জাকির হোসেন পাটোয়ারী, রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৭:৫০ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বাঁধুলী খালকুলা গ্রামের ব্যবসায়ী তৈইজুদ্দিন শেখের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৭-৮ জনের একটি ডাকাত দল বাসভবনের বারান্দার গ্রিলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা তৈইজুদ্দিন শেখ ও তাঁর ছেলে মিলন শেখকে ঘরের একটি কক্ষে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে সিন্দুকে থাকা সাড়ে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১ লাখ ২২ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।
ডাকাতির ঘটনায় বুধবার বিকেলে বালিয়াকান্দি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৈইজুদ্দিন শেখ।
বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বৃক্ষরোপণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়; বরং এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব, পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি কর্তব্য।
তিনি জানান, আজকের একটি বৃক্ষ আগামী দিনের নির্মল পরিবেশ, সুস্থ জীবন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই আমাদের সকলের উচিত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করা। বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় দায়িত্ব ও সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করাই হবে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
আগামীকাল ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক বাণীতে এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ শুরুর খবর নিয়ে তিনি আনন্দিত। প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাণিকূলের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দ্রুত নগরায়ণ, বনভূমি হ্রাস, পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশ পরিবেশগত নানা সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। এ সকল সংকট মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন অপরিহার্য।
এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের এক সবুজ বিপ্লবে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি বনভূমি, প্রান্তিক ভূমি, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সরকারের এ সকল যুগান্তকারী কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষায়, একটি সবুজ, টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন।
তিনি এ বছর ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশপ্রাপ্ত সকল উপকারভোগীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
তিনি ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট অর্জনের স্থল হিসেবে নয় বরং দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বুধবার (০৮ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ইতিহাস বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের জীবনে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নবীনদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কায়সার কামাল বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বশেষ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের মতো দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আলোকবর্তিকা হিসেবে জাতিকে পথ দেখিয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনের শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা সফলতার মূল কারণ উল্লেখ করে, দেশ ও সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী হয়ে উঠার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বিভাগটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের নতুন করে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে যে, তিনি সিঙ্গাপুরে গোপনে বিয়ে করেছেন।
তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি এই অভিনেত্রী।
গুঞ্জনের মধ্যেই একটি সাক্ষাৎকারে ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা জানিয়েছেন যে, অপু বিশ্বাসের বিয়ের খবর তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই জেনেছেন। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে তার কাছেও কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
গৌতম সাহা বলেছেন, ‘যদি খবরটি সত্য হয় তবে তিনি অপু বিশ্বাসকে শুভেচ্ছা জানাবেন। আর যদি এটি শুধুমাত্র গুঞ্জন হয়ে থাকে, তবে তা সত্যিই অবাক হওয়ার কিছু নয়।’
তার মতে, অপু বিশ্বাস নিজের যোগ্যতা, আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তা দিয়ে জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।
একই সাক্ষাৎকারে গৌতম সাহা আরো দাবি করেন যে, শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপু বিশ্বাস মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছিলেন।
এসময় তিনি অভিনেত্রীর পাশে ছিলেন এবং নিয়মিত কথা বলে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহ প্রদান করেছেন।
তবে গৌতম সাহা এক পর্যায়ে বলেন যে, তৃতীয় একজনের হস্তক্ষেপে তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যদিও সেই ব্যক্তির পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি। বর্তমানে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার আগের মতো যোগাযোগ নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অপু বিশ্বাসের দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন দাবি করেছেন অভিনেত্রীর কোরিওগ্রাফার মাহফুজ কাদরী।
তিনি বলেন, ‘গৌতম সাহা অনেক বছর ধরেই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করছেন না। এমন একটি বিষয়ে মন্তব্য না করাই তার জন্য ভালো হতো। কারণ, তিনি অপু বিশ্বাসের বর্তমান ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অবগত নন।’
মাহফুজ কাদরী আরো বলেন, শর্তসাপেক্ষে অপু বিশ্বাস যখনই দেশে বাইরে যান, তখনই ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে কোথাও ভ্রমণে গেলেও সেটি শাকিব খান ও তার পরিবারের জানা থাকে।
তার কথায়, ‘অপু বিশ্বাস এখন পুরোপুরি ছেলে জয় এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই ব্যস্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। যদি অপু বিশ্বাস এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তবে তিনি নিজেই বিষয়টি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।’
এদিকে, দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত অপু বিশ্বাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের চামড়া শিল্প, যা দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত, আরও গতিশীল করে প্রতি বছরে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে রপ্তানি আয় বাড়ানোর জন্য সরকার ২০২৬ সালের জুলাই মাসের মধ্যে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আজ জাতীয় সংসদে।
বিরোধী দলের সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪)-এর এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের চামড়া শিল্পকে গতিশীল করতে এবং এর আয় ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে সরকার ২০২৬ সালের জুলাইয়ের মধ্যে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ গ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সাভার চামড়া শিল্পনগরীর দীর্ঘদিনের সমস্যার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, খাতটিকে পরিবেশসম্মত এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম শিল্পে রূপান্তরিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)-এর কারিগরি মূল্যায়ন ইতোমধ্যে ইতালীয় প্রতিষ্ঠান ইতালপ্রোজেত্তি সম্পন্ন করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পনার অনুযায়ী সিইটিপি’র বর্জ্য শোধন সক্ষমতা জরুরি ভিত্তিতে ২৫ হাজার ঘনমিটার পর্যন্ত উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখেও এই সক্ষমতা ৪০ হাজার এবং পরে ৫০ হাজার ঘনমিটারে উন্নীত করতে পৃথক নকশা ও ডিজাইন প্রস্তুত করা হবে।
কেন্দ্রীয় শোধনাগারের ওপর চাপ কমানোর জন্য সরকার ছয়টি ট্যানারিকে নিজস্ব বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে, আর এর মধ্যে দু’টি ইতোমধ্যে কার্যকর করেছে। এছাড়া, আরও ২০ থেকে ২৫টি তুলনামূলক বড় ট্যানারিকে নিজের ইটিপি স্থাপনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ট্যানারির বর্জ্যকে মূল্যসংযোজিত শিল্পপণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে সরকার সার্কুলার ইকোনমি বা পুনর্ব্যবহারভিত্তিক অর্থনীতির ধারণা বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ জে-ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোম্পানি লিমিটেড ক্রোম শেভিং ডাস্ট থেকে শিল্প ব্যবহারের জন্য প্রোটিন পাউডার উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে। এছাড়া, ফ্লেশিং বর্জ্য থেকে ট্যালো ও জৈব সার উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং কাঁচা কাটিং বর্জ্য থেকে জেলাটিন উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমও সফলভাবে চলমান রয়েছে।
চামড়া শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ ও নগদ সহায়তা সহজ করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের মধ্যে সমন্বিত রোডম্যাপ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের চামড়া শিল্প বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশসম্মত শিল্পে পরিণত হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মান অর্জন এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজির) সনদ অর্জনের জন্য ট্যানারি মালিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের নিয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি, সভা, সেমিনার, কর্মশালা এবং সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ