১১:৪৫ এম
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই এক মার্জিত রূপ ও একটি স্নিগ্ধ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু সঞ্জয় লীলা বানসালির পরিচালিত 'রামলীলা' ছবির শুটিং শুরু করার পূর্বে, অভিনয়ের খাতিরে দীপিকার শান্ত রূপ ছেড়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মুক্ত মনে গালাগাল দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এ তথ্যটি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশী জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।
২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রামলীলা’ ছবির নাম ভূমিকার জন্য দীপিকাকে প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেখাশোনা করছিলেন জয়তী। তাঁর লক্ষ্য ছিল দীপিকাকে তার লাজুক ও আড়ষ্ট খোলস থেকে বের করে আনা। যাতে করে ক্যামেরার সামনে চরিত্রের প্রয়োজনে দীপিকা সব ধরনের জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারেন। জয়তী জানান, পরিচালক তাকে সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছিলেন।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক সহিদুলকে প্রাণনাশের হুমকি, আদালতে মামলা
ওয়ার্কশপে অংশ হিসেবে একটি অনুশীলনের জন্য দীপিকাকে মনের সব সংকোচ ভুলে গালাগাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জয়তী ওয়ার্কশপের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, বানসালির অফিসের বারান্দায় দীপিকাকে দাঁড় করিয়ে তিনি নিচে না তাকিয়ে খোলা গলায় চিৎকার করে গালাগাল দিতে বলেছিলেন।
জয়তীর ভাষ্য অনুযায়ী, দরজা খুলে দীপিকা যখন গালাগাল দেওয়া শুরু করে, তখন তাকে থামতে বলা সত্ত্বেও সে থামেনি। এমন কিছু গালাগাল দিল, যা তিনি জীবনে কখনো শুনেননি।
মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সব ক্ষোভ যেন এক নিমিষে প্রকাশিত হয়ে গেল। জয়তী মুগ্ধ হয়ে শুধুই তাকিয়েছিলেন। ওয়ার্কশপের সময়েই জয়তী উপলব্ধি করেন, ‘ককটেল’ সিনেমার সাফল্যের পর দীপিকা একজন নির্ভীক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। এ কারণে তিনি সাত দিনের ওয়ার্কশপ চারদিনেই শেষ করার পরামর্শ দেন শুটিং শুরু করার জন্য।
তবে ঘটনার পেছনে আরও একটি কথা ছিল। জয়তী ভাটিয়া জানান, ওই সময় দীপিকা একটি তীব্র মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেট বা কাজের জায়গায় তিনি নিজের সেই কষ্টের সামান্যতম আঁচও লাগতে দেননি, বজায় রেখেছিলেন শতভাগ পেশাদারিত্ব।
আরও পড়ুন: আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, নতুন ভবন ৩১ একরে নির্মিত হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন