ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ঢাকায় বসছে ছয় জাতির আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল উৎসব


ঢাকায় বসছে ছয় জাতির আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল উৎসব

ঢাকায় এর আগে তিনবার আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে পেছনের সব কটি আসরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে এবারের প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন। আগামী ১০ জুন থেকে পল্টনস্থ শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে পাঁচ দিনব্যাপী বয়সভিত্তিক পুরুষ আইএইচএফ (আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন) ট্রফি-২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে।

ভারত, নেপাল, ইয়েমেন, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ, এই ছয় দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। অনূর্ধ্ব-২০ বিভাগে দলগুলো দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে ভারত, নেপাল এবং ইয়েমেন। ‘বি’ গ্রুপে মালদ্বীপ, আফগানিস্তান এবং স্বাগতিক বাংলাদেশ। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ দলগুলো নিয়ে সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন।

অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের ম্যাচগুলো রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দলটি পরবে চ্যাম্পিয়নের মুকুট।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি রুটে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী

বিশ্বজুড়ে হ্যান্ডবলের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন পুরো এশিয়া মহাদেশকে কয়েকটি ভৌগোলিক অঞ্চল বা জোনে বিভক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া নিয়ে গঠিত হয়েছে এশিয়ান জোন-২। এই জোনের অধীনে বিভিন্ন টুর্নামেন্টের অন্যতম হচ্ছে এবারের বয়সভিত্তিক আইএইচএফ ট্রফি। এই জোনের চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি পরবর্তী সময়ে পুরো এশিয়া মহাদেশের মূল পর্বে কন্টিনেন্টাল ফেসে খেলার সুযোগ পাবে।

এর আগে প্রথমবার ঢাকায় বয়সভিত্তিক হ্যান্ডবলের আন্তর্জাতিক আসর বসেছিল ২০০০ সালে। সেবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়ান উইমেন্স জুনিয়র হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপ। পরে ২০১০ সালে দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে হ্যান্ডবল ডিসিপ্লিন অন্তর্ভুক্ত ছিল। সর্বশেষ ২০২৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আইএইচএফ উইমেনস চ্যালেঞ্জ ট্রফি। ওই টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং মালদ্বীপ অংশগ্রহণ করেছিল। যেখানে মেয়েদের অ-১৭ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

এবারের প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দল দুই মাস ধরে নিবিড় অনুশীলন করেছে।

অনূর্ধ্ব-২০ দলের অধিনায়ক রাতুল উদ্দিন জানিয়েছেন, গ্রুপের প্রতিটি ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠতে চান, "আমাদের অনুশীলন ভালো হয়েছে। ফাইনালে উঠতে হলে আমাদের গ্রুপে ভালো করতে হবে। আমাদের প্রথম লক্ষ্যই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া।”

আরও পড়ুন: ঢাবি শিক্ষক দুলাল কান্তি বাসায় ফিরেছেন, পরিবার অভিযোগ করেছে অপহরণের

অনূর্ধ্ব-১৮ দলের অধিনায়ক আসাদুল্লাহ আদিব বলেন, প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট, "আমরা গত দুই মাস অনুশীলন করছি। পর্যায়ক্রমে জাতীয় দল, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, ঢাকা দলের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। প্রত্যেক ম্যাচে ভুল শোধরানোর চেষ্টা করেছি। ঘরের মাঠে খেলা। আশা করি সর্বোচ্চটা দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারব।”

প্রতিযোগিতা উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ড. আবু নছর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মোহাম্মদ মজনু মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মো: সালাউদ্দিন আহমেদ, স্পনসর প্রতিষ্ঠান ঢাকা আইসক্রীম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং আবদুল্লাহ আল মামুন, অ-১৮ দলের ম্যানেজার কামরুল ইসলাম, অ-২০ দলের ম্যানেজার মোহাম্মদ সেলিম মিয়া এবং টুর্নামেন্ট কো-অর্ডিনেটর রাশিদা আফজালুন নেসা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শক্তিশালী ও অহংকারী’ বলেই যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না ইরান: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


‘শক্তিশালী ও অহংকারী’ বলেই যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না ইরান: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, ইরানের নেতারা অত্যন্ত ‘শক্তিশালী’ এবং ‘অহংকারী’। এই কারণে চলমান যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা এখনো কোনো চুক্তিতে সম্মত হয়নি। তবে ট্রাম্প আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত তাদের চুক্তিতে আসা ছাড়া আর ‘কোনো বিকল্প নেই’ বলেও মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ জুন) উইসকনসিনের চিপেওয়া ফলসে এনবিসি নিউজের মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘তারা শক্তিশালী ও অহংকারী। এমন কিছু বিষয় আছে, যা তারা কখনও করবে বলে ভাবেনি। কিন্তু তাদের আর কোনো উপায় নেই। এসব করতে কিছুটা সময় লাগে।’

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা যখন চলছে, তখনই ট্রাম্পের এই বক্তব্য এসেছে। চলমান যুদ্ধ গত সপ্তাহে চতুর্থ মাসে গড়িয়েছে।

গত এপ্রিল মাসে দুই দেশ একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও তা বেশ কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির কাছে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার কংগ্রেস সদস্যদের জানান, ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক হামলাগুলো ছিল ‘আত্মরক্ষামূলক’ এবং হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজে ইরানি হামলার প্রতিক্রিয়ায় চালানো হয়েছে।

রুবিও বলেন, ‘আমাদের বাহিনীকে রক্ষা করতে আমরা শুধু ড্রোন নয়, যেখান থেকে ড্রোন ছোড়া হয় সেখানেও হামলা করি। এগুলো সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ। তারা যদি জাহাজে হামলা না করত, তাহলে আমরাও হামলা করতাম না।’

সংঘাতের ফলস্বরূপ বেশ কয়েক মাস আগে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

সাক্ষাৎকারে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে চাপ দেওয়া সমালোচকদেরও ট্রাম্প আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এসব বিষয় শেষ করতে বছরের পর বছর লেগে যায়।’

ইরানি নেতাদের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ৪৭ বছর ধরে লড়াই করছে। তারা আমেরিকানদের হত্যা করেছে।’ ইরান যুদ্ধকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি খুব দ্রুত এগোচ্ছি। আমি মাত্র তিন মাসে আছি। ভিয়েতনাম যুদ্ধ ১৯ বছর ধরে চলেছিল। অথচ সবাই জানতে চায়— কবে জিতবেন?’

ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতার বড় একটি অংশ ধ্বংস করেছে। তবে ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন রয়েছে।

তার ভাষায়, ‘ড্রোন কারখানার বেশিরভাগ ধ্বংস হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগ ধ্বংস হয়েছে, উৎপাদন কেন্দ্রগুলোরও বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু তাদের এখনও কিছু সক্ষমতা রয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের আগের তুলনায় এখন প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অবশিষ্ট রয়েছে।

তবে চলতি সপ্তাহে পারস্য উপসাগরজুড়ে একাধিক হামলা চালিয়ে ইরান দেখিয়েছে যে তারা এখনও ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির দিনে ৪টি আমল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


বৃষ্টির দিনে ৪টি আমল

বৃষ্টি হলো মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমতের একটি নিদর্শন। এই বৃষ্টির মাধ্যমে মহান আল্লাহ কল্যাণ ও রিজিকের ব্যবস্থা করেন। প্রকৃতিতে বৃষ্টির মাধ্যমে স্বস্তির ছাপ প্রকাশ পায়। বৃষ্টির সঙ্গে মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাণীদের রিজিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বৃষ্টি সম্পর্কে বলেন, ‘আর আমি আসমান থেকে বরকতময় পানি বর্ষণ করেছি। অতঃপর তা দ্বারা আমি উৎপন্ন করি বাগ-বাগিচা ও কর্তনযোগ্য শস্যদানা।’ (সুরা কাফ, আয়াত: ৯)

নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময়েও বৃষ্টি হতো। নিম্নে এগুলো তুলে ধরা হলো, যে সব আমল তিনি বৃষ্টিমুখর দিনে করতেন।

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আনাস (রা.) বলেন, আমরা নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম; এমন সময় বৃষ্টি শুরু হলো। তখন নবীজি তার কাপড় খুলে দিলেন, যাতে বৃষ্টির পানি তার শরীরে পৌঁছাতে পারে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল! আপনি এরূপ কেন করলেন? তিনি উত্তর দিলেন, কেননা এটা মহান আল্লাহর কাছে আসার সময় খুবই অল্প। (মুসলিম: ১৯৬৮)

এ সময় দোয়া কবুল হয়। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়ে থাকে। (আবু দাউদ: ২৫৪০)

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে উল্লেখ আছে, যখন বৃষ্টি হতো; নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা সয়্যিবান নাফিআহ’, (অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবহমান এবং উপকারী করে দাও)। (নাসায়ি: ১৫২৩)

একবার অতিবৃষ্টিতে নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা।’ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি বৃষ্টি আমাদের আশপাশে বর্ষণ করো, আমাদের ওপরে নয়। (নাসায়ি: ১৫২৭)

এই দোয়ায় উদ্দেশ্য নয় যে আমাদের পাশের এলাকা ডুবিয়ে দাও; বরং উদ্দেশ্য হলো জনবসতিহীন কোথাও বৃষ্টি সরিয়ে দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে সহযোগীসহ ‘কুখ্যাত’ মাদক ব্যবসায়ী জীবন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


ঝিনাইদহে সহযোগীসহ ‘কুখ্যাত’ মাদক ব্যবসায়ী জীবন গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জের বানুরিয়া গ্রামে ৩২২ পিস ইয়াবা ও ১৯ বোতল কোরেক্সসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জীবন মন্ডল (৩২) এবং তার সহযোগী সুজন আহমেদ (২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার, ৬ জুন, দুপুরে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানার বলিদাপাড়া (বালিয়াডাঙ্গা) এলাকায় একটি অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে জীবন মন্ডল একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একাধিক মাদক মামলা আছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের কারণ ছিল সুজন আহমেদের বাড়িতে মাদক কেনা-বেচার কার্যক্রম চলছে—এমন তথ্যে ভিত্তি করে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ দুপুরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন সময়ে ৩২২ পিস ইয়াবা ও ১৯ বোতল কোরেক্সসহ ওই দুইজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মাদকমুক্ত জেলা গঠনের লক্ষ্যে পুলিশের এই মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবা চালু নির্ভর করবে শিল্পখাতের প্রস্তুতির ওপর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবা চালু নির্ভর করবে শিল্পখাতের প্রস্তুতির ওপর

দেশে বর্তমানে ৪৪০টিরও বেশি স্থানে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আরও সম্প্রসারণের জন্য অবকাঠামো শক্তিশালী করার কাজও চলছে। তবে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও উৎপাদন খাতসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর প্রস্তুতির ওপর পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবা চালুর বিষয়টি নির্ভর করবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৫জি ইকোসিস্টেম ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত খাতগুলো চিহ্নিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, স্পেকট্রাম পরিকল্পনা, ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধির কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক পর্যায়ে ৫জি সেবা চালুর প্রক্রিয়া এখনও চলমান। তবে ইতোমধ্যে আবাসিক ও শিল্প এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সীমিত আকারে ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে। রাজধানীর আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও রেস্তোরাঁসহ প্রায় ৪০টি স্থান বর্তমানে ৫জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকার বাইরে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটের ৪শ’টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানও সীমিত পরিসরের ৫জি সেবা চালু হয়েছে। সংসদের সর্বশেষ অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা জানান। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ এগিয়ে চললেও ৫জি প্রযুক্তির পূর্ণ সুফল পেতে যেসব খাত এ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, সেসব খাতের প্রস্তুতিও জরুরি।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের বাস্তবতায় কোন কোন শিল্পখাত ৫জি প্রযুক্তি ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, তা নির্ধারণেও কাজ চলছে।

দেশের প্রস্তুতি কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ট্রান্সমিশন অবকাঠামো শক্তিশালী করা। ‘৫জি সক্ষমতার জন্য বিটিসিএল অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় নিরবচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন সেবা নিশ্চিত করতে দেশের ৬৪ জেলা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলাকে ব্যাকআপ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের (ওএফসি) মাধ্যমে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে জেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে উপজেলায় উচ্চগতির ব্যান্ডউইথ সরবরাহের জন্য এএসওএন (অটোমেটিক্যালি সুইচড অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক)-সক্ষম ডিডব্লিউডিএম সরঞ্জাম স্থাপন করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর এলাকাতেও ব্যাকআপ সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, অপটিক্যাল ফাইবার ও যন্ত্রপাতি স্থাপনের প্রায় ৭৯ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ভবিষ্যতে ৫জি সম্প্রসারণের জন্য আরও শক্তিশালী ট্রান্সমিশন অবকাঠামো গড়ে উঠবে।

প্রযুক্তিটির বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছে। মোবাইল অপারেটরদের প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। ৫জি সেবার জন্য ২.৩ গিগাহার্টজ ও ২.৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ৫জি সম্প্রসারণ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত স্পেকট্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি) একটি স্পেকট্রাম রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। সে অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ৩.৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে নতুন স্পেকট্রাম উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা প্রদান ও মান উন্নয়নেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার গ্রাহকবান্ধব ইন্টারনেট শুল্ক চালু করেছে এবং ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে ইন্টারনেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবার মান নিশ্চিত করতে কোয়ালিটি অব সার্ভিস ও এক্সপেরিয়েন্সের মানদণ্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে সেবামান ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে।

প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যতের ৫জি সেবার প্রস্তুতির লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৪২০টি স্থানে উচ্চগতির ৪জি সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, টেলিটক ইতোমধ্যে ভয়েস ওভার ওয়াইফাই (ভিওওয়াইফাই), ভয়েস ওভার এলটিই (ভিওএলটিই) চালু করেছে এবং সীমিতসংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য চারটি স্থানে পাইলট ৫জি সেবা চালু করেছে। চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডেটার গতি বাড়াতে ও নেটওয়ার্কের আওতা সম্প্রসারণে বৈদেশিক সহায়তায় আরও দুটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার নতুন ৪জি সাইট এবং ১ হাজার ৬০০টি ৫জি সক্ষম সাইট স্থাপন করা হবে। এতে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা ও কভারেজ আরও উন্নত হবে।

স্থলভিত্তিক অবকাঠামোর পাশাপাশি ৫জি সেবার ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক সংযোগ ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) বর্তমানে সি-মি-উই ৪ এবং সি-মি-উই ৫ সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করছে।

দুটি ব্যবস্থার সম্মিলিত সক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ২২০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ৯৯.৯৯৯ শতাংশ নেটওয়ার্ক নির্ভরযোগ্যতা বজায় রেখে দেশে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ১০০ জিবিপিএস সরবরাহ করা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইথ চাহিদা পূরণে সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামের আওতায় দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে।

চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্পটি শেষ হলে আরও ৩০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যুক্ত হবে। এতে বাংলাদেশের মোট আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা প্রায় ৩৮ হাজার জিবিপিএসে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে দেশে ব্যাপক পরিসরে ৫জি সেবা চালুর ক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। সামগ্রিকভাবে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাংলাদেশ সীমিত পরীক্ষামূলক পর্যায় পেরিয়ে ব্যাপকভিত্তিক ৫জি গ্রহণের ভিত্তি নির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবায় উত্তরণ ক্যাবল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও স্পেকট্রাম প্রাপ্যতার ওপর নয়, বরং মূল শিল্পখাতগুলো এই প্রযুক্তি কার্যকরভাবে ব্যবহারে কতটা প্রস্তুত তার ওপরও নির্ভর করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%