প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে আসার পথে পুলিশের এক সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে নগরীর বাকলিয়া থানার পুলিশ। তবে এই ঘটনায় মামলা না করে উদ্ধার করা ইয়াবা বড়ি হাতিয়ে নেওয়া হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে। ঘটনার এটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের করা এক তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এই প্রতিবেদন গত ২৯ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এই ঘটনার প্রায় ছয় মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করা হয়েছিল। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা বড়িও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি ইয়াবা পাচারে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যও গ্রেপ্তার হননি।
ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। যার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়, তার সঙ্গে আরেক ব্যক্তির কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরীকে প্রধান করে পুলিশের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
ঘটনার সময় বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন আফতাব উদ্দিন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আট পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হলেও আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন সরকার, এসআই মো. আমির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান ও কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না।
বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় কর্মরত আছেন এবং তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে বলেন, "এই ঘটনা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন