মাছুদুর রহমান আসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
০২:০১ পি.এম
বরিশাল মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমন করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযান চালানো হয় মহানগরীর চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সমন্বয়ে।
এই অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিএমপি মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অপরাধীদের উপর কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও বিভিন্ন মামলার অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৬২ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, ২টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইল ফোন এবং ২টি সিসি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ফলাফল ছাড়াও, বিভিন্ন আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পূর্বের দায়েরকৃত নিয়মিত মামলায় আরও ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে ৭ জন এবং অন্যান্য আইনে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মোট ২৫ জন অভিযুক্তকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে মাদক, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিএমপি জানিয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। অপরাধ দমনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ড্র করার পর ইরান জাতীয় ফুটবল দলের মেক্সিকোর তিজুয়ানায় অবস্থিত ক্যাম্পে ফিরতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এই বিলম্বের কারণ হলো লস অ্যাঞ্জেলেস বিমানবন্দরে দলের দুই সদস্যকে ‘আটকে দেওয়া’।
আল জাজিরা এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের আধা-রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম থেকে এ খবরটি পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের অধিনায়ক ও ফরোয়ার্ড মেহদি তারেমি এবং সহকারী কোচ সাঈদ আলহুইয়ের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত অতিক্রম করার সময়ও তাদের একই ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
তাসনিম সংবাদ মাধ্যমে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দলের অন্যান্য সদস্যরা বিমানটিতে উঠলেও তারেমি ও সহকারী কোচ বিমানবন্দর ত্যাগের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে সক্ষম হননি। এই পরিস্থিতি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সক্রিয় ছিল।
বিশেষ করে, উইঙ্গার মেহদি তোরাবির জন্য মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ইরান ফুটবল ফেডারেশন একটি উদ্যোগ নিয়েছে। কারণ, ম্যাচটি খেলার পর তার সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে আসার পথে পুলিশের এক সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে নগরীর বাকলিয়া থানার পুলিশ। তবে এই ঘটনায় মামলা না করে উদ্ধার করা ইয়াবা বড়ি হাতিয়ে নেওয়া হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে। ঘটনার এটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের করা এক তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এই প্রতিবেদন গত ২৯ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এই ঘটনার প্রায় ছয় মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করা হয়েছিল। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা বড়িও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি ইয়াবা পাচারে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যও গ্রেপ্তার হননি।
ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। যার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়, তার সঙ্গে আরেক ব্যক্তির কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরীকে প্রধান করে পুলিশের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
ঘটনার সময় বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন আফতাব উদ্দিন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আট পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হলেও আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন সরকার, এসআই মো. আমির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান ও কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না।
বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় কর্মরত আছেন এবং তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে বলেন, "এই ঘটনা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কর্তৃক কাউখালী উপজেলা শাখার আয়োজনে তিন দিনব্যাপী হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান এবং গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় কাউখালী উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ।
অনুষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কাউখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ সোমা সরকার। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন সমিতির ৩০ জন নারী সদস্য। প্রশিক্ষণে হাঁস-মুরগি পালনের আধুনিক পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বক্তারা মন্তব্য করেন, হাঁস-মুরগি পালন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারিবারিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ বললেন, বিআরডিবির মাধ্যমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। হাঁস-মুরগি পালন একটি লাভজনক উদ্যোগ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধান প্রশিক্ষক উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ সোমা সরকার বলেন, বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগি পালন করলে স্বল্প পুঁজিতে ভালো লাভ করা সম্ভব। আমরা প্রশিক্ষণার্থীদের রোগ প্রতিরোধ, টিকা প্রদান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও খামার পরিচালনার বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দিয়েছি। আশা করছি তারা অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অতীতের মতো রাষ্ট্র এখন আর গণমাধ্যমকে চোখ রাঙায় না। বরং রাষ্ট্র যেকোনো সমস্যা সমাধানে সহযোগী হতে চায়। এটি ফ্যাসিবাদের সঙ্গে পার্থক্য উল্লেখ করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। গণমাধ্যমের সব সমস্যাকে একটি জায়গায় এনে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, যদি গণমাধ্যম কমিশন দাঁড় করানো যায়, তবে সেটি হবে ফ্যাসিবাদ পরবর্তী সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া তিনি বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদকে বারবার পাঠ করা দরকার। তিনি ব্যাখ্যা করেন, তখন সেটা এন্টিভাইরাস হিসেবে কাজ করবে।
সভায় প্রধান অতিথি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্র পুনরায় চালুর বিষয়ে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, অন্যদিকে মালিকপক্ষের লোকেরা অনেক সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করছেন।
সভায় ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ