বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩২ পি.এম
দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার কুইন্টন ডি কক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি অসাধারণ মাইলফলক অর্জন করেছেন। তিনি ফরম্যাটটিতে নিজের ১০ম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিরাট কোহলি ও ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ব্যাটারদের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণে পাঁচম ব্যাটার হিসেবে ১০টি সেঞ্চুরি করার এই অনন্য গৌরব অর্জন করেছেন এই প্রোটিয়া তারকা।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস পেট্রিয়টসের বিরুদ্ধে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ডি কক। এই ম্যাচে তিনি ৫৭ বলে ১০৬ রানের একটি মারকুটে ইনিংস উপহার দেন। তার ইনিংসে ছিল ১৮৫.৯৬ স্ট্রাইক রেটের ঝড়ো খেলা, যেখানে তিনি ১১টি চার ও ৬টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকান।
ডি কক, কোহলি এবং ওয়ার্নার, তিনজনেই এখন সমান ১০টি করে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির মালিক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মাত্র দুইজন, ক্রিস গেইল (৪৬৩ ম্যাচে ২২টি সেঞ্চুরি) এবং বাবর আজম (৩৫৯ ম্যাচে ১৩টি সেঞ্চুরি) দ্বিতীয় স্থানে আছেন।
সেঞ্চুরির পাশাপাশি, ডি কক টি-টোয়েন্টিতে ১৩ হাজার রানের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। ইতিহাসের নবম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়তে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১৩৩ রান।
টি-টোয়েন্টিতে ৪৫৭ ম্যাচের ৪৩৩ ইনিংসে ৩১.৩০ গড়ে এবং ১৩৯.৭৮ স্ট্রাইক রেটে ১২,৮৬৭ রান সংগ্রহ করেছেন ডি কক। তার নামের পাশে রয়েছে ১০টি সেঞ্চুরি ও ৮৪টি হাফ-সেঞ্চুরি (সর্বোচ্চ ১৪০*)।
বর্তমানে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ সংগ্রাহকদের তালিকায় ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন ডি কক। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কায়রন পোলার্ড, যার সংগ্রহ ৭৫১ ম্যাচে ১৫১.১৭ স্ট্রাইক রেটে ১৪,৯৩৩ রান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি জানিয়েছেন, মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোও হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। বৈঠকের সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশ এই চুক্তিকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনোভাবে দেখছে না। যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিয়ে সবার কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে।
মক্কা প্যাক্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে ইসলামি দেশগুলোর নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলে ইরান মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়টি গ্রহণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করেছে, কোনো ইসলামী বা আরব রাষ্ট্রে হামলা করেনি।
মক্কা প্যাক্ট এমন একটি সময়ে গঠিত হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে তাদের নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। প্রায় ১০ বছর আগে ইরান মধ্যপ্রাচ্যকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ওই প্রস্তাবে সমর্থন দেয়নি। রাষ্ট্রদূত তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের উন্নতি নিয়েও কথা বলেন।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কারণে এ নিয়ে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজের হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে কোনো সমস্যা হবে না। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অভিনেতার একটি ছবির নিচে ‘প্রয়াত’ লেখা দেখে মুহূর্তের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাটি নজরে আসার পর খোদ অভিনেতা ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি শুধু প্রতিবাদই করেননি, বরং নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদেরও একহাত নিয়েছেন।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো তথ্য ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না। যাচাই-বাছাই ছাড়াই একটি পোস্ট মুহূর্তেই হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেতার একটি ছবি পোস্ট করে তার নিচে ‘প্রয়াত’ লেখা হয়। পোস্টটি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। অনেকেই শোক প্রকাশ করতে শুরু করেন।
বিষয়টি নজরে আসার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়েস্ট বেঙ্গাল মোশন পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি ভুয়া।
এরপর নিজেই ভিডিও বার্তায় বিষয়টি পরিষ্কার করেন অভিনেতা। সেখানে তিনি বলেন, ‘একটা খবর ছড়িয়ে পড়েছে, আমি নাকি মারা গেছি। মারা তো যাবই।
তবে ঈশ্বর যত দিন রেখেছেন, তত দিন থাকি। যে বা যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি এটা বন্ধ করুন। চট করে সবাইকে মৃত বলে দেবেন না। শুধু আমার নয়, কারো সম্পর্কে এমনটা বলবেন না। বলার আগে একটু ভাববেন।’
মৃত্যুর মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে এমন গুজব ছড়ানোর ঘটনাকে ‘শিক্ষার অভাব’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে নিজের বক্তব্যের শেষদিকে বরাবরের মতোই রসিকতার ছলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অভিনেতা।
বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাকে অনেক বদমায়েশের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেছেন। অনেকেই আমাকে খারাপ লোক হিসেবে চেনে। তবে আমি রাজনৈতিক নেতাদের থেকে খারাপ নই।’
অভিনেতার এই বক্তব্যের পর স্বস্তি ফিরেছে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে দস্যুতার পথ ত্যাগ করে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
তিনি বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) র্যাব-৬ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।
র্যাব ডিজি উল্লেখ করেন, দস্যুতার পথ ত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা জরুরি। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রক্রিয়ায় র্যাব সহযোগিতা করবে। তবে, যদি কেউ অপরাধের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
ডিজি জানান, ২০১৮ সালে ৩২৮ জন বনদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন পরবর্তীতে আবারও দস্যুতায় জড়িয়ে পড়েন। ভবিষ্যতে আত্মসমর্পণকারীরা যেন পুনরায় অপরাধে না জড়ায়, সে জন্য তাদের পাশে দাঁড়াতে সামাজিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ৩১ আগস্ট পাঁচটি সক্রিয় জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। একই সময়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে র্যাব।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন রয়েছেন।
এছাড়া, সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তিন দিনের অভিযানে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১৪টি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানাচ্ছে, আত্মসমর্পণের ঘটনায় সুন্দরবনে সক্রিয় কয়েকটি দস্যু বাহিনীর সাংগঠনিক সক্ষমতা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখার পাশাপাশি বনজীবী ও উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ফুটবলে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি) একসময় ছিল টাকার ঝনঝনানি এবং তারকা কেনার মহোৎসবের প্রতীক। কাতারি অর্থায়নের পর থেকে তারা দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে নেইমার, এমবাপ্পে, মেসি, জালাতানসহ অনেক তারকাকে।
হাজার হাজার কোটি টাকা উড়িয়ে তারা ‘বিগ স্পেন্ডার’ তকমা অর্জন করেছিল। অনেকেই আজকের ফুটবলের অস্থির দলবদলের জন্য প্যারিসের এই ক্লাবটিকে দায়ী করেন। তবে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে। সেই বাজে খরুচে তকমা ঝেড়ে ফেলে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা এখন খেলোয়াড় বিক্রির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে খেলোয়াড় বিক্রি করে সবচেয়ে বেশি আয় করা ক্লাবের তালিকায় পিএসজি শীর্ষে রয়েছে। এই উইন্ডোতে তাদের মোট রাজস্ব ৪০০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৪৬৪ মিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে, যা অ্যাস্টন ভিলা কিংবা ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে অনেক বেশি।
সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড ইব্রাহিম এমবায়ে, যাকে দলবদলের শেষ দিনে অ্যাস্টন ভিলার কাছে বিক্রি করেছে পিএসজি। নিজেদের একাডেমির ১৮ বছর বয়সী তরুণ এই ফরোয়ার্ডের প্যাকেজ মূল্য ৬০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত ধরা হয়েছে।
এ মৌসুমের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে ফ্রান্সের তারকা ব্রাডলি বারকোলাকে ১৪৫ মিলিয়ন ইউরোতে লিভারপুলের কাছে বিক্রি করেছে পিএসজি।
এছাড়া, মূল একাদশে নিয়মিত না থাকা রোহাম কামারা, লি কাং-ইন, র্যান্ডাল কোলো মুয়ানি এবং গনসালো রামোসকেও ছেড়ে দিয়েছে প্যারিসের দলটি।
২০২৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদে কিলিয়ান এমবাপের পাড়ি জমানোর পর কোচ লুইস এনরিকে ক্লাবের দর্শনে ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। সুপারস্টারনির্ভর ফুটবল বাদ দিয়ে তিনি তরুণ ও ক্ষুধার্ত প্রতিভাদের ওপর জোর দেন। এই স্ট্র্যাটেজি মাঠে এবং ক্লাবের ব্যাংক ব্যালেন্সে সাফল্য এনে দিয়েছে।
টানা দুইবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জেতার পাশাপাশি এনরিকে ক্লাবের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করেছেন।
এই ট্রান্সফার উইন্ডোতে পিএসজি ফেরান তোরেস, ম্যাগনেস আকলিউচে, মিকা গডটস, লুকাস দিনিয়ে এবং আলেসান্দ্রো লঙ্গোনিকে দলে ভিড়িয়েছে ২১০ মিলিয়ন ইউরোরও কম খরচে। অর্থাৎ কেনাবেচার পার্থক্য হিসাব করলে পিএসজির পকেটে নিট লাভ প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে।
অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, প্রথমে বারতি দামে তারকাদের কিনে বাজার অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি নিজেদের ক্লাবের ফেইস ভ্যালু বাড়িয়েছে খেলাইফির পিএসজি। পরে সেই বাজারেই নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ খুঁজে বের করেছে দলটি। তাদের নিখুঁত পরিকল্পনার সাফল্যই এখন তারা উপভোগ করছে।
২০১১ সালে কাতারি গ্রুপ কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টস দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পিএসজির রাজস্ব বেড়েছে প্রায় ৯ গুণ। ২০২৪-২৫ মৌসুমে তারা রেকর্ড ৮৩৭ মিলিয়ন ইউরোর রাজস্ব আয় করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ