এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
১১:৪৯ এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন সরকারি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
বুধবার সকালে শহরের হাসিবুল হাসান লাভলু সড়কে অবস্থিত শহীদ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বন বিভাগ, জেলা তথ্য অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা কারাগার, নির্বাচন অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জাতীয় যুবশক্তি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয়, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), বিএডিসিসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উদ্বোধনের পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই জাদুঘরের স্মৃতি ফলক উন্মোচন করেন।
ফলক উন্মোচনের পর সেখানে সুরাহ ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
পরে তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনীতে গিয়ে জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শন করেন। এইভাবে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসের সম্পর্কে অবহিত হন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
আজ উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি শুধুমাত্র আমন্ত্রণপ্রাপ্ত অতিথিদের জন্য খোলা থাকবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ, পাঁচই আগস্ট, নারায়ণগঞ্জ জেলা, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে, পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, জনাব মোঃ রায়হান কবির মহাদয় করেছেন এই পুষ্পস্তবক অর্পণ।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুন মাহমুদও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব, এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার মাসকুল ইসলাম রাজীবও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সবাই মিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য শহীদ যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাতে ফুল অর্পণ করেন।
এবং সাথে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে সালাম এয়ার চালু হচ্ছে ১লা সেপ্টেম্বর হতে। ৮ বছর বন্ধ থাকার পর সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে ফের শুরু হচ্ছে বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা সিদ্ধান্ত। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ওসমানী বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চালু করছে ওমানভিত্তিক বিমানসংস্থা সালাম এয়ার। ওইদিন সিলেট থেকে ওমানের মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে সালাম এয়ার।
জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশি কোনো এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইট ছিল না। মাঝখানে কয়েক বছর দুবাই ভিত্তিক ‘ফ্লাই দুবাই’ ফ্লাইট পরিচালনা করলেও ২০১৮ সাল থেকে তা বন্ধ রয়েছে।
তবে সম্প্রতি পুণরায় ওসমানী থেকে বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া। সেপ্টেম্বরে ফ্লাইট চালু করবে সালামএয়ার। ডিসেম্বরের মধ্যে আরও একাধিক বিদেশি এয়ারলাইন্স ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে বলে জানা গেছে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে সালাম এয়ার। এই ফ্লাইট চালু হলে তুলনামূলক কম ভাড়ায় ওমান প্রবাসী সিলেটিদের যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে।
সালাম এয়ারের সিলেট এরিয়া ইনচার্জ সেলিম আল রাজি জানান, সালামএয়ার গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ভারতীয় উপমহাদেশ ও ইউরোপজুড়ে বিস্তৃত এবং এ নেটওয়ার্ক ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে এয়ারলাইনটি ৩৮টি গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
সালামএয়ার বাংলাদেশ থেকে প্রতি সপ্তাহে ২৪ টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে সালাম এয়ার। এর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ১৪টি, ঢাকা থেকে ৭টি ও সিলেট থেকে ৩টি।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পপ্রথম বিদেশি এয়ারলাইন্স হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছিল দুবাই ভিত্তিক ‘ফ্লাই দুবাই’। ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল সিলেট-দুবাই রুটে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। শুরুতে সপ্তাহে পাঁচ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করলেও যাত্রী চাহিদা বাড়ায় পরে প্রতিদিনই ফ্লাইট চলাচল করত। তবে নিজস্ব পরিচালনাগত সমস্যার কারণে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে সিলেট-দুবাই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় এয়ারলাইন্সটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক ওয়্যারহাউজ। নতুন টার্মিনাল ভবনসহ আরও বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও বিদেশি কোনো এয়ারলাইন্স এই বিমানবন্দরে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে না।
বর্তমানে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ম্যানচেস্টার, সৌদি আরব, কাতার, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘ফ্লাই দুবাই’ আবারও সিলেট থেকে ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য নীতিগত সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
ট্রাভেল ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, চলতি বছরের শেষ দিকে আবারও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাই দুবাইয়ের ফ্লাইট চালু হতে পারে।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক আরেক এয়ারলাইন্স ‘এয়ার আরাবিয়া’ও সিলেট-দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। চলতি বছরের শেষ কিংবা আগামী বছরের শুরু থেকে তাদের ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি ওসমানী বিমানবন্দরে সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটের ফ্লাইট পুণরায় চালুর অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলে ছিলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ইতিবাচক পর্যায়ে পৌঁছালে সিলেট-গুয়াহাটি রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে আন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও সম্প্রসারিত হবে।
সালাম এয়ারের সিলেট ইন-চার্জ সেলিম আল রাজী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর সিলেট শহরে একটি জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিলেট থেকে সালাম এয়ারের আন্তর্জাতিক যাত্রা আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে।
যেকোনো প্রয়োজনে সিলেটের যাত্রী ও ট্রাভেল এজেন্টরা সালাম এয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। বিক্রয়-সংক্রান্ত যোগাযোগ নম্বর ০১৮৪৭৪৬৭৭০৯ থেকে ০১৮৪৭৪৬৭৭২৬ এবং রিজার্ভেশন ও টিকেটিং কাউন্টারের যোগাযোগ নম্বর ০১৮৪৭৪৬৭৭২২ থেকে ০১৮৪৭৪৬৭৭২৩।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর থেকে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফিরতে শুরু করেছেন লাখো কর্মজীবী মানুষ তিনদিনের ছুটিতে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকেই দেখা গেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
তবে, ছুটির আনন্দে বাড়ি ফেরার পথে অতিরিক্ত বাসভাড়া, যানজট ও পরিবহন সংকটের কারণে ভোগান্তিও সহ্য করতে হচ্ছে যাত্রীদের।
জানানো হয়েছে যে, শিল্প পুলিশ বলছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে সরকারী দুদিনের ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে শিল্পকারখানার শ্রমিকরা টানা তিনদিনের অবকাশ পেয়েছেন। এর ফলে, ভোর থেকেই বিভিন্ন মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
তিনি জানিয়েছেন, গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা ও মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় সকালের সময়।
উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা ত্রিমোড়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতির যান চলাচলের সৃষ্টি হয়।
এদিকে, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে কয়েকটি পরিবহন কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও টিকিট সংকটের অজুহাতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
চন্দ্রা বাস কাউন্টারে অপেক্ষমাণ যাত্রী জেরিন আক্তার বলেছেন, 'তিনদিনের ছুটি পেয়েছি। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাইনি।'
আরেক যাত্রী ইকলাছুর রহমান জানিয়েছেন, 'উত্তরাঞ্চলের মানুষ বাড়ি ফিরলেই বাসভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এদিন ৫০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।'
তবে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা অসংখ্য যাত্রী থাকার কারণে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ স্বীকার না করলেও, এটির জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপকে দায়ী করছেন।
চন্দ্রা এলাকার শাহ ফাতেহ আলী পরিবহনের কাউন্টার মালিক ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, 'পরিবহনের তুলনায় যাত্রী বেশি হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক গাড়ি কাউন্টারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে যাত্রী পরিবহন করছে, তাই ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।'
অন্যদিকে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত পরিবহন না পেয়ে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে যানজটের ফলস্বরূপ যাত্রাপথে বাড়তি সময় ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রীরা।
হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর অঞ্চলের নাওজোড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর হোসেন জানিয়েছেন, 'ভোর থেকে মহাসড়কে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ