ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধারাবাহিক নীতি-সহায়তায় বিদেশি বিনিয়োগ টানতে চায় সরকার


ধারাবাহিক নীতি-সহায়তায় বিদেশি বিনিয়োগ টানতে চায় সরকার

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার এবার দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এমন বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির একটি বার্তা প্রদান করছে।

এছাড়া ব্যবসা শুরু করার নিয়ম সহজ করা, করনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়া, নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ (ডিরেগুলেশন) এবং বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিনিয়োগ ভবনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিনিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত’ শীর্ষক এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য উপস্থাপন করেছেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

আরও পড়ুন: ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধিতে সীমিত পরিসরের বাজেটের পথে যুক্তরাজ্য

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার ঘানি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিব।

আশিক চৌধুরী উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ প্রবাহ এখনও বিভিন্ন অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলেও, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বারবার জানতে চান, সরকারের নীতিতে পরিবর্তন আসবে কি না এবং দীর্ঘমেয়াদে একই নীতি বজায় থাকবে কি না। এ কারণেই এবারের বাজেটের মাধ্যমে সরকার স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে, বাংলাদেশ ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করবে।

তিনি বলেন, বাজেট ঘোষণার পরপরই শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসবে—এমন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে যদি একই বার্তা ধারাবাহিকভাবে পৌঁছানো যায় এবং সরকার তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, তাহলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে বেড়ে যাবে।

বিডার চেয়ারম্যান জানান, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পাঁচ বছরের করনীতি আগাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা তিনি নীতিগত ধারাবাহিকতার বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। ব্যক্তিগত আয়করের কাঠামো থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিল্পখাতের কর-সুবিধা পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করা আরও সহজ হবে।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। এর জন্য প্রযুক্তিনির্ভর এবং পূর্বানুমানযোগ্য করব্যবস্থা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, স্থানীয় মূল্যশৃঙ্খল গড়ে তোলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উদ্ভাবনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

ব্যবসা সহজ করার উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও আনা হয়েছে। এখন একক সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসা শুরু করা যাবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেবা না দেয়, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদন কার্যকর হবে। বন্ড লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর থেকে তিন বছর করা হয়েছে এবং মূল কারখানার ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত উৎপাদন ইউনিটও বন্ড-সুবিধার আওতায় আসবে।

রপ্তানি বহুমুখীকরণে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, হস্তশিল্প, মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণসহ ১০টি নতুন রপ্তানিমুখী শিল্পকে বন্ড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শুল্কমুক্ত আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের শর্তও তুলে দেওয়া হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় উৎপাদনকারীদের সক্ষমতা বাড়াবে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য মূলধন ও মুনাফা দেশে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এখন লভ্যাংশ ৩০ দিনের মধ্যে দেশে পাঠানো যাবে এবং অনাবাসী টাকার হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তরের সময়সীমা এক কর্মদিবসে নামিয়ে আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই বিদেশে অর্থ পাঠানোর সীমাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি ভ্যাট মূল্যায়নের বিরুদ্ধে আপিল করতে আগের ১০ শতাংশের পরিবর্তে আপিল পর্যায়ে মাত্র ১ শতাংশ এবং উচ্চ আদালতে ২ শতাংশ অর্থ জমা দিলেই হবে।

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

বাজেটে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর-সুবিধাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তা ইলেকট্রনিকস, কম্পিউটার, জাহাজ নির্মাণ ও ব্যাটারি শিল্পের কর-সুবিধা ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সেমিকন্ডাক্টর, বৈদ্যুতিক যানবাহন উৎপাদন ও সৌরবিদ্যুৎ যন্ত্রাংশে এই সুবিধা ২০৩১ সাল পর্যন্ত এবং নিবন্ধিত স্টার্টআপ ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ওষুধশিল্প ও রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাতের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের জন্য শূন্য টার্নওভার কর, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট নির্মাতাদের কর-ছাড়, বৈদ্যুতিক যানবাহনের আমদানি শুল্ক কমানো, সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম ও ওষুধশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালে শুল্ক অব্যাহতি এবং তুলা আমদানিতে অগ্রিম আয়কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা।

তবে আশিক চৌধুরী স্বীকার করেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট এখনো বিনিয়োগের বড় বাধা। এ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান না থাকলেও সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে নীতির বাস্তবায়ন আরও দ্রুত ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি সফল বাস্তবায়নই বিনিয়োগ বাড়ানোর মূল শর্ত।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়া কাপে ফের একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ এম


এশিয়া কাপে ফের একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান

নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের মাধ্যমে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) টুর্নামেন্টের সূচি ও গ্রুপ বিন্যাস প্রকাশ করেছে। আট দলের এই আসরের পর্দা উঠবে ২৮ আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে, আর ফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে ১৩ সেপ্টেম্বর তারিখে।

আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও হংকং। অন্যদিকে, ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সাথে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইন্দোনেশিয়া অবস্থান করছে।

গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল নিজেদের গ্রুপের অন্য তিন দলের বিরুদ্ধে একটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে। ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে। পরের দিন, দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ মুখোমুখি হবে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৩ সেপ্টেম্বর।

গ্রুপ বিন্যাসঃ

গ্রুপ ‘এ’: ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও হংকং

গ্রুপ ‘বি’: শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়া।

বাংলাদেশের সূচিঃ

৩১ আগস্ট: বাংলাদেশ বনাম ইন্দোনেশিয়া — রাত ৯:৩০

৬ সেপ্টেম্বর: বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা — রাত ৯:৩০

৮ সেপ্টেম্বর: বাংলাদেশ বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত — রাত ৯:৩০

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনয়কে খুব একটা বেশি মিস করিনি: প্রীতি জিনতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ এম


অভিনয়কে খুব একটা বেশি মিস করিনি: প্রীতি জিনতা

দীর্ঘ আট বছর পরে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। তবে এতোদিন অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও তিনি ক্যামেরার সামনে কাজ করাকে খুব একটা বেশি মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন। পরিবার এবং সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোই জীবনের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন এই অভিনেত্রী।

রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত নতুন ছবি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারণা অনুষ্ঠানে প্রীতি বলেন, ‘সত্যি বলতে, সিনেমায় কাজ করাকে আমি খুব বেশি মিস করিনি। বরং পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়টা আমি দারুণ উপভোগ করেছি। সন্তানের জন্ম, তাদের বড় করে তোলা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে সময় দেওয়া—এসবই আমার জন্য নতুন ও মূল্যবান অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সন্তানদের জন্ম দেওয়া হল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় মাইলফলক।’

২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছিল প্রীতির সর্বশেষ সিনেমা। সেই ছবিতে তার সহশিল্পী ছিলেন সানি দেওল। কাকতালীয়ভাবে, আট বছর পর তার প্রত্যাবর্তনের ছবিতেও নায়ক হিসেবে রয়েছেন সানি দেওল।

একসময় বলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের একজন ছিলেন প্রীতি জিনটা। ২০০০-এর দশকে একের পর এক সফল চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে তিনি নিজের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছিলেন। তবে বিয়ে এবং সন্তান হওয়ার পর অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজের পরিচিতি গড়ে তুলতে সক্ষম হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় ধরা পড়লো পৌনে ২ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো কত টাকায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ এম


কুয়াকাটায় ধরা পড়লো পৌনে ২ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো কত টাকায়?

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে একটি বড় রূপচাঁদা মাছ জেলের জালে ধরা পড়েছে। এই মাছটির ওজন প্রায় ১ কেজি ৭০০ গ্রাম। মাছটি এফবি জারিফ-১ ট্রলারে ধরা পড়ে। এ ট্রলারের মাঝি ছিলেন দেলোয়ার।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মাছটি মহিপুরের মনোয়ারা ফিশ গদিতে আনা হলে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়। পরে মাছটি প্রতি মণ ৯০ হাজার টাকা অর্থাৎ প্রতি কেজি ২ হাজার ২৫০ টাকা দরে মোট ৩ হাজার ৮২৫ টাকায় স্থানীয় এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়।

মনোয়ারা ফিসের ম্যানেজার সগির বলেন, এ ধরনের বড় আকারের রূপচাঁদা খুব বেশি ধরা পড়ে না। মাছটির আকার এবং গুণগত মান ভালো হওয়ার কারণে বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেছে।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সোহাগ জানান, গভীর সমুদ্রের বড় রূপচাঁদার চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। ভালো মানের হওয়ার কারণে তিনি মাছটি কিনেছেন। বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সম্ভবত আরও ভালো দাম পাওয়া যেত। সোহাগ বলেন, মাছটি তিনি ঢাকায় পাঠাবেন।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস এবং ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, রূপচাঁদা উচ্চমূল্যের সামুদ্রিক মাছ। এ মাছ গভীর সমুদ্রে বেশি বিচরণ করে এবং সুস্থ সামুদ্রিক পরিবেশের একটি ইতিবাচক নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়। বড় আকারের মাছ ধরা পড়া সাগরের জীববৈচিত্র্যের জন্যও একটি ভালো লক্ষণ। তবে খেয়াল রাখতে হবে টেকসই আহরণ যেন নিশ্চিত করা যায়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বঙ্গোপসাগরে রূপচাঁদা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ। যদি সঠিকভাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মূল্যবান মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং জেলেরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত থেকে টিয়ার গ্যাস আমদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০০ এম


ভারত থেকে টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে আমদানি করা ২ দশমিক ০৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশের অভ্যন্তরে এসে পৌঁছেছে। বন্দর থেকে ছাড় করানোর পর, সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় এসব টিয়ার গ্যাস শেল যশোর সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভারতীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড’ থেকে আনা ১৪৫টি কাঠের বাক্সে সংরক্ষিত এই টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দর থেকে ছাড় করানো হয়। এরপর, একটি বাংলাদেশি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর সেনানিবাসের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের ওয়্যারহাউস ইনস্পেক্টর শাহাদৎ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিস্ফোরকবাহী কাভার্ড ভ্যানটির সুরক্ষায়, বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা থানা পর্যন্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ছয় সদস্যের একটি দল বিশেষ নিরাপত্তা এসকর্ট প্রদান করে।

পরবর্তীতে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি এসকর্ট দল। গাড়িটি বেনাপোল, শার্শা, নাভারন ও ঝিকরগাছা হয়ে নিরাপদে যশোর সেনানিবাসে পৌঁছায়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার (৯ আগস্ট) এসব টিয়ার গ্যাস শেল যশোর সেনানিবাস থেকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে (বিওএফ) স্থানান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%