মাস ধরে ক্লাব এবং ভিনিসিয়াসের প্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
বিশ্বকাপ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সোমবার তিনি ক্লাবে ফিরে এসেছেন এবং প্রাক-মৌসুম অনুশীলন সেশন ও মেডিকেল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। রিয়ালের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭৫টি ম্যাচ খেলা এবং ১২৮টি গোল করা ভিনিসিয়াস আর্থিকভাবে ‘লস ব্লাঙ্কোস’-এর শীর্ষ তারকা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চাচ্ছেন।
তবে সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের অধীনে রিয়াল তাদের বেতন কাঠামো বজায় রাখার ক্ষেত্রে সবসময় কঠোর প্রতিবন্ধকতা পালন করে। ভিনিসিয়াস প্রকাশ্যে রিয়ালকে ‘আমার স্বপ্নের ক্লাব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তিনি সেখানে ‘বহু বছর’ থাকতে চান।
যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে আর্সেনাল এই ব্রাজিলিয়ানকে তাদের বাম-প্রান্তের আক্রমণের জন্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন আগস্ট মাস ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্ভাব্য অভিযান ও গণ-গ্রেফতারের আতঙ্কে চরম দিন কাটাচ্ছেন বরিশালের আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। আগামী ৫ই আগস্ট থেকে ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতার এড়াতে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন তারা। এই সময়ের মধ্যে যেকোনো ধরনের পুলিশি ঝামেলা বা আটক অভিযান এড়াতে নগরীর পরিচিত মুখগুলো এখন আত্মগোপনে। বরিশাল নগরী ছেড়ে তারা ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে, যার বড় একটি অংশের বর্তমান গন্তব্য হয়ে উঠেছে পটুয়াখালীর সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা।
তালাশ বিডির টানা কয়েকদিনের বিশেষ অনুসন্ধানে নগরীর রাজনৈতিক অঙ্গনের এই আড়ালের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বরিশাল নগরীর এক আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি যায় তালাশ বিডির প্রতিনিধি দল। তবে সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নগরীতে না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, আগস্ট মাস এলেই পুলিশি হয়রানি ও গ্রেফতারের আশঙ্কা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, তাই তিনি কোনো ঝুঁকি না নিয়ে আগেই নগরীর বাইরে চলে গেছেন। অতীত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ওই ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনেও কোনো কর্মসূচিতে যাইনি, তাও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ডিবি পুলিশ এসে আমাকে আটক করে নিয়ে যায়। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কোনো সুযোগ দিতে চাই না। ১৫ই আগস্ট পার হলে পরিস্থিতি বুঝে আবার নিজের ব্যবসায় ফিরে আসব।"
অনুরূপ চিত্র দেখা গেছে বরিশাল নগরীর একটি প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তথা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার ক্ষেত্রেও। তালাশ বিডির টিম যখন তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে, শুরুতে তিনি দাবি করেন যে তিনি বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তবে তালাশ বিডির বিশেষ প্রতিনিধি দল তাকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখার তথ্যপ্রমাণ সামনে আনতেই তার সুর বদলে যায়। কিছুটা নিচু গলায় ও ইতস্তত বোধ করে তিনি বলেন, "ভাই, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি আপনারা ভালোই বোঝেন। এই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে কোথায় আছি তা কাউকেই সঠিকভাবে বলছি না। দয়া করে বিষয়টিকে অন্যভাবে নেবেন না, পরিস্থিতির কারণেই এই লুকোচুরি।"
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কেবল এই দুজনই নন—আগস্টের শুরু থেকেই ৫ই আগস্ট থেকে ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত সময়টাকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' ধরে নিয়ে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং মূল দলের মাঝারি থেকে তৃণমূল পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কুয়াকাটার বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলেছেন। সেখানে সাধারণ পর্যটকের ছদ্মবেশে দিন কাটাচ্ছেন অনেকেই।
তবে মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রেফতারের তীব্র আতঙ্ক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তালাশ বিডির গভীর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আগস্ট মাস কেন্দ্র করে বরিশাল বা তৎসংলগ্ন এলাকায় গণ-গ্রেফতার বা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আটক করতে ওপর মহল থেকে কোনো বিশেষ অভিযানের নির্দেশনা কিংবা সবুজ সংকেত আসেনি।
এ বিষয়ে তালাশ বিডির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, "বর্তমানে আগস্ট মাস ঘিরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ঢালাওভাবে আটক বা গ্রেফতার করার ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের নির্দেশনা আমাদের কাছে নেই। তাছাড়া বরিশালে এই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার বা বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আগাম কোনো তথ্যও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে নেই।"
তবে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে আরো যোগ করেন, "আগস্ট মাসকে ঘিরে যদি কেউ মাঠপর্যায়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালায়, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী উসকানিমূলক মিছিল, গোপন সভা বা রাজপথে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে ছাড় দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করা হবে।"
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভয় ও স্পষ্ট বক্তব্য সত্ত্বেও, কেবল অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং মনস্তাত্ত্বিক গ্রেফতার আতঙ্কেই বরিশাল ছেড়ে কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত এই লুকোচুরির চিত্র বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে। এ উপলক্ষে, বুধবার, সদর দপ্তরসহ বাহিনীর সব রেঞ্জ, জেলা, ব্যাটালিয়ন এবং উপজেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এই তথ্য বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে, মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের মাধ্যমে চলমান বৈপ্লবিক রূপান্তরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। তিনি জানান, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবাই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের প্রধান কর্তব্য।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাহিনীর প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে যে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে, সেটিকে ধরে রেখে আনসার-ভিডিপিকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বাহিনীর কার্যালয়গুলোতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনা হয়। এছাড়া, শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া।
সদর দপ্তরের অনুষ্ঠানে নতুন বাংলাদেশের রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত আটটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে ঘটেছে এক রহস্যজনক বিস্ফোরণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক বিরোধ, পূর্ব শত্রুতা, নাশকতা অথবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছে কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত করেছে যে, বিস্ফোরণের স্থল এখন ঝুঁকিমুক্ত। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জামাল হাওলাদার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার দুপরের দিকে বরিশালের পুলিশ সুপার এ. জেড. এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন। তাদের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ঘটনাস্থল এখন নিরাপদ।
পুলিশ সুপার জানান, বিস্ফোরকটি ছিল একটি হাতে তৈরি বোমা, যা পটকার বারুদ ও পেট্রোলের সংমিশ্রণে তৈরি। তিনি জানান, যদি বোমাটিতে স্প্লিন্টার ব্যবহার করা হতো, তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। তদন্তকারীদের ধারণা, যিনি বা যারা বোমাটি তৈরি করেছে, তাদের এই বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হনুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত সোমবার সন্ধ্যায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়। আহতদের চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, সোমবার (৩ আগস্ট) ভোর ছয়টার দিকে ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি, এবং নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে তাদের অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং পরে ঢাকা থেকে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল এসে আলামত সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ