ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৬৩ বছর পর পতেঙ্গায় যাচ্ছে ওয়াসার পানি


৬৩ বছর পর পতেঙ্গায় যাচ্ছে ওয়াসার পানি

চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিষ্ঠার ৬৩ বছর পর, অবশেষে পানির সংকট ও লবণাক্ততার যন্ত্রণার সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে পতেঙ্গাবাসীর। ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথমবারের মতো পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরীর সমুদ্র উপকূলীয় পতেঙ্গা এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে সুপেয় পানি সরবরাহের ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে ঝুলে থাকা পাইপলাইন জটিলতা এবং আমলাতান্ত্রিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিনের মধ্যেই এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই এলাকার প্রতিটি ঘরে ওয়াসার সুপেয় পানি পৌছাবে।

দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাওয়া পাইপলাইন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াসার পানি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠেও বিভিন্ন সময় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্ণফুলী টানেলের ইউটিলিটি ডাক্ট ব্যবহার করে ভাণ্ডালজুড়ি প্রকল্প থেকে প্রতিদিন অন্তত ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সুপেয় পানি পতেঙ্গা এলাকায় নিয়ে আসা হবে। এর ফলে দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা পতেঙ্গাবাসীর পানির তীব্র হাহাকার অনেকাংশে দূর হবে।

 

সুপেয় পানির কোনো উৎস না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় ‘পানি সিন্ডিকেট’ গড়ে উঠেছে। ইপিজেড থেকে সি-ম্যান ক্রসিং পর্যন্ত এলাকায় অন্তত ৪০টি দোকানে বড় বড় রিজার্ভার তৈরি করে ওয়াসার পানি জমিয়ে রাখা হতো।

এরপর সেই পানি ড্রামে ভরে ভ্যানে করে চড়া দামে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হতো। ফ্লোর ভেদে ২৫ লিটারের প্রতি ড্রাম পানি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়। অনেক দিন ধরে এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়ে চড়া দামে পানি কিনতে হচ্ছিল।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

জানতে চাইলে, চট্টগ্রাম ওয়াসার নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, বিগত সাত বছর ধরে এই পাইপলাইনের জটিলতা ঝুলে ছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যে ওই আসনের সংসদ সদস্য এবং সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহযোগিতায় সব বাধা কাটিয়ে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পাইপলাইনের মাধ্যমে সুপেয় ওয়াসার পানি পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমার কিছু করার ক্ষ্যামতা নেই-ফাঁসির রায়ের পর সোহেলের মায়ের আক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


আমার কিছু করার ক্ষ্যামতা নেই-ফাঁসির রায়ের পর সোহেলের মায়ের আক্ষেপ

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৭ জুন) মামলার রায় ঘোষণার পর মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি সোহেলের নিজ গ্রাম নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুরের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করে। তবে ছেলে হত্যাকারী হলেও তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশে শোকগ্রস্ত সোহেলের পরিবার।

রবিবার দুপুরে সোহেলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, টিনের ঘরের বারান্দায় বসে রয়েছেন সোহেলের বাবা ও মা। কথা বলার শক্তি প্রায় হারিয়ে ফেলছেন তারা।

পরিবারের অন্য সদস্যরা জানান, স্থানীয় লোকজন বাড়িতে এসে তাদের রায়ের কথা জানিয়েছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোহেলের বাবা জাকির হোসেন বলেন, ‘অপরাধী হলেও সোহেল আমার ব্যাটা (ছেলে)। আমি গরিব মানুষ। আপিল করার সামর্থ্য নাই আমার।

সরকার থেকে যদি আইনজীবী দেওয়া হয়, তাহলে আমরা আপিল করব।’

সোহেলের মা বলেন, ‘হাজার হলেও সোহেল আমার ব্যাটা। তার এই ফাঁসির রায় মাইনা লিতে আমার বুক ফাইট্যা যাচ্ছে। কিন্তু আমার ছেলে অপরাধী। তাই আমাদের কিছুই করার ক্ষ্যামতা নাই।’

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, ‘আমার ভাইয়ের ফাঁসি হবে, এটা আমরা ধারণা করছিলাম। ফাঁসির রায় আমরা মেনে নিছি। আমাদের সামর্থ্য থাকলে আপিল করতাম।’

প্রতিবেশী সেন্টু ও মকুল জানান, তারা এই মামলার রায়ে খুশি। দ্রুত বিচারের রায় কার্যকর করার দাবি জানান তারা। সেন্টু বলেন, ‘একজন মেয়ের বাবা হিসেবে এ ধরনের অপরাধ মেনে নেওয়ার মতো নয়। যেভাবে একটা শিশুকে হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার হওয়া খুবই প্রয়োজন।’

এদিকে সিংড়া পৌর শহরের ভালোবাসা মহল্লায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নার বাবার বাড়ির এলাকায় গিয়ে জানা যায়, সেখানে এখন তাদের ঘরবাড়ি নেই। স্থানীয়রা জানায়, স্বপ্নার বাবা জিয়াদুল ইসলাম পৈতৃক সূত্রে যে জায়গা পেয়েছিলেন, তা তার আরেক মেয়ের চিকিৎসার জন্য বিক্রি করে দিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি মহল্লার একটি ক্লিনিকে চাকরি করেন এবং সেখানেই থাকেন। আর স্বপ্নার মা থাকেন রাজশাহীতে সেই মেয়ের বাড়িতে।

ভালোবাসা মহলায় অবস্থিত ওই ক্লিনিকে গিয়ে কথা হয় জিয়াদুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা (শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা) মেনে নেওয়ার মতো না। আমি মেয়েকে আগেই ত্যাজ্য করেছিলাম। মেয়ের এই রায়ে আমি খুশি। বিচার বাস্তবায়ন হোক। পরিবার থেকে কোনো আপিল করব না।’

প্রতিবেশী আবুবক্কর ও আবু সাইদ বলেন, ‘স্বপ্নার কপালে শনি পড়েছে। সোহেল তার তৃতীয় স্বামী। বাবা-মার অমতে তাকে (সোহেল) বিয়ে করার পর তার (স্বপ্না) সঙ্গে পরিবারের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘সঙ্গ দোষে যেমন লোহা ভাসে, স্বপ্না তেমনি এমন ঘটনায় জড়িত হয়েছে। সোহেলের মতো খারাপ ছেলের সঙ্গে বিয়ে হওয়াই তার কাল হয়েছে। আমরা তাদের দুজনের শাস্তি চাই।’

এলাকাবাসীর ভাষ্য, মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সোহেলের রয়েছে কলঙ্কিত অতীত। এলাকায় পরকীয়া, চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবারসহ নানা অপরাধে লিপ্ত ছিলেন তিনি। চার বছর আগে স্ত্রী স্বপ্নাকে নিয়ে সিংড়া ছেড়ে ঢাকায় চলে যান সোহেল।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার ৫ দিনের মাথায় ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া। ওই দিনই শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলাটি বিচারের জন্য নথি বদলি করা হয়। তবে সেদিন থেকে ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হওয়ায় গত ১ জুন মামলাটির চার্জ গঠনের দিন ধার্য করা হয়। ঈদের পর ১ জুন মামলার চার্জ গঠন শেষে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।

পরদিন ২ জুন মামলাটির ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়। ৩ জুন মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা থেকে ১২৪৪টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ঢাকা থেকে ১২৪৪টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়

রাজধানী ঢাকা থেকে বর্তমানে ১২৪৪টি দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

সংসদের বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষে সরকারি দলের সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির যখন এক প্রশ্নের উত্তর দেন, তখন তিনি আজ এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী এক্ষেত্রে জানান, ঢাকা থেকে বর্তমানে ৫৮৫টি দৈনিক পত্রিকা, ৩৬৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং ২৯৬টি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এর মধ্যে মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ২৮৮টি, সাপ্তাহিক পত্রিকার সংখ্যা ৫৬টি এবং মাসিক পত্রিকার সংখ্যা ২৩টি, যা সর্বাধিক প্রকাশিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রাপ্তিতে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রাপ্তিতে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের অদক্ষতার কারণে জনগণের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং জনভোগান্তি নিরসনে কার্যকর উদ্যোগের অভাব দেশের মানুষের প্রত্যাশাকে ব্যাহত করছে।

রবিবার সকালে শরিয়তপুরের উপজেলায় দায়িত্বশীলদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জনগণ একটি দায়িত্বশীল, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। কিন্তু গত কয়েক মাসের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিত্যদিনের জীবনযাত্রায় নানা ধরনের সংকট ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছে।

শরিয়তপুর জেলা আমীর আব্দুর রব হাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর কেএম মকবুল হোসাইন, জেলা সেক্রেটারী মাসুদুর রহমান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আনোয়ারুল হক ও মুহাম্মাদ মুজিবুল হকসহ কেন্দ্র ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের উত্তর মহিষেরচর এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে আদনান (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আদনান উত্তর মহিষেরচর এলাকার আসাদুল মাতুব্বরের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলছিল আদনান। পরিবারের সদস্যদের অগোচরে একপর্যায়ে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে গিয়ে শিশুটিকে পানিতে ভাসতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করা হয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে মাদারীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের অভিযোগ, মাঝপথে নৌকায় পারাপার করতে সময় লাগায় হাসপাতালে নিতে কিছুটা বিলম্ব হয়।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%