বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ এম
রাজধানীতে অটোরিকশা চালক দিদারুল ইসলামকে অজ্ঞান করে হত্যা ও অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অজ্ঞান পার্টি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ওয়ারী থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে হৃদয় (৪০), মো. মানিক সরদার (৫২) এবং মো. লিটন (৫০)।
বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং ডিএমপির লালবাগ এলাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাই হওয়া একটি অটোরিকশা, ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা এবং তিনটি মোবাইল ফোন।
নিয়াজ মেহেদী বলেন, গত ২৮ জুন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে খিলগাঁও এলাকা থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যান চালক দিদারুল। পরদিন ২৯ জুন ভোর ৪টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওয়ারী থানার নবাবপুর রোড এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, দিদারুল ইসলামকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ জুলাই রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। ঘটনার পর ওয়ারী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ওয়ারী থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস আইআরজিসি দাবি করেছে যে, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ ৯ রিপার ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।
বুধবার, আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মহবি বলেন, বুশেহর শহরের আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ভূপাতিত করে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ভূপাতিত হওয়া ড্রোনটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩২ কোটি টাকা।
এমকিউ ৯ রিপার যুক্তরাষ্ট্রের বহুল ব্যবহৃত একটি অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন। এর মৌলিক কাঠামোর উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার হয়ে থাকে। কিন্তু এতে মাল্টি স্পেক্ট্রাল টার্গেটিং সিস্টেম, থার্মাল ক্যামেরা, উন্নত রাডার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত হলে একটি পূর্ণাঙ্গ ড্রোনের দাম ৩ কোটি থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারে পৌঁছায়।
বিশেষায়িত নজরদারি প্রযুক্তি ও অতিরিক্ত সক্ষমতা যুক্ত সংস্করণের মূল্য ৫ কোটি থেকে ৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে ইরানের এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া স্বাধীনভাবেও এ দাবি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ৬০ ফিট সড়কে অবস্থিত কলাপাতা নামের একটি রেস্টুরেন্টের পেছনের অংশে গ্যাস বিস্ফোরণের ফলে অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা ঘটেছে। এরপর আগুন পাশের একটি ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।
এটি বুধবার (৮ জুন) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও ২০২৭ সালের ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সুযোগ ফিরে পেলেন কট্টর ডানপন্থী নেতা, মেরিন লে পেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্যারিসের আপিল আদালত ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অর্থ অপব্যবহারের মামলায় তার দণ্ড বহাল রাখলেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর আরোপিত অযোগ্যতার মেয়াদ কমিয়ে দিয়েছেন।
ফলে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আইনি বাধা আর থাকছে না ফ্রান্সের ন্যাশনাল র্যালি দলের এই নেত্রীর সামনে।
তবে আদালতের রায় সম্পূর্ণভাবে লে পেনের জন্য স্বস্তির নয়। অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে তার দণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক বছরের জন্য ইলেকট্রনিক নজরদারির শর্ত দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে, নির্বাচনে অযোগ্যতার মেয়াদ কমিয়ে দেওয়ার ফলে তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
ফরাসি গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপিল আদালতের এই সিদ্ধান্ত মেরিন লে পেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে আবারও ফ্রান্সের ক্ষমতার লড়াইয়ের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। এর আগে নিম্ন আদালতের রায়ে তাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল, যার কারণে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। নতুন রায়ে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।
মেরিন লে পেন ও তার দল, ন্যাশনাল র্যালির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অর্থ দলীয় কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থে নিয়োজিত কিছু সংসদীয় সহকারী প্রকৃতপক্ষে ফ্রান্সে দলের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত ছিলেন। এই মামলায় বিপুল পরিমাণ অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।
লে পেন শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে।
আদালতের রায়ের পরও তিনি তার রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। তার সমর্থকরা বলছেন, এই মামলা তাকে থামাতে পারেনি, বরং তিনি এখন আরো শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে এসেছেন।
আদালতের এই সিদ্ধান্ত ফ্রান্সের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। কারণ, মেরিন লে পেন শুধু একটি দলের প্রধান নন, গত এক দশকে তিনি দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী বিরোধী নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন। ২০১৭ ও ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও তিনি দ্বিতীয় দফার ভোটে পৌঁছেছিলেন। দুইবারই বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে পরাজিত হলেও তার ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
সাংবিধানিক কারণে আগামী ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ অংশ নিতে পারবেন না। ফলে নতুন নেতৃত্বের লড়াইয়ে মেরিন লে পেন অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকবেন। তার দল ন্যাশনাল র্যালি বর্তমানে ফ্রান্সের অন্যতম শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
লে পেনের রাজনৈতিক উত্থানের মূল ভিত্তি হলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, জাতীয় পরিচয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ। তার দল দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।
সমর্থকদের মতে, তিনি সাধারণ মানুষের বাস্তব সমস্যা রাজনীতির কেন্দ্রে এনেছেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, তার রাজনীতি ফরাসি সমাজে বিভাজন বাড়াচ্ছে।
ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অভিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্যও এই রাজনৈতিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ন্যাশনাল র্যালি ক্ষমতায় এলে অভিবাসন আইন, নাগরিকত্ব, বিদেশিদের অধিকার এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে ঘিরে নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
মেরিন লে পেনের মামলা বর্তমানে ফ্রান্সে একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে, জনপ্রিয় কোনো রাজনীতিক আদালতে দণ্ডিত হওয়ার পরও কি জনগণের ভোটে দেশের সর্বোচ্চ পদে যাওয়ার সুযোগ পাবেন?
লে পেনের সমর্থকরা বলছেন, শেষ সিদ্ধান্ত জনগণের।
অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করছেন, দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত একজন নেত্রীর প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফরাসি রাজনীতিতে নতুন নৈতিক সংকট তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ক্রমবর্ধমান বিশাল আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পদ্ধতিগত জ্ঞান বিনিময়, উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘জাতিসংঘ পুলিশ জ্ঞান ও উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ‘পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন- ইউএনকপস ২০২৬’-এ তিনি যোগদান করেন। সেখানে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
এবারের দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে (৭-৮ জুলাই) জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের পুলিশ প্রধান এবং নীতি-নির্ধারকগণ বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় তিনটি মূল প্লেনারি সেশনে অংশ নিচ্ছেন। সেশনগুলো হলো- ‘জাতিসংঘ পুলিশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা’, ‘জাতিসংঘ পুলিশিংয়ে উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তি’ এবং ‘আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি’ ।
সম্মেলনের প্রথম সেশনে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জসমূহ দিন দিন অত্যন্ত জটিল রূপ ধারণ করছে। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং অপরাধী চক্রগুলোর আন্তঃদেশীয় নেটওয়ার্কের কারণে প্রথাগত পুলিশিং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।’
বাংলাদেশকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ তার ফর্মড পুলিশ ইউনিটকে (এফপিইউ) আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলেছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীতে ইতোমধ্যে সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সাইবার ও সংগঠিত অপরাধ তদন্ত বিশেষজ্ঞ, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং ইন্টেলিজেন্স-লেড পুলিশিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি ও সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
বিশ্ব পরিমণ্ডলে মেধা ও দক্ষতার পদ্ধতিগত আদান-প্রদানের লক্ষ্যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি ‘জাতিসংঘ পুলিশ জ্ঞান ও উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সেরা অনুশীলন এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা শেয়ার করতে পারবে।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্যে বার্ষিক পরিবেশ পুলিশিং সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব করেন। মন্ত্রী একটি অভিযোজনক্ষম, উদ্ভাবনী এবং শান্তি ও মানবতার প্রতি দায়বদ্ধ জাতিসংঘ পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী প্রস্তাবনা এবং বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অঙ্গীকার বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে।
সম্মেলনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (ডিপিও), অপারেশনাল সাপোর্ট (ডিওএস) এবং রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেলরা অংশ নিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ