বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৩:০৭ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সঙ্গীত, চারুকলা ও নাট্যকলাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ প্রয়োজন। আর এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয়।
আজ সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ আয়োজিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নিয়ে সৃষ্ট আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো বিতর্কের বিষয় নয়, বরং এটি শিশুদের সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, আত্মপ্রকাশ ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তিনি আরো বলেন, সঙ্গীত, সাহিত্য, আবৃত্তি, নাটক, চিত্রকলা কিংবা কেরাত সবই শিশুদের আত্মপ্রকাশের সমান সুযোগ তৈরি করে। কোনো শিক্ষার্থী কোন মাধ্যমে নিজেকে বিকশিত করবে, সেটি সম্পূর্ণ তার ও তার পরিবারের পছন্দের বিষয়।
ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই শিক্ষার আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সরাসরি সুযোগ পাবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা চাই সঙ্গীত, নাটক ও চারুকলার শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে শিশুদের এই মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখুক।’
তিনি এ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি না করে, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশের স্বার্থে সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় শক্তিশালী দু’টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের মধ্যে হওয়া এই দুই ভূমিকম্পের কারণে ধসে পড়েছে বহু ভবন। বর্তমানে আশঙ্কা করা হচ্ছে বহু মানুষের প্রাণহানিরও। জানা গেছে, ভূমিকম্পটির আঘাত হানার পর ভেনেজুয়েলায় ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিবিসিতে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, যেখানে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফ্যালকন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জানা যায়, প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর, আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প ঘটে, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল, বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসসহ অন্যান্য শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন। এই অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য, কর্তৃপক্ষ রাজধানী কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস স্থগিত করেছে এবং জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের মোতায়েন করেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, 'ভূমিকম্পের ঘটনায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।' মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা 'ভয়াবহ'।
১৮২১ সালের কারাবোবোর যুদ্ধের স্মরণে জাতীয় ছুটি উদযাপনের সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬:০৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানে।
পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ভেনেজুয়েলার সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে দেশটির অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আহতদের চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য অবিলম্বে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবেশী কলম্বিয়ার বোগোটা থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা তেরেসা বো জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কারাকাসে, বিশেষ করে আলতামিরা জেলায়। এখানে জরুরি সেবাকর্মীরা একটি ২২তলা ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধার করেছেন। কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনও মূল্যায়ন করছে বলে জানিয়েছে।
রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ এখনও নিহত ও আহতদের বয়স, লিঙ্গ বা অবস্থান ভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকার কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।
কারাকাসের আলতামিরা ও এল প্যারাইসো এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া লা গুইরা এবং মধ্য ভেনেজুয়েলার অন্যান্য এলাকাতেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ইউএসজিএস জানিয়েছে যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক ভবনই অপরিবর্ধিত ইটের গাঁথুনি ও অ্যাডোবি (কাদামাটি ও খড়ের মিশ্রণে তৈরি) উপকরণ দিয়ে নির্মিত, যা শক্তিশালী ভূমিকম্পে সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
সংস্থাটির সবশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার থেকে ১০ হাজারে পৌঁছানোর আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ এবং ১০ হাজার থেকে ১ লাখে পৌঁছানোর আশঙ্কা ৩৭ শতাংশ। তবে এগুলো জরুরি পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির জন্য ব্যবহৃত পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস, নিশ্চিত হতাহতের সংখ্যা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জাহাজ মালিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে যে, তেহরানের সাথে সমন্বয় না করে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে যেকোনো নতুন ট্রানজিট রুট ‘অগ্রহণযোগ্য ও বিপজ্জনক’ হতে পারে। এই সতর্কবার্তায় তারা নির্দেশনা অমান্যকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুমকিও দিয়েছে।
এই কঠোর সতর্কবার্তাটি হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইরানের অনুমোদন ছাড়া যেকোনো নৌযান চলাচলকে প্রতিহত করার বিষয়ে তেহরানের দৃঢ় সংকল্পকে স্পষ্টীকরণ করে।
এর ফলে একটি দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তাও সৃষ্ট হয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পথটি পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র ইরান কর্তৃক নির্ধারিত নৌপথ দিয়েই যাতায়াতের অনুমতি রয়েছে এবং নির্ধারিত যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমে ইরানি বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক।
প্রতিবেদন অনুসারে, আইআরজিসি নৌবাহিনী বলেছে, ‘এই পথগুলোর বাইরে চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক ও নিষিদ্ধ। আমরা সকল জাহাজকে নির্ধারিত করিডোরের বাইরে যেকোনো ধরনের চলাচল কঠোরভাবে পরিহার করার জন্য সতর্ক করছি।’
এই সতর্কবার্তাটি এমন একটি সময়ে প্রদান করা হলো যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌ-তথ্য গোষ্ঠী বিকল্প জাহাজ চলাচলের পথের প্রস্তাব করেছে। উক্ত গোষ্ঠীটি জাহাজ মালিকদের তাদের ট্রান্সপন্ডার সংকেত চালু রেখে দক্ষিণের পথ দিয়ে প্রণালীটি অতিক্রম করার বিষয়ে বিবেচনা করতে বলেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ওমানের (আঞ্চলিক জলসীমা) বরাবর দক্ষিণের ট্রানজিট রুটটি মাইনমুক্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এটি সঠিক পথ।’
এদিকে, জাহাজ-ট্র্যাকিং ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেরিনট্র্যাফিকের তথ্য অনুসারে, পূর্ববর্তী একই সময়ের তুলনায় গত সপ্তাহান্তে জাহাজ চলাচল তিনগুণ বেড়ে ৯৩-এ দাঁড়িয়েছে, কিন্তু তা যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় অনেক কম, যখন প্রতিদিন ১০০টিরও বেশি জাহাজ এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতো।
সূত্র: ডন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা এবং অধিকার সংরক্ষণ ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণের দাবি নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২৪ জুন) তারিখে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর হাতে এ স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন সংগঠনটির মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. আলমগীর শিকদার।
স্মারকলিপিতে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয় এবং সেগুলোর দ্রুত সমাধানের জন্য বর্তমান সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়।
এতে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে মালদ্বীপীয় রুফিয়ায় দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণের সুবিধা সম্প্রসারণ, দেশটিতে বাংলাদেশি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা বা প্রতিনিধি কার্যালয় স্থাপন, পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন ফি মালদ্বীপীয় রুফিয়ায় গ্রহণের ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের তাদের নিজ নামে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া মালদ্বীপের শ্রমবাজার পূর্ণাঙ্গভাবে পুনরায় চালু করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো, চুক্তি অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা পাশাপাশি আটক, নির্যাতিত ও বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের দ্রুত আইনি সহায়তা ও প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মালদ্বীপ প্রবাসীদের এসব যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়িত হলে তাদের জীবনমানের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে প্রবাসীবান্ধব নীতি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও মর্যাদা আরও সুসংহত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ সরকারের সদয় দৃষ্টি ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভুইঞা। তিনি বলেছেন, কিছু প্রক্রিয়া এখনও বাকি রয়েছে। এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হলে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার দ্বৈত বেঞ্চ স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের পর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফৌজদারি আইনে পারদর্শী এই আইনজীবী এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াই চালাবেন।
গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করেন সোহেল রানা। এই অপরাধে তাকে সহায়তা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। চলতি মাসের ৭ জুন, অপরাধের গভীরতা বিবেচনা করে, দুজনকেই মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ের পর দুই আসামিকে কনডেম সেলে পাঠানো হয়েছে। কনডেম সেল থেকে তারা রায়ের বিরুদ্ধে জেলাপোল আপিল করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ