শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের জন্য নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম বা ঠিকানায় ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে সংশোধনের প্রকারভেদ এবং ভুলের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই আবেদন করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট নথি প্রস্তুত রাখা প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে পারে।
নাম সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
এনআইডিতে নামের বানান বা আংশিক সংশোধনের জন্য সাধারণত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ এবং নামের সঠিকতা প্রমাণের জন্য অন্যান্য উপযুক্ত নথি জমা দিতে হতে পারে। প্রয়োজনে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিবাহিত ব্যক্তিদের জন্য কাবিননামা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডির অনুলিপিও প্রদান করা যেতে পারে।
সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের জন্য এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের কপি প্রয়োজন হতে পারে। এই ধরনের আবেদনে মূল কাগজপত্র প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণের নির্দেশনাও থাকতে পারে।
বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য যেসব নথি প্রয়োজন
এনআইডিতে বাবা বা মায়ের নামের বানান, পদবি বা সম্পূর্ণ নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষাগত সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ, বাবা-মায়ের এনআইডির অনুলিপি এবং নাগরিকত্ব বা চাকরিসংক্রান্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হতে পারে।
বাবা-মায়ের নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদ অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড, বাবা-মায়ের এনআইডির সত্যায়িত অনুলিপি এবং অন্যান্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র প্রয়োজন হতে পারে। বাবা-মা মারা গেলে ভাই-বোনদের এনআইডির অনুলিপিও চাওয়া হতে পারে।
জন্মতারিখ সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথি ভিন্ন হতে পারে।
এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের সাধারণত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হয়। বয়সের ব্যবধান অস্বাভাবিক মনে হলে মূল সনদ প্রদর্শন অথবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।
এসএসসি বা সমমানের নিচে শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এনআইডি ইস্যুর পূর্বের তারিখের সার্ভিস বুক, এমপিওর কপি, জন্মনিবন্ধন সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা নিকাহনামার মতো নথি চাওয়া হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে সিভিল সার্জনের বয়স নির্ধারণসংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ অতিরিক্ত প্রমাণপত্রও জমা দিতে হতে পারে।
ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
এনআইডিতে স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা সংশোধনের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ, বিদ্যুৎ, গ্যাস বা টেলিফোন বিল, পৌরকর বা চৌকিদারি করের রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে ঠিকানা সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। তবে ভোটার এলাকা পরিবর্তন না করে ঠিকানার নম্বর বা বানান সংশোধনের জন্যও আবেদন করা যায়।
এ ক্ষেত্রে পরিবারের কোনো সদস্যের এনআইডির অনুলিপি এবং ঠিকানার সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি চাওয়া হতে পারে।
আবেদনের আগে যা মনে রাখবেন
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশোধনের প্রকারভেদ এবং জমা দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে। জটিল বা বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শুনানি অথবা সরেজমিন তদন্তও হতে পারে।
অতএব, আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস বা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা থেকে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি একসময় ভারতীয় জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন এই লেগ স্পিনার। মাঠে হাসিখুশি স্বভাবের জন্য পরিচিত চাহাল ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছেন। তার মদ্যপানের অভ্যাস বেড়ে গিয়েছিল বিবাহবিচ্ছেদের পর। সেই সময় প্যানিক অ্যাটাকও দেখা দিয়েছিল। পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে তাকে শেষ পর্যন্ত ২৬ দিন পুনর্বাসন কেন্দ্রে (রিহ্যাব) থাকতে হয়েছে।
সম্প্রতি সাবেক ভারতীয় ওপেনার আকাশ চোপড়ার পডকাস্টে চাহাল তার জীবনের সেই কঠিন অধ্যায় নিয়ে কথা বলেছেন।
আইপিএলে ১৮৮ ম্যাচে ২৩৩ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন এই ভারতীয় স্পিনার। জাতীয় দলের হয়ে ৭২টি ওয়ানডেতে ১২১টি এবং ৮০টি টি-টোয়েন্টিতে ৯৬টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। তবে ৩৬ বছর বয়সি এই ক্রিকেটারের এখনো টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি।
পডকাস্টে আকাশ চোপড়া চাহালের ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় সম্পর্কে জানতে চান। চাহাল জানান, সেই সময়ে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন। মদ্যপানের অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত বছর কাউন্টি ক্রিকেট খেলার পর বিষয়টা সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তাই আমি একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি হই এবং সেখানে ২৬ দিন থাকি।’
রিহ্যাবে থাকার সিদ্ধান্ত তার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে বলেও জানান চাহাল। তার ভাষায়, ‘এখন আমি জানি কীভাবে পরিস্থিতি সামলে নিতে হয়। ওই সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত জীবনে বড় পরিবর্তন এনেছে। আমার পরিপক্বতা বেড়েছে, আবেগ এখন ভারসাম্যপূর্ণ। গত আইপিএলে আমার শরীরকে আবার ৩০ বছর বয়সের মতো মনে হচ্ছিল। নিয়মিত জিম, ফিল্ডিং অনুশীলন ও প্রশিক্ষণ করতে পেরেছি।’
কীভাবে মদ্যপানের অভ্যাস বেড়ে গিয়েছিল, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন চাহাল। তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তরুণ বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করতেন। ২০১১ সালে প্রথমবার আইপিএলে খেলার সুযোগ পান তিনি। সে সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা এবি ডি ভিলিয়ার্সের কাছ থেকে জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কেও পরামর্শ পেয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে চাহাল বলেন, ‘শুরুতে আমি তরুণ ছিলাম। পার্টি হতো। ২০১১ সালে প্রথম আইপিএল খেলি। একবার এবি ডি ভিলিয়ার্স আমাকে বলেছিল, জীবনে ভারসাম্যই মূল বিষয়। কথাটা শুনতে সহজ, কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
বিবাহবিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে জানান চাহাল। মানসিকভাবেও ভালো অবস্থায় ছিলেন না তিনি। একপর্যায়ে উপলব্ধি করেন, এভাবে চলতে থাকলে ক্রিকেট ক্যারিয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এরপরই মদ্যপান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
চাহাল বলেন, ‘বিবাহবিচ্ছেদের পর বিষয়টা অতিরিক্ত পর্যায়ে চলে যায়। আমার মানসিক অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। বুঝতে পারি, এভাবে চলতে থাকলে যে জিনিসটাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি (ক্রিকেট), সেটাই নষ্ট করে ফেলব। তাই থামার সিদ্ধান্ত নিই। এখন আমি অনেক বেশি সুখী এবং ভালো অবস্থায় আছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যাচের ৩৪ মিনিটে, সতীর্থ মনিশ ডাঙ্গির দুর্দান্ত পাস থেকে গোলের সুযোগ পান রবসন রবিনহো। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের সামনে তখন সিটি ক্লাবের গোলরক্ষক ইসহাক আলি উপস্থিত ছিলেন। তিনি ডান পায়ে দারুণ এক শট নেন।
কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে রবসনের শট ডান পায়ে সেভ করেন ইসহাক। ৫ মিনিট পর আরেকটি শট তিনি প্রতিহত করেন। তবে এবারের শটে বসুন্ধরা কিংসের ফরোয়ার্ড কাঈকির শটের তেমন পাওয়ার ছিল না। সিটি ক্লাব সরাসরি হাতে গ্রিপ করেন।
ইসহাকের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে প্রথমার্ধে গোল হজম করতে হয়নি সিটি ক্লাবকে। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বসুন্ধরা কিংসের জয় আটকাতে পারেননি ইসহাক। সর্বশেষ ম্যাচে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ৭-০ গোলে পরাজিত করার পর, আজ বসুন্ধরা সিটিকে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে দুটি গোল করেছেন রবসন, এমেকা অগবুর্গ এবং সৈয়দ কাজেম কিরমানি শাহ।
গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও বিরতির পরপরই আনন্দে মেতে ওঠে বসুন্ধরা কিংস। রবসন ছিলেন এই উপলক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দু। ৪৯ মিনিটে সতীর্থের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান খেলে বক্সের মধ্যে প্রবেশ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এরপর তিনি ডান পায়ে সিটি ক্লাবের গোলরক্ষককে ঠান্ডা মাথায় পরাস্ত করেন।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া সিটি ৬৯ মিনিটে একটি সুযোগ পায়। তবে শায়েক দোস্তরের হেড দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বিপরীতে, ৭১ মিনিটে বক্সের মধ্যে এমেকাকে ফাউল করে বসে সিটির এক খেলোয়াড়। সফল স্পটকিকের মাধ্যমে বসুন্ধরা কিংসকে ২-০ লিড এনে দেন এমেকা।
যোগ করা সময়ে সিটির জালে শেষ পেরেক মারেন রবসনের বদলি নামা কাজেম শাহ। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে তার করা গোলটি ছিল দেখার মতো। বক্সের কাছাকাছি থেকে মাটি কামড়ানো এক শট নেন কাজেম। গোলরক্ষক শুধু ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সুযোগ পান।
পরে রেফারি শেষ বাঁশি বাজালে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল লিগে নাম লেখানো সিটি ক্লাবের জয়রথ থামে। কারণ লিগের প্রথম তিন ম্যাচের কোনোটিতেই তারা হারেনি। দুই জয়ের বিপরীতে ছিল এক ড্র। অন্যদিকে, বসুন্ধরার জয়রথ অব্যাহত রয়েছে। তিন ম্যাচে তারা অপরাজিত। মৌসুম শুরু করেছিল আরামবাগের বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র দিয়ে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে অবস্থান করছে বসুন্ধরা কিংস। ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ ও মোহামেডান।
মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ তপন স্টেডিয়ামে পিডব্লিউডিকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বাংলাদেশ পুলিশকে ধরে ফেলেছে মোহামেডান। পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানের কারণে দুইয়ে রয়েছে সাদাকালোরা।
জয়ের দুটি গোলই দ্বিতীয়ার্ধে এসেছে মোহামেডানের। ৪৬ মিনিটে প্রথম গোল করেন সুলেয়মান দিয়াবাতে। এমানুয়েল সানডের ক্রসে হেড থেকে তিনি গোলটি করেন। ৭৮ মিনিটের গোলটিও আসে হেডে। এবারের নায়ক বদলি নামা মোহাম্মদ রাকিব। এর ফলে টানা তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় পায় মোহামেডান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় মো. কাউছার আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিহত কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা এবং স্থানীয় নেতা কবিরের ছোট ভাই হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ছত্রখিল এলাকায় অবস্থানকালে কাউছারের ওপর দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোক ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
তবে কাউছারকে কেন হত্যা করা হয়েছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
কাউছার হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের অপেক্ষায় স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামরিক শক্তির প্রদর্শন করে স্থায়ী শান্তি কখনো অর্জন করা সম্ভব নয়—এই সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইসরাইলকে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং তাদের জমি কেড়ে নেওয়ার কারণে ইসরাইল তার নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে।
সম্প্রতি উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানসূচক ডিগ্রি গ্রহণের সময়, ওবামা এক অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত সাংবাদিক সুসান ম্যাককের সঙ্গে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "গাজার এই ধ্বংসযজ্ঞ এবং রক্তপাত যেকোনো মানুষের হৃদয়ে ব্যথা সৃষ্টি করবে।" বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা ক্ষোভের ফলস্বরূপ বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
ইউরোপে ইহুদিদের নিপীড়নের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবামা বলেন, "নিজেদের জমি হারিয়ে ফিলিস্তিনিরাও কম অন্যায়ের শিকার হয়নি।" তিনি উল্লেখ করেন, ইসরাইল সাধারণ মানুষের জমি দখল করেছে এবং শক্তির অপব্যবহার করছে। তাই ফিলিস্তিনিদের নিজেদের হারানো জমি ফেরত পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করা একেবারেই স্বাভাবিক।
ওবামা আরও বলেন, প্রযুক্তিতে অগ্রসর হওয়া কিংবা সামরিক শক্তিতে বলীয়ান হওয়া সবকিছু নয়। তিনি বলেন, "আমরা শক্তিশালী তাই যা খুশি তা-ই করব, কাউকে ছাড় দেব না"—এমন চিন্তাভাবনা ইসরাইল সরকারের সাময়িক লাভ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তাদের নৈতিক অবস্থানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
বর্তমান ইসরাইলি সরকারকে বাস্তবমুখী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ওবামা স্পষ্টভাবে জানান, প্রায় ৭০ লাখ ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ড ছেড়ে কোথাও যাবে না। তিনি বলেন, "নিজেদের যা মেনে নেওয়া অসম্ভব, তা ফিলিস্তিনিদের ওপর জোর করে চাপিয়ে দিয়ে কখনোই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।"
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ