০৬:৪৪ পি.এম
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তিনজনকে আটক করেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) গভীর রাত থেকে শনিবার (১৩ জুন) ভোর পর্যন্ত পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করা হয়।
অবশেষে আটক করা ব্যক্তিরা হলেন- শহরের নিমতলা বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজের মালিক বিশ্বজিত কর্মকার, গাজীর বাজারের সোবহান এবং ঝিনাইদহ সদরের নারিকেল বাড়িয়া বাজারের গ্যারেজ মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে মহাসড়ক জুড়ে অবৈধ দোকান ও অটো স্ট্যান্ড, শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা জিম্মি
এই ঘটনায় কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পরে শনিবার বিকেলে আটকের বিষয়ে থানার চত্বরে সাংবাদিকদের জন্য প্রেস ব্রিফিং করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন।
এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির খবর আসে, যা থানার ওসিকে জানানো হয়। এর পরে পুলিশ অভিযানে বের হয়ে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে শহরের নিমতলা রোডে বিশ্বজিত কর্মকারের মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালায়। সেখানে একটি কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার এবং একটি লাল রঙের প্লাটিনা ১০০ সিসি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়। এরপর তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রাত তিনটার দিকে পুলিশ ঝিনাইদহ সদরের নলডাঙ্গা বাজারে আব্দুল্লাহ আল মামুনের গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে কালো লাল রঙের একটি ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল ও একটি লাল রঙের হোন্ডা ১১০ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করে।
পরবর্তীতে শনিবার ভোররাতে কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে সোবহানের পুরাতন মোটরসাইকেল শো-রুমে অভিযান চালিয়ে কালো রঙের ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জানান, পুলিশি অভিযানে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকরা চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সিন্ডিকেটের সদস্য। তারা উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর কোনো বৈধ কাগজ বা মালিকানার কাগজ দেখাতে পারেননি। সন্ধ্যার আগে আটক হওয়াদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন