ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
১৯৯১-৯২ বিপর্যয়

আধুনিক ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখ যে ১২ মাস ভুলে যেতে চায়


আধুনিক ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখ যে ১২ মাস ভুলে যেতে চায়

জার্মান ফুটবলের রাজকীয় আঙিনায় বায়ার্ন মিউনিখের লাল জার্সির যে দাপট প্রতিনিয়ত দেখা যায়, তার পেছনে রয়েছে এক একচ্ছত্র আধিপত্যের কাহিনী। রেকর্ড বুন্দেসলিগা ট্রফি এবং ইউরোপীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক বহনকারী এই বাভারিয়ানরা যেন নিখুঁত জয়ের এক অবিরত যন্ত্র।

 

ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, জার্ড মুলার, লোথার ম্যাথিউস এবং ফিলিপ লামদের হাত ধরে সাফল্য শব্দটিকে নিজেদের সমার্থক বানিয়ে ফেলা বায়ার্ন মিউনিখের ইতিহাস কিন্তু সম্পূর্ণরূপে রোদেলা নয়। তাদের সমৃদ্ধ ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় বিদ্যমান, যেখানে টানা ১২ মাস ইউরোপের এই জায়ান্ট এক চরম দিশেহারা ও গড়পড়তা দলে রূপান্তরিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান

অথচ ঐতিহাসিক পতনের জন্য কোনো পূর্বাভাস ছিল না বাভারিয়ানদের আঙিনায়। ১৯৮০-এর দশকে প্রখ্যাত কোচ ইউপ হাইনকেসের জাদুকরী ছোঁয়ায় জার্মানির ফুটবল মসনদে একচ্ছত্র রাজত্ব করছিল বায়ার্ন মিউনিখ।

 

একের পর এক লিগ শিরোপা জয়ের পর ১৯৯০ সালের দলবদলে স্টিফান এফেনবার্গ এবং ব্রায়ান লাউড্রুপের মতো তারকাদের দলে ভিড়িয়ে নিজেদের শক্তি আরো বাড়িয়ে নেয় ক্লাবটি। তরুণ এফেনবার্গ তৎকালীন গণমাধ্যমে দম্ভ করে বলেছিলেন, ‘অন্য দলগুলো বুন্দেসলিগা জেতার জন্য বড্ড বোকা, তাই আমি বাভারিয়ায় এসেছি।’ তবে ফুটবলের সবুজ গালিচা যে কারো দম্ভ সহ্য করে না, তা হাড়েনাতে টের পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি বায়ার্নের। ১৯৯১-৯২ মৌসুম আসতেই একের পর এক নাটকীয় বিপর্যয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বায়ার্নের সেই সাজানো অহংকার।

 

আরও পড়ুন: ২৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট সাময়িক স্থগিত

পতনের রথটি আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটতে শুরু করে জার্মান কাপের (ডিএফবি-পোখাল) ম্যাচ দিয়ে। অলিম্পিক স্টেডিয়ামের বিশাল গ্যালারির সামনে অনামি ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল এফসি হোমবার্গের মুখোমুখি হয়েছিল বায়ার্ন। কিন্তু সেদিন বাভারিয়ান সমর্থকদের বাকরুদ্ধ করে দিয়ে অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ৪-২ গোলের ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।

ঘরের মাঠে পুঁচকে এক ক্লাবের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার এই ঘা শুকানোর আগেই বিশ্বমঞ্চে আরেক চরম লজ্জার মুখে পড়ে বাভারিয়ানরা। উয়েফা কাপের প্রথম রাউন্ডেই আয়ারল্যান্ডের আধা-পেশাদার দল কর্ক সিটির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বসে বায়ার্ন।

 

যে দলের ফুটবলাররা দিনে সাধারণ চাকরি করতেন আর বিকেলে খেলায় নামতেন, তাদের রুখতেই ঘাম ছুটে যায় কোটি টাকার বায়ার্ন তারকাদের। ধারাবাহিক এই ব্যর্থতার ঝড় সামলাতে না পেরে তৎকালীন বায়ার্ন বোর্ড তড়িঘড়ি করে ইউপ হাইনকেসকে ছাঁটাই করে দেয়। তবে সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা, হাইনকেসকে বরখাস্ত করার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও করুণ করে তোলে। পরবর্তীতে যে ঘটনা নিয়ে আফসোস করে বায়ার্নের বিখ্যাত জেনারেল ম্যানেজার উলি হ্যেনেস অকপটে স্বীকার করেছিলেন, ‘হাইনকেসকে ওই মুহূর্তে বিদায় দেওয়াটাই ছিল আমার পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল।’

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

হাইনকেসের স্থানে তড়িঘড়ি করে ডাগআউটে বসানো হয় সদ্য অবসর নেওয়া ৩২ বছর বয়সী ডেনিশ কিংবদন্তি সোরেন লারবিকে। কিন্তু প্রথমবার কোচিংয়ের চেয়ারে বসা লারবির হাতে তখন এমনকি কোনো অফিসিয়াল কোচিং লাইসেন্সও ছিল না! অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার এই বিশাল ঘাটতি নিয়ে বায়ার্নের মতো পাওয়ারহাউস পরিচালনা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েন লারবি।

লারবির হাত ধরে ডেনমার্কের মাটিতে ইতিহাসঘেরা এক মহালজ্জার সাক্ষী হয় বায়ার্ন মিউনিখ। উয়েফা কাপের পরবর্তী পর্বে ডেনিশ ক্লাব ‘বোল্ডক্লুবেন ১৯০৩’-এর বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে বায়ার্ন জালে হজম করে বসে এক ডজন গোলের অর্ধেক! ডেনিশ দলটি বাভারিয়ানদের রক্ষণভাগকে তছনছ করে ৬-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ইতিহাসে বায়ার্নের মতো পরাশক্তির এই ধস ছিল এক অভাবনীয় ট্র্যাজেডি। দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ না পেয়ে টুর্নামেন্ট থেকে অপমানজনক বিদায় নিতে হয় তাদের।

ইউরোপীয় ফুটবলের আঙিনা থেকে লজ্জাজনক বিদায়ের পর দেশের লিগেও ধস থামানো যাচ্ছিল না। ২০ দলের বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন টেবিলের ১৪ নম্বরে নেমে যায়—যা ছিল রেলিগেশন জোন থেকে মাত্র কয়েক ধাপ ওপরে! পতন ঠেকানোর চরম আকুতিতে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে লারবিকেও বরখাস্ত করা হয় এবং অভিজ্ঞ কোচ এরিখ রিবাক এসে কোনোমতে পতন সামলে দলকে ১০ নম্বর স্থানে রেখে মৌসুম শেষ করেন। সে মৌসুমে বায়ার্নের জয়ের চেয়ে হারের পাল্লা ছিল ভারী, ঘরের মাঠেই তারা হেরেছিল ৭টি ম্যাচ এবং পুরো মৌসুমে তাদের গোল ব্যবধান দাঁড়িয়েছিল ঋণাত্মক (-২)।

পরবর্তী মৌসুমে অবশ্য মেহমেত শল, থমাস হেলমার এবং ঘরের ছেলে লোথার ম্যাথিউসকে ফেরত এনে মোটা অঙ্কের দলবদলে নিজেদের আবারও পুনর্গঠন করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। বাভারিয়ানরা খুব দ্রুতই তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজসিংহাসন উদ্ধার করে ফুটবলের রাজত্ব কায়েম করেছিল ঠিকই, কিন্তু ১৯৯১-৯২ মৌসুমটি ইতিহাসের পাতায় আজ অবধি বড় এক সতর্কবার্তা হয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলমান : দীনেশ ত্রিবেদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলমান : দীনেশ ত্রিবেদী

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সফর দুই দেশের জনগণের স্বার্থে হবে।

 

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তারা আলোচনা করেন, কিভাবে এই সম্পর্কের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে সংসদীয় ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা সম্ভব।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা আবার শুরু হয়েছে। এই আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আলোচনা সব সময় চলমান বিষয়।

 

গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায় তাহলে ওটা গণতন্ত্র না। গণতন্ত্রে আলোচনা হলো বহমান নদীর মতো। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সব আলোচনাই চলমান থাকবে।

 

দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের মধ্যে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানান। স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দেশের সংসদ কিভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে পারে, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরো কিভাবে উন্নত করা যায়, সেটি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে কোহলি-ওয়ার্নারকে ছুঁলেন ডি কক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে কোহলি-ওয়ার্নারকে ছুঁলেন ডি কক

দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার কুইন্টন ডি কক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি অসাধারণ মাইলফলক অর্জন করেছেন। তিনি ফরম্যাটটিতে নিজের ১০ম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিরাট কোহলি ও ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ব্যাটারদের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন।

 

টি-টোয়েন্টি সংস্করণে পাঁচম ব্যাটার হিসেবে ১০টি সেঞ্চুরি করার এই অনন্য গৌরব অর্জন করেছেন এই প্রোটিয়া তারকা।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস পেট্রিয়টসের বিরুদ্ধে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ডি কক। এই ম্যাচে তিনি ৫৭ বলে ১০৬ রানের একটি মারকুটে ইনিংস উপহার দেন। তার ইনিংসে ছিল ১৮৫.৯৬ স্ট্রাইক রেটের ঝড়ো খেলা, যেখানে তিনি ১১টি চার ও ৬টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকান।

 

ডি কক, কোহলি এবং ওয়ার্নার, তিনজনেই এখন সমান ১০টি করে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির মালিক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মাত্র দুইজন, ক্রিস গেইল (৪৬৩ ম্যাচে ২২টি সেঞ্চুরি) এবং বাবর আজম (৩৫৯ ম্যাচে ১৩টি সেঞ্চুরি) দ্বিতীয় স্থানে আছেন।

সেঞ্চুরির পাশাপাশি, ডি কক টি-টোয়েন্টিতে ১৩ হাজার রানের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। ইতিহাসের নবম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়তে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১৩৩ রান।

 

টি-টোয়েন্টিতে ৪৫৭ ম্যাচের ৪৩৩ ইনিংসে ৩১.৩০ গড়ে এবং ১৩৯.৭৮ স্ট্রাইক রেটে ১২,৮৬৭ রান সংগ্রহ করেছেন ডি কক। তার নামের পাশে রয়েছে ১০টি সেঞ্চুরি ও ৮৪টি হাফ-সেঞ্চুরি (সর্বোচ্চ ১৪০*)।

বর্তমানে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ সংগ্রাহকদের তালিকায় ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন ডি কক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কায়রন পোলার্ড, যার সংগ্রহ ৭৫১ ম্যাচে ১৫১.১৭ স্ট্রাইক রেটে ১৪,৯৩৩ রান।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি জাহাজের হরমুজ প্রণালি পার হতে সমস্যা নেই: ইরানের রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


বাংলাদেশি জাহাজের হরমুজ প্রণালি পার হতে সমস্যা নেই: ইরানের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশি এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি জানিয়েছেন, মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোও হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। বৈঠকের সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশ এই চুক্তিকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনোভাবে দেখছে না। যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিয়ে সবার কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে।

 

মক্কা প্যাক্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে ইসলামি দেশগুলোর নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলে ইরান মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়টি গ্রহণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করেছে, কোনো ইসলামী বা আরব রাষ্ট্রে হামলা করেনি।

 

মক্কা প্যাক্ট এমন একটি সময়ে গঠিত হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে তাদের নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। প্রায় ১০ বছর আগে ইরান মধ্যপ্রাচ্যকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ওই প্রস্তাবে সমর্থন দেয়নি। রাষ্ট্রদূত তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের উন্নতি নিয়েও কথা বলেন।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কারণে এ নিয়ে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজের হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে কোনো সমস্যা হবে না। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গুজব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গুজব

টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অভিনেতার একটি ছবির নিচে ‘প্রয়াত’ লেখা দেখে মুহূর্তের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে।

 

ঘটনাটি নজরে আসার পর খোদ অভিনেতা ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি শুধু প্রতিবাদই করেননি, বরং নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদেরও একহাত নিয়েছেন।

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো তথ্য ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না। যাচাই-বাছাই ছাড়াই একটি পোস্ট মুহূর্তেই হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

 

বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেতার একটি ছবি পোস্ট করে তার নিচে ‘প্রয়াত’ লেখা হয়। পোস্টটি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। অনেকেই শোক প্রকাশ করতে শুরু করেন।

 

বিষয়টি নজরে আসার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়েস্ট বেঙ্গাল মোশন পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি ভুয়া।

এরপর নিজেই ভিডিও বার্তায় বিষয়টি পরিষ্কার করেন অভিনেতা। সেখানে তিনি বলেন, ‘একটা খবর ছড়িয়ে পড়েছে, আমি নাকি মারা গেছি। মারা তো যাবই।

 

তবে ঈশ্বর যত দিন রেখেছেন, তত দিন থাকি। যে বা যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি এটা বন্ধ করুন। চট করে সবাইকে মৃত বলে দেবেন না। শুধু আমার নয়, কারো সম্পর্কে এমনটা বলবেন না। বলার আগে একটু ভাববেন।’

মৃত্যুর মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে এমন গুজব ছড়ানোর ঘটনাকে ‘শিক্ষার অভাব’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে নিজের বক্তব্যের শেষদিকে বরাবরের মতোই রসিকতার ছলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অভিনেতা।

বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাকে অনেক বদমায়েশের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেছেন। অনেকেই আমাকে খারাপ লোক হিসেবে চেনে। তবে আমি রাজনৈতিক নেতাদের থেকে খারাপ নই।’

অভিনেতার এই বক্তব্যের পর স্বস্তি ফিরেছে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%