ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণকাজের উদ্বোধন সেপ্টেম্বরে : গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী


জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণকাজের উদ্বোধন সেপ্টেম্বরে : গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শহীদ পরিবার ও গুরুতর আহত যোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ বিষয় উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, 'আমরা আশা করছি আগস্টের শেষ সপ্তাহ কিংবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা উদ্বোধন করবেন বলে আমরা আশা করছি।'

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান। 'প্রকল্পের আওতায় ১৪টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এসব ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হবে।'

ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবাসন নিশ্চিত করা শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য একটি বড় সহায়তা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগী পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ থাকবে। এই প্রকল্পটি শুধু একটি আবাসন প্রকল্প নয়, এটি জাতির পক্ষ থেকে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মত্যাগ করেছেন কিংবা গুরুতর আহত হয়েছেন, তাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই এই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।'

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

তিনি উল্লেখ করেন, 'এটি তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে কোনো প্রতিদান নয়। তাদের অবদানের মূল্য কখনো পরিশোধ করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতার একটি প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে আমরা তাদের জন্য স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করছি।'

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিয়মিত ভাতা প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবেও তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমার নিজ জেলা পিরোজপুরে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করছি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এই আন্দোলনকে শুধু জুলাই মাসের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিক পরিণতি।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

তিনি আরও বলেন, 'জুলাই বিপ্লব একদিনে হয়নি। এটি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণে ৫ আগস্ট সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি সৃষ্টি হয়।'

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের সময় ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের আন্দোলন এবং পরবর্তীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনঅসন্তোষ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটে ছাত্র-জনতার আন্দোলন সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন লাভ করে।

তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের নির্যাতন, গুম, আয়নাঘর, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভোটাধিকার হরণের অভিযোগে ক্ষুব্ধ ছিল। সেই ক্ষোভই শেষ পর্যন্ত একটি গণআন্দোলনের রূপ নেয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে।

সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের কারণেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন আহম্মদ সোহেল মনজুর। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ছিল আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়ের তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক এবং সংসদে আলোচনার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ ও প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে সরকার। এটিকে আমরা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহল থেকে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা থাকলেও সরকার জুলাই সনদের মূল চেতনা বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের সরকারি স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার গেজেটভুক্ত নিহত ও গুরুতর আহতদের তালিকা অনুযায়ী তাদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান

তিনি বলেন, গেজেটভুক্ত নিহত ও আহতদের জন্য ভাতা, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবাসন প্রকল্পও সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুফল যাতে আত্মত্যাগী পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে যায়, এ বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি জাতির যে ঋণ, তা কখনো শোধ করার নয়। তবে তাদের পরিবার যেন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সে জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়বে কিনা, গণশুনানি আগামীকাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার : ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে। শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার অদম্য লড়াইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আজ বুধবার সকালে রাজশাহী মহানগরীর সিএন্ডবি মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষ করার পর তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। শহীদ পরিবার ও আহতদের সার্বিক কল্যাণে সরকার সবসময় পাশে রয়েছে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে কাজ করছে। শহীদ পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা সুখী, সমৃদ্ধি ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়ে শহীদ হয়েছিল, সেই সুন্দর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার। সব মিলিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

সেখানে উপস্থিত জুলাই শহীদ শাকিব আঞ্জুমের বাবা বলেন, ‘আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই। যারা আমার সন্তানকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

এর আগে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে তিনি জুলাই শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম ড. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা।

এদিকে সকাল থেকেই জুলাই শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভে ভিড় জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। স্মৃতিস্তম্ভের আশেপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া গোটা নগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনয়ের জড়তা কাটাতে গালাগালের অনুশীলন করেছিলেন দীপিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


অভিনয়ের জড়তা কাটাতে গালাগালের অনুশীলন করেছিলেন দীপিকা

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই এক মার্জিত রূপ ও একটি স্নিগ্ধ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু সঞ্জয় লীলা বানসালির পরিচালিত 'রামলীলা' ছবির শুটিং শুরু করার পূর্বে, অভিনয়ের খাতিরে দীপিকার শান্ত রূপ ছেড়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মুক্ত মনে গালাগাল দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এ তথ্যটি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশী জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।

২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রামলীলা’ ছবির নাম ভূমিকার জন্য দীপিকাকে প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেখাশোনা করছিলেন জয়তী। তাঁর লক্ষ্য ছিল দীপিকাকে তার লাজুক ও আড়ষ্ট খোলস থেকে বের করে আনা। যাতে করে ক্যামেরার সামনে চরিত্রের প্রয়োজনে দীপিকা সব ধরনের জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারেন। জয়তী জানান, পরিচালক তাকে সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছিলেন।

ওয়ার্কশপে অংশ হিসেবে একটি অনুশীলনের জন্য দীপিকাকে মনের সব সংকোচ ভুলে গালাগাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জয়তী ওয়ার্কশপের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, বানসালির অফিসের বারান্দায় দীপিকাকে দাঁড় করিয়ে তিনি নিচে না তাকিয়ে খোলা গলায় চিৎকার করে গালাগাল দিতে বলেছিলেন।

জয়তীর ভাষ্য অনুযায়ী, দরজা খুলে দীপিকা যখন গালাগাল দেওয়া শুরু করে, তখন তাকে থামতে বলা সত্ত্বেও সে থামেনি। এমন কিছু গালাগাল দিল, যা তিনি জীবনে কখনো শুনেননি।

মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সব ক্ষোভ যেন এক নিমিষে প্রকাশিত হয়ে গেল। জয়তী মুগ্ধ হয়ে শুধুই তাকিয়েছিলেন। ওয়ার্কশপের সময়েই জয়তী উপলব্ধি করেন, ‘ককটেল’ সিনেমার সাফল্যের পর দীপিকা একজন নির্ভীক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। এ কারণে তিনি সাত দিনের ওয়ার্কশপ চারদিনেই শেষ করার পরামর্শ দেন শুটিং শুরু করার জন্য।

তবে ঘটনার পেছনে আরও একটি কথা ছিল। জয়তী ভাটিয়া জানান, ওই সময় দীপিকা একটি তীব্র মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেট বা কাজের জায়গায় তিনি নিজের সেই কষ্টের সামান্যতম আঁচও লাগতে দেননি, বজায় রেখেছিলেন শতভাগ পেশাদারিত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


ফরিদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন সরকারি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

বুধবার সকালে শহরের হাসিবুল হাসান লাভলু সড়কে অবস্থিত শহীদ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বন বিভাগ, জেলা তথ্য অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা কারাগার, নির্বাচন অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জাতীয় যুবশক্তি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয়, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), বিএডিসিসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনের পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই জাদুঘরের স্মৃতি ফলক উন্মোচন করেন।

ফলক উন্মোচনের পর সেখানে সুরাহ ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরে তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনীতে গিয়ে জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শন করেন। এইভাবে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসের সম্পর্কে অবহিত হন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

আজ উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র আমন্ত্রণপ্রাপ্ত অতিথিদের জন্য খোলা থাকবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%