মোঃ রাসেল সরকার, স্টাফ রিপোর্টার
১০:১৫ পি.এম
সকল জটিলতা কাটিয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে
.................স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত বলেছেন, বিগত ১০ বছরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হওয়ার কথা ছিল, তার অনেক কিছুই হয়নি। এটি শুধু রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র নয়, একই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। প্রকৃত উন্নয়নের পরিবর্তে নাম ও সাইনবোর্ড বদলেই সীমাবদ্ধ ছিল অনেক উদ্যোগ। আর এ সব ব্যর্থতার কারণেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
শনিবার( ২৫ জুলাই) রাত ৭ টার দিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় তরুণদের নতুন জীবন ও নতুন পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হয়নি। তাই তো শাহজাদপুরের তরুণেরাও রাজপথে নেমেছিল। তিনি বলেন, আজকের এই আয়োজন পরিবর্তনের বার্তা বহণ করছে। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে। অতীতের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার দায় এখন আমাদের কাঁধে এসেছে। তবে আমরা ভীত নই। কারণ, শিক্ষার্থীরা ন্যায় ও সত্যের পক্ষে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, সেটিই আমাদের আশাবাদী করে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বারবার শিখিয়েছেন, অন্ধকার যত গভীরই হোক, আলো আসবেই। শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমেই সেই আলোর পথ তৈরি হবে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে শাহজাদপুর এবং দেশকে আলোকিত করার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের কিছু জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে। বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও ধৈর্য প্রয়োজন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. তাহমিনা আখতার। এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবুল হাসনাত মোঃ শামীম, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সিনিয়র সাব এডিটর ও জাতীয় প্রেসক্লাবের কার্যনিড়বাহী কমিটির সদস্য শাহনাজ পলি এবং জেড নিউজের সম্পাদক আমিরুল ইসলাম কাগজি। "সাহিত্য-সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি গড়ে উঠুক মানবিক পৃথিবী" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ময়লার স্তূপে অগ্নিকাণ্ড ঘটে গেছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছে বিমানবন্দর ফায়ার স্টেশন এর ২টি ইউনিট।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ফায়ার স্টেশন জানিয়েছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নং গেইটের নিকটবর্তী ময়লার স্তুপে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর সেখানকার ঘটনাস্থলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট পৌঁছে যায়।
ফায়ার স্টেশন আরও জানায়, এই অগ্নিকাণ্ডে কোন হতাহত হয়নি। আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং রোগীদের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী শনিবার (২৫ জুলাই) আকস্মিকভাবে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিভাগ ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি, চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে, যাতে প্রান্তিক জনগণের চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করা যায়।
উল্লেখ্য, ৫১ শয্যাবিশিষ্ট নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার জন্য, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য তথা বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে একটি ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) প্রদান করেছিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি আদেশ জারি করে।
হাসপাতালের অবকাঠামোগত ও সেবার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর এমন আকস্মিক ও জনমুখী পরিদর্শন, সেবার মানের অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। জনকল্যাণমুখী এই পদক্ষেপ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন প্রতিমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতibদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। শুধুমাত্র যদি সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করা যায়, তবে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব।
দুর্গাপূজাসহ কোন ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতibদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির ব্যবহারে বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তিনি এটি উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় যদিও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়, নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সকলের জন্য সমান।
তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো দুর্বৃত্ত কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সরকার নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, মন্দিরের জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তিনি বলেন, কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রকে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা শহরের ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন তার নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, একজন মানুষের রক্তের রং ধর্মভেদে যেমন পরিবর্তিত হয় না, নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না।
মানুষ হিসেবে সবাইকে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন।
দুর্গাপূজাসহ যেকোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।
মো. আসাদুজ্জামান আবারো বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন তার নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।
তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হতে পারবেন না, যাতে কেউ কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিশ্চিত নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, মন্দিরের জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রকে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ