১১:৩০ এম
ঈদুল আজহার ছুটি শেষে সরকারি এবং বেসরকারি অফিসগুলো সোমবার (১ জুন) থেকে খুলতে শুরু করবে। কর্মদিবসের শুরুতে রোববার (৩১ মে) থেকেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। যদিও মানুষের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও রাজধানীর প্রবেশপথ এবং মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট এখনো দেখা যায়নি।
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় ঢাকামুখী যাত্রীদের মধ্যে মাঝারি চাপ লক্ষ্য করা যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও ব্যক্তিগত যানবাহনে মানুষ ঢাকায় ফিরছে, তবে যানবাহন সংকটের কারণে কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
রোববার ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনগুলো একের পর এক কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা বেশি দেরিতে ঢাকায় আসে। এর মাঝে রংপুর এক্সপ্রেস প্রায় এক ঘণ্টা, আর নীলসাগর, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস প্রায় আধাঘণ্টা দেরিতে পৌঁছেছে। নেত্রকোনা, জামালপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার কিছু ট্রেনের দেরিতে পৌঁছানোর অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির
রেলওয়ে সূত্র জানায়, গতকাল বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ৪৩টি আন্তঃনগর, ২৩টি লোকাল, মেইল ও কমিউটারসহ মোট ৬৬টি ট্রেন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে।
ঢাকার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন জানান, ঢাকায় মানুষ ফিরছে, তবে অনেকে এখনও পরিবার নিয়ে ফেরেননি। উত্তরবঙ্গের কিছু ট্রেন আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছেছে, তবে বড় কোনো সমস্যা হয়নি।
অন্যদিকে বিমানবন্দর সড়কসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে ঢাকামুখী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু যানচাপ তুলনামূলক কম ছিল। যাত্রাবাড়ী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় গণপরিবহন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচলও বেড়েছে।
পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো অনেক পোশাক শ্রমিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ঢাকায় ফেরেননি। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তাঁদের ফিরে আসার চাপ আরও বাড়তে পারে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে: জামায়াত আমির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন