ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথে নৌবাহিনীতে যুক্ত হলেন ৬১ নবীন কর্মকর্তা


সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথে নৌবাহিনীতে যুক্ত হলেন ৬১ নবীন কর্মকর্তা

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন ৬১ জন নবীন কর্মকর্তা। রোববার চট্টগ্রামের বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে মিডশিপম্যান ২০২৩-বি এবং ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার ২০২৬-এ ব্যাচের গ্রীষ্মকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। কমিশনপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৪ জন মিডশিপম্যান এবং ৭ জন সরাসরি কমিশন্ড অফিসার রয়েছেন। এছাড়া নবীন কর্মকর্তাদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ২ জন বিদেশি কর্মকর্তা রয়েছেন।

কুচকাওয়াজ শেষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পদক তুলে দেন নৌবাহিনী প্রধান। সব বিষয়ে সেরা চৌকশ মিডশিপম্যান হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ অর্জন করা মিডশিপম্যান মো. ইনতিসার ইসলাম ইনান। প্রশিক্ষণে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ‘নৌ প্রধান স্বর্ণপদক’ পান মিডশিপম্যান সাদমান সাকিব পান্থ। অন্যদিকে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্বর্ণপদক’ লাভ করেন অ্যাক্টিং সাব-লেফটেন্যান্ট মো. আবিদ শাহরিয়ার অনু। বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সেরা চৌকশ মিডশিপম্যান হিসেবে ‘বিএনএ আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন জেহাদ এ. এম. সালাহ।

আরও পড়ুন: নিম্নতম মজুরি বোর্ড অচিরেই গঠন হবে: শ্রমমন্ত্রী

পরে নবীন কর্মকর্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শপথ গ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ শেষে নৌবাহিনী প্রধান, অতিথিবৃন্দ ও অভিভাবকরা নবীন কর্মকর্তাদের এপুলেট পরিয়ে দেন।

ভাষণে নৌবাহিনী প্রধান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ কমান্ডোদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সরকারের ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড ও সিএনআরডি দেশীয় প্রযুক্তিতে সামুদ্রিক প্ল্যাটফর্ম ও অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করছে। পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, হেলিকপ্টার, আনম্যানড এয়ারক্রাফটসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকায় শোর-বেইজড সারফেস সার্ভেইলেন্স সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সেন্টার, অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ও জ্যামার স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে।

নৌবাহিনী প্রধান বলেন, সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক সম্পদের নিরাপত্তা, সমুদ্রপথে অপরাধ দমন, দুর্যোগে মানবিক সহায়তা এবং সংকটকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। তিনি নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের প্রয়োজনে সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সংসদ সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

আসামিদের আদালত থেকে কারাগারে নেয়া হয়।

বগুড়ায় আট বছর বয়সী শিশু রিফাত হোসেনকে হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই ঘটনায় অপরাধ সংঘটনের সময় যারা নাবালক ছিল, তাদের মধ্যে আরও পাঁচজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস এলাকার আবুল কালাম আজাদ, সাগর, সেলিম ইসলাম, মেহেদী হাসান ও রাজু ইসলাম (পাঁচফুল) নামে পরিচিত। তাদের মধ্যে সাগর ও সেলিম ইসলাম দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক রয়েছেন।

অপরদিকে, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হিসেবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেন। এই পাঁচজনও খাদাস গ্রামের বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দা।

নিহত রিফাত হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার এনামুল হকের প্রিয় সন্তান। আসামিরা সবাই নিহতের পরিবারের প্রতিবেশী ও পরিচিত ছিলেন। ঘটনার দিন, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই রিফাতকে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ গুম করা হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ১৮ জুলাই শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করেন রিফাতের বাবা এনামুল হক।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এনামুল হক প্রবাস থেকে দেশে ফিরলে প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ তার কাছে বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করতে থাকেন। ঘটনার দিনও তিনি এনামুলের কাছে এক লাখ টাকা ধার চান। তবে এনামুল সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এর পর পরই ওই দিন বিকেল থেকে রিফাত নিখোঁজ হয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে রিফাতের খোঁজখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে থানায় জিডি করেন। তিন দিন পর স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের স্বামীর মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, পাশের পোয়ালগাছা গ্রামের একটি সেতুর নিচে একটি শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে এনামুল হক তার ছেলে রিফাতের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে তিনি শাজাহানপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

আদালত সূত্র আরও জানায়, এই মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তবে আসামি মাসুদ রানা মারা যাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। বিচার চলাকালে অভিযুক্তরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি মো. আলী আসগর। তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ও ৮ ধারার পাশাপাশি হত্যা এবং মরদেহ গুমের অভিযোগও বিচারের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। অপরাধ সংঘটনের সময় যারা বয়স ১৮ বছরের নিচে ছিল, তাদের পাঁচজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যদিও বর্তমানে তাদের বয়স প্রায় ২৬ বছর হয়েছে। অপরদিকে, অপরাধের সময় যারা প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন, তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার: আইনমন্ত্রী

এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলোর জন্য একটি কমিটি কাজ করছে। রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রবিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। এর ফলে সারাদেশে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে, তা নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

তবে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ১১/০১/২০২৫ পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামে কতটি মামলা দায়ের হয়েছে, সে সম্পর্কিত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ০৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে একটি ৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। মামলার প্রত্যাহারের আবেদনপত্র, এজাহার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে উক্ত কমিটি মামলাগুলোকে রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে, এমন ধারাবাহিকতা অনুযায়ী সরকারের কাছে সুপারিশ করবে যে মামলা পালন করা রাষ্ট্রের ক্ষতি করবে।

জেলা কমিটির কাছে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহার কার্যক্রম গ্রহণ করতে ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আইন মন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ০৬ সদস্য বিশিষ্ট 'কেন্দ্রীয় কমিটি' গঠন করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমানে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলোর উপর কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ৯ কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ৯ কিশোর

 

ফেনীর দাগনভূঞায় টানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল উপহার পেয়েছে ৯ শিশু-কিশোর। একইসঙ্গে ১০টি সূরা মুখস্থ ও মাসালা মাসায়েল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৪১ জন পেয়েছে শিক্ষা উপকরণ ও ইসলামিক বই।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ওমরাবাদ গ্রামে আলোর মশালের আয়োজনে তাদের পুরস্কারস্বরূপ বাইসাইকেল প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন দাগনভূঞা-সোনাগাজী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহীদ উল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হারুন, ওমরাবাদ সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি নুরুল আফসার, আইআইইউসির প্রভাষক আহমদ শাহ মাসুদ সাইফুল, পূর্ব চন্দ্রপুর উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ফখরুল ইসলাম, আমুভূঞারহাট হাসানিয়া দাখিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আবদুল ওহাব।

বেতুয়া দাখিল মাদরাসার সহ-সুপার মাওলানা মনির হোসেনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন বীকন মডেল কলেজের প্রভাষক ও ওমরাবাদ সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল-মামুন, যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ নাসির উদ্দিন, সংস্থার সদস্য ডা. শাহজাহান, সমাজসেবক মনিরুল আজিম। আলোর মশালের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক রাফি প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোররা যাতে মসজিদে যেতে অভ্যস্ত হয়, নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং আল্লাহর পরিচয় লাভ ও সমাজে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করতে আলোর মশাল এ আয়োজন করে। এতে নামাজ পড়া প্রতিযোগিতায় তিনটি মসজিদের মোট ৪১ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়।

তার মধ্যে টানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় ৯ জন শিশু-কিশোরকে সাইকেল উপহার দেওয়া হয়। ৪১ জনকে স্কুলব্যাগসহ শিক্ষাসামগ্রী ও বই প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও উপহার তুলে দেন অতিথিরা।

আলোর মশালের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ঘোষণার পর থেকে শিশু-কিশোররা মসজিদে নিয়মিত জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় শুরু করে। পাশাপাশি প্রাথমিক সূরাগুলো অর্থসহ মুখস্থ করানো হয়েছে।

একটানা ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রত্যেককে একটি করে সাইকেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব শিশুকে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা সামগ্রী ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর বহাল থাকছে: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর বহাল থাকছে: প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

রবিবার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ১১তম দিনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিসিএস পরীক্ষার ভাইভা প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বর ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর বহাল থাকবে।

মন্ত্রী সংসদকে জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপনের (এস.আর.ও. নং ৪১২-আই/২০২৪) মাধ্যমে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপনের বিধি ১৮-এর উপ-বিধি (১)-এর টেবিল অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষার এই নম্বর পরিমার্জন করা হয়। চলমান ৪৭তম বিসিএস থেকেই ১০০ নম্বরের এই নতুন নিয়মে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো জানান, বিশেষ বিসিএস হিসেবে পরিচিত ৪৮তম ও ৪৯তম বিসিএসেও ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এটি মূলত ২০২৫ সালের ২৭ মে প্রকাশিত সংশোধিত বিধিমালা ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪’-এর বিশেষ বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছিল। আসন্ন ৫০তম বিসিএস এবং এর পরবর্তী সব বিসিএস পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল থাকবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিসিএস পরীক্ষা আরো স্বচ্ছ, গতিশীল ও বৈষম্যহীন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%