আহমেদ আক্তার রানা প্রতিনিধি কুলাউড়া উপজেলা
০৪:৩৪ পি.এম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের ছৈদলবাজার এলাকাবাসীর উদ্যোগে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে সংবর্ধনা প্রদান করা
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ছৈদলবাজারে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ কুলাউড়ার সার্বিক উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, গত চার মাসে কুলাউড়ায় যে পরিমাণ উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, অতীতে কোনো সংসদ সদস্যের সময় এত ব্যাপক উন্নয়ন হয়নি।
এ সময় রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি এনসিপির নেতা নাসির উদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ তুলে তাকে “বাটপার” বলে উল্লেখ করে বলেন, নাকে টিপ দিলে দুধ বের হয় মীরজাফরের মতো একটা গালিতে পরিণত হবে পাটোয়ারীর, সে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু,
সাবেক আহ্বায়ক রেদোয়ান খান, সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির মনু,সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুরা গ্রামে স্বামীর সামনে স্ত্রীর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুরা গ্রামের আজিজ ঢালীর বাগানে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার পর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন— আচুরা গ্রামের মো. রাব্বি (২৮), পালং উপজেলার আটিপাড়া এলাকার হযরত আলী খন্দকার (৪২) এবং আচুরা গ্রামের ইমন খন্দকার (২৬)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর আত্মীয়-স্বজন সূত্র জানায়, অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার স্বামীকে মোবাইল ফোনে কল করে ঘটনাস্থলে ডেকে নেন। স্বামী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রাব্বি, হযরত আলী খন্দকার, ইমন খন্দকারসহ আরও তিন থেকে চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে বেঁধে ফেলে। পরে তাকে তার স্ত্রীকে ফোন করে টাকা নিয়ে যেতে বলার চাপ দেওয়া হয়।
অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। সেই সময়ে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসতে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তার স্বামীকে মাদক ব্যবসায়ী ধরার কথা বলে সোমবার সন্ধ্যা দিকে হযরত আলী খন্দকার, ইমন খন্দকার ও রাব্বি ডেকে নিয়ে যায় এবং পরে তাকে অপহরণ করে নড়িয়া উপজেলার আচুরা এলাকার আজিজ ঢালীর বাগানে বেঁধে রাখে।
এছাড়া, অপহৃত স্বামীর মোবাইল ফোন থেকে স্ত্রীকে কল করে টাকা এবং পেনড্রাইভ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয় এবং তাকে আনতে লোক পাঠানো হয়। পরে তাকে আচুরা এলাকার আজিজ ঢালীর বাগানের একটি নির্জন স্থানে নেয়া হয়, যেখানে তার স্বামীকে আগেই বেঁধে রাখা হয়েছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে স্বামীর সামনেই তিনজন মিলে ঐ নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকার-চেঁচামেচিতে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, "আমার স্বামী তার মোবাইল থেকে রাত ৯টার দিকে কল করে আমাকে বাসা থেকে বের হতে বলে একজন লোক পাঠায়, তার সঙ্গে অটোতে করে আমি যাই। পরে আমাকে আচুড়ার একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি আমার স্বামীকে আগেই বেঁধে তার গলায় ছুরি ধরে রেখেছে। পরে তার সামনেই হযরত ও আরও ৩ জন আমাকে ধর্ষণ করে। শেষে আমি চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।"
প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক জানান, "অনেক রাতে বাড়ির পাশের জঙ্গলে চিৎকারের শব্দ শুনে আমরা গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি এক লোক তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করছে। আমরা জিজ্ঞাসা করলে আমাদের ধর্ষণের বিষয়টি জানান। পরে বাড়ির অন্য মহিলারা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিলে তারা তাদের নিয়ে যায়।"
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া জানান, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। পরে অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য বিজিবি ধ্বংস করেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে ‘মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান-২০২৬’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, বিপিএম (সেবা), বিজিওএম, পিএসসি।
বিজিবি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ১১ জুলাই পর্যন্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর, দেবহাটা ও কালীগঞ্জ সীমান্তে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৪১ জনকে আটক করা হয়। একই সময়ে ৫১ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।
ধ্বংস করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ৪০৬ বোতল বিভিন্ন ধরনের মদ, ১৫ হাজার ৭৮ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ১৮ হাজার ৬৫৪টি ইয়াবা, ৭৫ হাজার ৭৬৬ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি, ৩ দশমিক ৮১ কেজি গাঁজা, ২১ লাখ ৭৬ হাজার ২৫৭টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ওষুধ, এক হাজার ৪৭০ পাতা সুখি বড়ি, ১৫ হাজার ৭৪৬টি মাদকজাতীয় ট্যাবলেট, ১ কেজি হেরোইন, ৮ বোতল (১০০ মিলি) ও ৬ বোতল (৫০ মিলি) এলএসডি এবং ২ দশমিক ৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস)।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ, পিএসসি স্বাগত বক্তব্য দেন।
তিনি নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের সদস্যদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন এবং মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ক্রমে বাড়ানো অনুকূল মনোভাব প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন এসেছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে কিয়েভের প্রতিরোধ সক্ষমতার প্রতি নতুন আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প।
সোমবার মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের পূর্বের ধারণা ছিল যে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী অবশেষে ইউক্রেনকে পরাজিত করবে। তবে যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধ অব্যাহত থাকার কারণে এই ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে তিনি পুতিনকে আগের তুলনায় ‘কম অনুকূল দৃষ্টিতে’ দেখছেন।
ট্রাম্প পুতিনকে জানিয়েছেন যে, তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চান। এছাড়া, তিনি উভয় পক্ষের বিপুলসংখ্যক হতাহতের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা, বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তিতে দেশটির অগ্রগতিতে মুগ্ধ হয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের ড্রোন হুমকির মুখোমুখি হয়েছিল, ইউক্রেনীয় বাহিনীও একই ধরনের ইরানি শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এ বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্প সাধারণত বিজয়ীদের পছন্দ করেন। তার দৃষ্টিতে জেলেনস্কি এখন ক্রমেই সেই ‘বিজয়ী’দের একজন হয়ে উঠছেন।
জুলাইয়ে ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে তুরস্কে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকেও ট্রাম্পের বক্তব্যে এ পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ট্রাম্প ওই সময় বলেন, ‘আমরা আসলে একটি ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছি। এটা বিশ্বাস করা কঠিন, তাই না?’
ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্কের এই পরিবর্তন বেশ নাটকীয়। গত বছর ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তার নেতৃত্বের সমালোচনা করার পাশাপাশি ওভাল অফিসে জেলেনস্কির সঙ্গে প্রকাশ্য বিতর্কেও জড়িয়েছিলেন তিনি। এমনকি একপর্যায়ে ইউক্রেনের সঙ্গে মার্কিন সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
অক্টোবরে ওয়াশিংটনে তাদের সর্বশেষ বৈঠকের পর মঙ্গলবার আবারও হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে জেলেনস্কির। বর্তমানে সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
তবে ট্রাম্পের এই পরিবর্তিত মনোভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তার ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের অবস্থান দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। অতীতে পুতিনও ট্রাম্প ও তার কয়েকজন উপদেষ্টার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে তারা মনে করেন।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কথা জানান। পাশাপাশি, ইউক্রেনের সঙ্গে ড্রোন উৎপাদনে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও বলেন তিনি।
আজকের দিনে, সামরিক ড্রোন উৎপাদনে ইউক্রেন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে দেশটি বছরে প্রায় ৫ হাজার ড্রোন উৎপাদন করলেও ২০২৬ সালে সেই সক্ষমতা বেড়ে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছাবে।
বিশেষ করে, ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ট্রাম্পকে মুগ্ধ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য যে ধরনের ড্রোন হুমকি তৈরি হয়েছে, ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা সেই একই ধরনের হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ইউক্রেন যুদ্ধে ট্রাম্পের অবস্থানে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। জেলেনস্কির সঙ্গে সম্পর্কের উষ্ণতা এবং পুতিনের প্রতি তুলনামূলকভাবে কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন-মস্কো ও ওয়াশিংটন-কিয়েভ সম্পর্কের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেলানিয়া ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশের দাবি যুক্তরাষ্ট্রে উঠেছে। এই ভিডিওটি ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে, এই বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিডিওটির নাম "হাউ টু কিল মেলানিয়া ট্রাম্প" এবং এটি প্রায় দুই মিনিটের। এই ভিডিওতে ফার্সি ভাষায় মেলানিয়া ট্রাম্পকে কীভাবে লক্ষ্যবস্তু করা যেতে পারে, সেই সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
ভিডিওটিতে দাবী করা হয়েছে, মেলানিয়ার ফ্যাশনপ্রেমকে কাজে লাগিয়ে, তার স্টাইল টিমের একটি সদস্যকে অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করে তিনি কোন ফ্যাশন হাউসে পোশাক কিনতে যাবেন, তার তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর সম্ভাব্য পোশাকে প্রাণঘাতী নার্ভ এজেন্ট ভিএক্স ব্যবহারের কথাও ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিডিওতে আরো দাবি করা হয়, ভিএক্স হল একটি গন্ধহীন তৈলাক্ত রাসায়নিক, যার সংস্পর্শে এলে প্রাণহানির ঝুঁকি থাকে।
এছাড়া ভিডিওতে মেলানিয়া ট্রাম্পের স্টাইল টিমের সদস্যদের নাম, তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংস্থার কথিত কোডনেম এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা কৌশল সম্পর্কেও উল্লেখ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
ভিডিওর শেষে, ট্রাম্প দম্পতির ছেলে ব্যারন ট্রাম্পের উদ্দেশে একটি হুমকিসূচক বার্তা দেওয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
মেলানিয়া ট্রাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইককে জানিয়েছে, তারা ভিডিওটি সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল বা হুমকির সত্যতা সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।
ভিডিওতে উত্থাপিত দাবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।
সূত্র : ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ