প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকা শহরের ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন তার নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, একজন মানুষের রক্তের রং ধর্মভেদে যেমন পরিবর্তিত হয় না, নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না।
মানুষ হিসেবে সবাইকে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন।
দুর্গাপূজাসহ যেকোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।
মো. আসাদুজ্জামান আবারো বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন তার নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।
তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হতে পারবেন না, যাতে কেউ কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিশ্চিত নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমির প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, মন্দিরের জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রকে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন