প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলোর জন্য একটি কমিটি কাজ করছে। রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রবিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। এর ফলে সারাদেশে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে, তা নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।
তবে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ১১/০১/২০২৫ পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামে কতটি মামলা দায়ের হয়েছে, সে সম্পর্কিত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ০৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে একটি ৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। মামলার প্রত্যাহারের আবেদনপত্র, এজাহার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে উক্ত কমিটি মামলাগুলোকে রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে, এমন ধারাবাহিকতা অনুযায়ী সরকারের কাছে সুপারিশ করবে যে মামলা পালন করা রাষ্ট্রের ক্ষতি করবে।
জেলা কমিটির কাছে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহার কার্যক্রম গ্রহণ করতে ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আইন মন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ০৬ সদস্য বিশিষ্ট 'কেন্দ্রীয় কমিটি' গঠন করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমানে রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলোর উপর কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন