রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে আড়াই হাজার লিটার ভেজাল দুধ জব্দ ও বিনষ্ট করেছে। এ সময় জুই ডেইরি ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া এলাকায় অবস্থিত ওই ডেইরি ফার্মে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: মাহমুদ হাসান রনি। তিনি জানান, জুই ডেইরি ফার্মে দুধের পরিমাণ ও ঘনত্ব কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করার জন্য জেলিজাতীয় পদার্থ এবং দীর্ঘ সময় তা সতেজ রাখার উদ্দেশ্যে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মেশানো হচ্ছিল। অভিযানে দুই ব্যারেল ক্ষতিকর জেলিজাতীয় পদার্থ এবং প্রায় ২,৫০০ লিটার ভেজাল দুধ জব্দ করে স্পটেই বিনষ্ট করা হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২, ৪৩ ও ৪৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধ স্বীকার করায় প্রতিষ্ঠানের মালিক মো: মানিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনাকালে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব মোঃ মাহমুদ আলম এবং আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজাল ও নকল খাদ্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সাথে যেকোনো ভেজাল পণ্যের সন্ধান পেলে জাতীয় হটলাইন নম্বরে জানানোর জন্য সাধারণ ভোক্তাদের আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলিজাতীয় পদার্থ ও হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মিশ্রিত দুধ গ্রহণ বিশেষ করে শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহ, লিভার ও কিডনির ক্ষতি এবং পুষ্টিহীনতার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবাইকে নিজ নিজ কর্মস্থল ও বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি দেশজুড়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ অথবা অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন থেকেই সবাইকে নিজ নিজ কর্মস্থল, বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাতে হবে।
আজ (রোববার) বিকেলে জাতীয় সংসদের জেনারেল ওসমানী গেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, বিগত তিন-চার বছরের তথ্য-উপাত্ত এবং এপিডেমিওলজিক্যাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, বৃষ্টির ধরন, উষ্ণ তাপমাত্রা ও সার্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই সাধারণত ডেঙ্গুর পিক টাইম আসে। তাই এখনই প্রতিরোধ জোরদার না করলে আগামী মাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস, গার্লস গাইডসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে দু-এক দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন শুরু করা হবে। বিশেষ করে ঢাকা শহরের অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে কর্মীদের প্রবেশে সীমাবদ্ধতা থাকায় অ্যাপার্টমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও নাগরিকদের ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হতে হবে।
পুলিশিং বা শাস্তির চেয়ে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধকরণে জোর দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর মতো সংক্রামক ব্যাধি শুধু নজরদারি করে নির্মূল করা যায় না। এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রতিটি নাগরিককে নিজ থেকেই স্বাস্থ্যকর্মী হয়ে উঠতে হবে।
হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে রোগী বাড়লেও যাতে সংকট না হয়, সেজন্য বিশেষ প্রস্তুতি রয়েছে।
বর্তমানে কোনো শয্যাসংকট নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্ভাব্য চাপ সামলাতে সোমবার সব সিভিল সার্জনের সঙ্গে জুম বৈঠক করে অতিরিক্ত বেড প্রস্তুত রাখা, পর্যাপ্ত স্যালাইন এবং টেস্ট কিটের মজুত নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে সোসাইটি অব মেডিসিনের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ চিকিৎসককে ডেঙ্গুর স্ট্যান্ডার্ড ম্যানেজমেন্টের ওপর রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালগুলোর ভেতরে যেন ডেঙ্গু না ছড়ায়, সেজন্য পর্যাপ্ত মশারি বিতরণ এবং আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গত কয়েক বছরের মৃত্যুর পরিসংখ্যান উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই অত্যন্ত স্পর্শকাতর, এ বিবেচনায় নিয়ে সরকার এবার এক মাস আগে থেকেই সমন্বিত পদক্ষেপ জোরদার করছে।
মশক নিধন প্রসঙ্গে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুই মাস আগে থেকেই সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
এ সময়ে তিনি আতঙ্কিত না হয়ে রোগ প্রতিরোধে সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রচার করতে গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতাও কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৬৮৭টি মামলা দায়ের করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
গতকাল শনিবার দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বিভাগীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী :
ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৭টি বাস, ১টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ৯টি সিএনজি ও ৩৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৫টি মামলা।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৯টি বাস, ৯টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১২টি সিএনজি ও ৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬টি মামলা।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৫টি বাস ও ১১৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি মামলা।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৩টি বাস, ৩২টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি ও ৯২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭১টি মামলা।
ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১টি বাস, ১টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৬৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৭টি মামলা।
ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১২টি বাস, ১০টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৩৩টি সিএনজি ও ১৭৭টি মোটরসাইকেলসহ সর্বোচ্চ ৩১৬টি মামলা।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৮টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩২টি সিএনজি ও ১১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৩টি মামলা।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪০টি বাস, ১টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ২১টি সিএনজি ও ৩৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫০টি মামলা।
এ ছাড়া অভিযান পরিচালনাকালে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় মোট ৪২০টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ৩০৩টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকার ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ডিএমপির এই বিশেষ ট্রাফিক অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মমতাময়ী মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।এর আগে গুলশানের আজাদ মসজিদে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে ফরিদা বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৪ বছর।
তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মরহুমার বড় ছেলে এবং রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, "১৫ বছর বয়সে বাবা হারিয়েছি, সেই সময় থেকে মা-ই আমাদের অভিভাবক ছিলেন। আমরা চার ভাই এখানে উপস্থিত আছি।"
"উনার জন্যই আমরা চার ভাই একসঙ্গে আছি। তিনি হজ পালন করেছেন। ওমরাহও করেছেন। মহান আল্লাহ যেন উনার জীবনের গুনাহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।"
মায়ের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল বলেন, "যেখানেই থাকতাম, প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম।"
"তিনি আমাকে আদর দিতেন, চুমু দিতেন। আজ তিনি আমাদের মধ্যে নেই। আমার মায়ের কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করে দেবেন।"
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, "মহান আল্লাহ যেন আমার মাকে মাফ করে বেহেশত নসিব করেন, সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।" মায়ের সব পাওনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, মরহুমার দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।
ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপ ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তার মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন। তা ছাড়া ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউসিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সসহ (অ্যাটকো) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।
ফরিদা বেগমের জানাজায় শরিক হয়ে সমবেদনা জানান দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, স্থপতি রফিক আজম, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, অভিনেতা নাদের চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। জানাজায় রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে প্রেরণের সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ পরীক্ষাপূর্বক রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তাদের মূল্যবান মতামত প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতার জন্য সভাপতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেইসাথে বিলের কাজে সম্পৃক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরসমূহের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ