বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২০ পি.এম
বলিউডের অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা বিয়ের গয়না নিয়ে তার পছন্দ ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি মনে করেন, বিয়ের গয়না শুধুমাত্র সুন্দর দেখালেই হবে না, বরং সেটি আরামদায়কও হতে হবে এবং আবেগের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সম্প্রতি ‘দ্য নড’-এর একটি সাক্ষাৎকারে প্রীতি জানান, তার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান গয়না হলো তার মায়ের গয়না। তিনি বলেন, তার বাবা-মায়ের জন্য কেনা গয়নাগুলোই তার কাছে বিশেষ। নিজের বিয়েতে তিনি মায়ের সেই গয়না পরিধান করেছিলেন। ভবিষ্যতে তিনি তার মেয়ের পাশাপাশি পুত্রবধূকেও সেগুলো দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
২০১৬ সালে জিন গুডএনাফকে বিয়ে করেন প্রীতি। বিয়ের সময় তিনি লাল লেহেঙ্গার সঙ্গে মায়ের পুরনো জড়োয়া গয়না পরেছিলেন। নতুন ও ভারী গয়নার পরিবর্তে পরিবারের পুরনো গয়না বেছে নেওয়ার বিষয়টিকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রীতির মতে, বিয়েতে মা বা নানির পুরনো গয়না পরিধান করলে সাজে ব্যক্তিগত অনুভূতি যুক্ত হয়। একই সঙ্গে কনের সাজে নাকফুল বা নোজ রিং নিয়ে আরো বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন।
তবে গয়নার ক্ষেত্রে প্রীতির সবচেয়ে বড় অপছন্দ হলো ভারী দুল। তিনি জানান, পরিবারের পুরনো গয়না পরার পর অনেক সময় ২০-৩০ মিনিটের মধ্যেই কানে ও মাথায় অস্বস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে তিনি গয়না খুলে ব্যাগে রাখতে বাধ্য হন। এতে মূল্যবান গয়না নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
তাহলে বিয়ের গয়না বেছে নেওয়ার সময় হালকা ও আরামদায়ক নকশার দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন প্রীতি। ভারী ধরনের সাজ পছন্দ হলে তুলনামূলক হালকা উপকরণে একই ধরনের নকশা বেছে নেওয়া যেতে পারে।
ছোটবেলায় মায়ের গয়না নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে প্রীতি সেগুলো ভেঙে বা হারিয়ে ফেলতেন। এ কারণে মায়ের বকুনি খেতেন তিনি। সেই গয়নাগুলো এখন তার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতির অংশ।
প্রীতির পরামর্শের সারকথা হলো, বিয়ের গয়না এমন হওয়া উচিত, যা সাজকে পূর্ণ করার পাশাপাশি স্বাচ্ছন্দ্যে হাসা, নাচা ও আনন্দ করার সুযোগও দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় পরিবেশ আইন সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে লোকালয় ও ফসলি জমির পাশে গড়ে উঠেছে প্রায় ৫০টি অবৈধ কয়লা তৈরির চুল্লি। দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা এসব চুল্লিতে কাঠ পোড়ানোর ফলে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় বিপন্ন হচ্ছে চারপাশের পরিবেশ, চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের নজরদারির বাইরে রেখে দীর্ঘদিন ধরে এই ক্ষতিকর কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে উপজেলার ১নং চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, তফসেরের খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড় থেকে উত্তর দিকে বাকার খালের পাশে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির জন্য আনুমানিক ৫০টি চুল্লি স্থাপন করা হয়েছে। দিন-রাত এসব চুল্লিতে কাঠ পোড়ানোর ফলে নির্গত কালো ধোঁয়া ও কার্বন মনোক্সাইডে বিষাক্ত হয়ে উঠছে চারপাশের বাতাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম, রাসেল ও সাবেক ইউপি সদস্য ফারুকের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতায় সেখানে কয়লা তৈরির কার্যক্রম চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জনবসতির কাছাকাছি চলা এ ব্যবসার নেপথ্যে অন্য কারও প্রভাব বা পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে যেমন এলাকার পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি চুল্লিগুলোতে কাঠের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এলাকার ছোট ছোট শিশুরা টাকার লোভে অন্যের বাগান থেকে গাছ ও কাঠ কেটে এনে সেখানে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করছে। এ কার্যক্রম দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না হলে কোমলমতি শিশুদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মুঠোফোনে মূল অভিযুক্ত রবিউল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আজকের দিন অপেক্ষা করেন, আগামীকাল বক্তব্য দেব।
এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি সরেজমিন বার্তা-কে জানান, লোকালয় বা ফসলি জমির পাশে অবৈধভাবে কয়লা চুল্লি পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে পরিবেশ রক্ষায় এবং অবৈধ চুল্লি বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যাশলেস বাংলাদেশ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার ‘বাংলা কিউআর’ ভিত্তিক লেনদেনের সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থায় কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে এবং এর জন্য কোনো ফি বা চার্জ দিতে হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজারে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটার উদ্বোধন এবং কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন পরিদর্শনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন হবে এবং এতে কোনো ধরনের বাড়তি চার্জ বা ফি প্রযোজ্য হবে না।
তিনি আরও বলেন, ফুচকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতায় আনা হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ফুটপাতের বিক্রেতা ও ছোট ব্যবসায়ীরা যেকোনো ব্যাংক কিংবা সেবা প্রদানকারীর হিসাবে সহজেই কিউআর কোডের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। এটি নগদ টাকা বহনের প্রয়োজনীয়তা কমাবে এবং লেনদেনকে আরও সহজ ও দ্রুততর করবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ছোটখাটো কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। বিশ্বের অনেক উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন ইতোমধ্যে সহজ ও নিরাপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও আন্তর্জাতিক এই চর্চাকে দেশে সর্বজনীন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
তিনি দেশের সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা কোনো দ্বিধা ছাড়াই ক্যাশলেস এবং নিরাপদ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে একটি দাবি জানিয়ে আসছেন—অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য আধুনিক ও স্থায়ী পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি এবং বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয় পাম্পিং স্টেশন, স্লুইসগেট, ড্রেনেজ চ্যানেল, খাল এবং নিয়ন্ত্রিত পানি প্রবাহের ব্যবস্থা। সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের বাস্তবতা মাথায় রেখে স্থানীয় কৃষকরা এমন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
হাওরপারের কৃষকদের মতে, ২৮ এপ্রিলের অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক পানির কারণে এ বছর সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাওরের বোরো ফসল তলিয়ে গেছে। এর ফলে কৃষকদের অনেকের স্বপ্নের ফসল নষ্ট হয়েছে। এক মৌসুমের ফসল নষ্ট হলে কৃষকের পরিবার, ঋণ পরিশোধ এবং পরবর্তী কৃষিকাজ—সবকিছুর ওপর চাপ পড়ে। ভবিষ্যতে একই ধরনের অতিবৃষ্টি হলে যাতে কৃষকদের বারবার এমন ক্ষতির সম্মুখীন হতে না হয়, সেজন্য আগাম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
কৃষকদের দাবি, শুধুমাত্র ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ বা মেরামতের ওপর নির্ভর না করে হাওরের পানি প্রবাহ এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে মেট্রো স্টেশনে হাফপ্যান্ট পরার কারণে হেনস্তার প্রতিবাদে কয়েকজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে চড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ঢাকার ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে হাফপ্যান্ট পরে উপস্থিত হন তিন তরুণ। তাদের মধ্যে রয়েছেন বেসরকারি চাকরিজীবী ও দৌড়বিদ সাগর মজুমদার, বেসরকারি চাকরিজীবী রকিবুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান। পরে সাগর ও মাহফুজুর হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে ওঠেন। একই সময়ে স্টেশনের অন্য একটি প্রবেশপথ দিয়ে আরও দুজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠেছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
সাগর মজুমদার জানান, তারা দৌড়বিদ। দৌড়ানোর সময় হাফপ্যান্ট পরা অধিক আরামদায়ক হওয়ায় তারা এটি পরিধান করেন। সম্প্রতি, দেশ-বিদেশে পরিচিত অ্যাথলেট সাজ্জাদ হোসেন হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন। তারা চান ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, সেই কারণে প্রতিবাদ জানাতে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, একজন দৌড়বিদ হিসেবে তিনিও মেট্রোরেল বা অন্য কোনো জায়গায় একই ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের বার্তা হলো, নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। হাফপ্যান্ট পরিধান করা কোনো সমস্যা নয়; বরং বিষয়টি কীভাবে দেখা হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান মন্তব্য করেন, মেট্রোরেলে হাফপ্যান্ট পরে চলাচলের অধিকার থাকা উচিত। এটি একটি স্বাভাবিক পোশাক। তিনি সাধারণত মেট্রোরেলে ওঠেন না এবং হাফপ্যান্টও পরেন না। তবে অধিকার নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে প্রায় পাঁচ বছর পর তিনি হাফপ্যান্ট পরে সেখানে এসেছেন।
সকাল সাতটার পর সাগর ও মাহফুজুর ফার্মগেট স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে ওঠেন। তারা বিজয় সরণি স্টেশনের টিকিট কাটেন। পরে তারা ফার্মগেট থেকে বিজয় সরণি গিয়ে নেমে যান। রকিবুল তাদের সঙ্গে মেট্রোরেলে ওঠেননি।
অন্যদিকে, ফার্মগেট স্টেশনের আরেকটি প্রবেশপথ দিয়ে হাফপ্যান্ট পরে ওঠা দুই তরুণ মতিঝিলের টিকিট কেটেছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে শরীরচর্চা শেষে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য তার পোশাককে ‘অশালীন’ বলে টিকিট পাঞ্চ করার মেশিনের সামনে প্রায় ৪০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখেন।
তবে মেট্রোরেলে চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট পোশাকবিধি নেই বলে জানানো হয়েছে। সাজ্জাদকে হয়রানির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ফার্মগেট স্টেশনে ‘হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির আহ্বান জানিয়ে খোলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুষ্ঠানে বলা হয়েছিল, এটি কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরির আয়োজন নয়। বরং হয়রানির প্রতিবাদ, স্পষ্ট নিয়মের দাবি এবং যাত্রীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণের পক্ষে শান্তিপূর্ণ নাগরিক প্রতিবাদ। আয়োজকদের বক্তব্য, কোনো পোশাক নিষিদ্ধ হলে তার স্পষ্ট ও লিখিত নিয়ম থাকা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ