১১:২৫ পি.এম
বিহারের আররিয়া জেলার জোকিহাটের ডিজিটাল সাংবাদিক মোঈদ আলমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার নির্ধারিত দাম ২৬৬ টাকার পরিবর্তে ৪০০ টাকায় বিক্রি করার বিষয়টি তুলে ধরার পর এই ঘটনা ঘটে।
তবে ঘটনার মোড় পরিবর্তিত হয় ব্যবসায়ী পীযূষ আগরওয়ালের পাল্টা অভিযোগের কারণে। আগরওয়ালের দাবি, মোঈদ আলম তাঁর কাছে ১২ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেছেন এবং তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন।
জানা যায়, জোকিহাট এলাকায় নির্ধারিত মূল্য ২৬৬ টাকার সার ৪০০ টাকায় বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন সাংবাদিক মোঈদ আলম।
আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী
ফোর্বসগঞ্জের 'মেসার্স গণেশ ট্রেডিং'-এর স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী পীযূষ আগরওয়াল অভিযোগ করেন, গত ১২ অক্টোবর মোঈদ আলম তাঁর দোকানে আসেন এবং সারের পিওএস মেশিন নিয়ে তথ্য চান। সে সময় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে গালিগালাজ করেন এবং দোকানের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেন।
ব্যবসায়ী আগরওয়ালের দাবি, পরবর্তীতে মোঈদ আলম আবার তাঁর দোকানে গিয়ে ১২ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। মিথ্যা মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় আগরওয়াল পুলিশে নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানান।
ফোর্বসগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার জানান, ব্যবসায়ী আগরওয়ালের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
সারের কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় সাংবাদিক মোঈদ আলমকে জেলে পাঠানোর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই সাংবাদিকের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর অবিলম্বে মুক্তির দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন: নেপালে পর্বতজয়ের পর ৫০০০ ফুট নিচে পড়ে জার্মান পর্বতারোহীর মৃত্যু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন