বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৫৪ এম
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে। এ উপলক্ষে, বুধবার, সদর দপ্তরসহ বাহিনীর সব রেঞ্জ, জেলা, ব্যাটালিয়ন এবং উপজেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এই তথ্য বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে, মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের মাধ্যমে চলমান বৈপ্লবিক রূপান্তরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। তিনি জানান, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবাই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের প্রধান কর্তব্য।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাহিনীর প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে যে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে, সেটিকে ধরে রেখে আনসার-ভিডিপিকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে, সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বাহিনীর কার্যালয়গুলোতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনা হয়। এছাড়া, শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া।
সদর দপ্তরের অনুষ্ঠানে নতুন বাংলাদেশের রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত আটটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে ঘটেছে এক রহস্যজনক বিস্ফোরণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক বিরোধ, পূর্ব শত্রুতা, নাশকতা অথবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছে কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত করেছে যে, বিস্ফোরণের স্থল এখন ঝুঁকিমুক্ত। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জামাল হাওলাদার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার দুপরের দিকে বরিশালের পুলিশ সুপার এ. জেড. এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন। তাদের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ঘটনাস্থল এখন নিরাপদ।
পুলিশ সুপার জানান, বিস্ফোরকটি ছিল একটি হাতে তৈরি বোমা, যা পটকার বারুদ ও পেট্রোলের সংমিশ্রণে তৈরি। তিনি জানান, যদি বোমাটিতে স্প্লিন্টার ব্যবহার করা হতো, তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। তদন্তকারীদের ধারণা, যিনি বা যারা বোমাটি তৈরি করেছে, তাদের এই বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হনুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত সোমবার সন্ধ্যায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়। আহতদের চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, সোমবার (৩ আগস্ট) ভোর ছয়টার দিকে ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি, এবং নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে তাদের অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং পরে ঢাকা থেকে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল এসে আলামত সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মান্দারী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় হামলার ফলে একজন প্রবাসীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে ওই এলাকায় একদল যুবক মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। এ সময় তাদের দৌড়াদৌড়ি দেখে শাহজাহান পাটোয়ারী নামে একজন প্রবাসী তাদের ডাক দেন। এ ডাক শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানরত যুবকরা তাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে।
গুরুতর অবস্থায় আক্রান্ত শাহজাহানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার বিষয়ে অঞ্চলের সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ বলেন, ‘আমি এলাকায় ছিলাম না, একটি কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে আমি শুনেছি।’
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত/ওসি) ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের সময় একজন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘জুলাইয়ের চিঠি’ ও ‘ছাদ আকাশের গল্প’ শীর্ষক দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতসহ আন্দোলনের সব অংশগ্রহণকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি যুগান্তকারী অধ্যায়। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্রকামী মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণই ছিল এই গণঅভ্যুত্থান। সেইসাথে, তিনি অর্জিত জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান, সহসভাপতি তালহা মাহমুদ; মালয়েশিয়া যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন; মালয়েশিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম রহমান তনু; সিবিএল মানি ট্রান্সফারের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান ফরাজী; সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রতন; মালয়েশিয়া জাসাসের আহ্বায়ক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুম; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কো-অর্ডিনেটর মো. ইউসুফ আলী; গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ফয়সাল শেখ; এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব আলম মো. রওশন এবং শিক্ষার্থী জার্জিস আলম ও আদিবা আহমেদ।
বক্তাগণ বক্তব্যে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, গৃহবধূ, নারী-শিশু, সাংস্কৃতিক কর্মী ও ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে সর্বজনীন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তারা শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। বক্তাদের মতে, শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তারা দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে ছয় জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এর এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের পক্ষে পেশাদার সাংবাদিক মো. একরামুল এই অভিযোগটি দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের তথ্যমতে, কাশিপুর ইউনিয়নের গণপাড়া (৭ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় জমির দালাল হিসেবে পরিচিত আনিছুর রহমান সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের ছবি ও নাম ব্যবহার করে অসত্য এবং মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এই সংবাদে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের পেশাগত, সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিকরা কখনোই নীতিমালা পরিপন্থী কিংবা কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। মূল ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন কাশিপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক কাজী রিপন। জানা গেছে, সম্প্রতি ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। সাংবাদিকরা সেই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা নিজেই বিষয়টি নিয়ে সহকারী শিক্ষক কাজী রিপনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। কাজী রিপন সাংবাদিকদের দুই দিন পর বিদ্যালয়ে ডেকে আনেন এবং পরবর্তীতে ওই শিক্ষিকার স্বামীকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালান বলে অভিযোগ ওঠে।
সাংবাদিকদের দাবি, একটি সত্য সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রমাণহীন ও মনগড়া এই অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটিতে কে বা কারা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে এ ধরনের অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অভিযোগ দায়েরকারী সাংবাদিক মো. একরামুল বলেন, "আমাদের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ অপপ্রচার চালাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থায় দেওয়া এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার না করা হলে আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।"
বরিশালের স্থানীয় সাংবাদিক নেতারাও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন জানান, "আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ