ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর


জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক জনসচেতনতা তৈরি করতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী বার্তা থাকে এমন চলচ্চিত্রকে সরকারের অনুদান প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। আর সেই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সংশ্লিষ্ট যেকোনো চলচ্চিত্রের প্রস্তাবকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।’

আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন

আজ শুক্রবার, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

জিটিডি মিডিয়া প্রোডাকশন আয়োজিত এই উৎসবে পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো একটি যুগোপযোগী ও স্পর্শকাতর বিষয়কে মূল ভাবনা হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য আয়োজকদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।’

প্রতিটি ফিল্ম প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট মানসম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এগুলোকে শুধুমাত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনো পরিবেশ এবং জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম এবং কন্টেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: বিশ্বজয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

এই প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া এবং নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, তা আপনাদের নিজেই একটু খুঁজে দেখতে হবে। আমরা নীতিমালার আলোকে পরিবেশবান্ধব এবং সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।’

উৎসবের উদ্যোক্তা এবং তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতটুকু সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব কিন্তু বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চিত্তের মন এবং সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

উৎসবে উপস্থিত আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে চলচ্চিত্র, গল্প এবং সৃজনশীল সংলাপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

এসডো এবং পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায় এবং নেক্সাস টেলিভিশনের মিডিয়া পার্টনারশিপে আজ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশী-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন দেশের জলবায়ু সংকট ও পরিবেশ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আম্মাজান’ খ্যাত অভিনেত্রী শবনমের বাসায় এক বিকেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


‘আম্মাজান’ খ্যাত অভিনেত্রী শবনমের বাসায় এক বিকেল

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন। ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ৩টা। সময় টেলিভিশনের দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে একবার দেখা করার চিন্তা মাথায় এলো বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে। যার পারিবারিক নাম ঝর্ণা বসাক হলেও তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কোটি দর্শকের কাছে ‘শবনম’ নামেই পরিচিত। তিনি এবার দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি অভিনয় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমবারের মতো তাঁর মাতৃভূমিতে পাচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা। এই অনুভূতি জানতেই রওনা হলাম তার বাসার দিকে।

বাংলামোটর থেকে বারিধারার দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার। আমার সঙ্গে ছিলেন সময় টেলিভিশনের ভিডিও জার্নালিস্ট শাহিনুর রহমান শাহিন এবং এই আড্ডার আয়োজক, চলচ্চিত্র বিষয়ক সিনিয়র সাংবাদিক অভি মঈনউদ্দিন। তার হঠাৎ সিদ্ধান্তে বিকেলের ব্যস্ত ঢাকা পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম অভিনেত্রীর বাসায়।

কলিং বেলের শব্দ উঠতেই দরজা খুললেন বাসার কেয়ারটেকার। আমাদের বসার জায়গা হলো ড্রয়িংরুমে। বিশ্রাম নিতে নিতে চারপাশে চোখ বুলাতেই চোখে পড়লো সাজানো নানা স্মৃতিচিহ্ন, পুরনো দিনগুলোর ছবিগুলো তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

অপেক্ষার কয়েক মুহূর্ত পরেই এলো সেই কাঙ্ক্ষিত সময়। হাসিমুখে আমাদের সামনে এসে বসলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের একসময়কার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম। বয়সের ছাপ থাকলেও তার ব্যক্তিত্ব এবং সৌন্দর্যের দীপ্তি আজও মুগ্ধ করে।

কথার শুরুতেই উঠে আসে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা পাওয়ার প্রসঙ্গ। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি জানান, দীর্ঘ ৪০ বছরের অভিনয় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের দেশের কাছ থেকে এমন সম্মান পাওয়া তার কাছে এক অন্যরকম অনুভূতি। যদিও নিজের দেশের এমন স্বীকৃতি দেরীতে আসার কিছুটা আক্ষেপ রয়েছে, তবে শবনম বলেন, "অনেক পুরস্কার পেয়েছি, অনেক সম্মানও পেয়েছি। কিন্তু নিজের দেশের এই সম্মাননা আমার হৃদয়ের খুব কাছের।"

আলাপচারিতার এক পর্যায়ে উঠে আসে তার অভিনয় জীবন থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রসঙ্গ। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আম্মাজান’। সিনেমার পর আর কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে। কিন্তু কেন?

জবাবে শবনম জানান, ‘আম্মাজান’ ছিল তার অভিনয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় কাজ। ছবিটি মুক্তির পর অসংখ্য চলচ্চিত্রের প্রস্তাব এলেও কোনো চরিত্রই তার মন ছুঁতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, "অনেক ছবির অফার পেয়েছিলাম। কিন্তু আম্মাজানের পর এমন কোনো চরিত্র পাইনি, যেটা আমাকে অভিনয়ের জন্য আকৃষ্ট করতে পারে। তাই আর সিনেমা করা হয়নি।"

আড্ডা জমতে থাকলে ফিরে যান আরও পেছনের দিনে। অকপটে শোনান চলচ্চিত্রে আসার গল্প, অভিনয়ের শুরুর সময়ের নানা স্মৃতি, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অভিজ্ঞতা। তার কথায় বারবার ফুটে উঠছিল শিল্পের প্রতি ভালোবাসা আর দর্শকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা। শবনম বলেন, "নাচ শিখতাম। নাচের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসা। বিখ্যাত এহতেশাম সাহেব বাবাকে বলে সিনেমায় নেয়ার জন্য। বিষয়টি মাকে বললে আমার মা বলেন, ও তো ছেলের মতো, ও তো অভিনয় করতে পারবে না। কিন্তু বাবার বিশ্বাস ছিল যে আমি পারবো। তার ইচ্ছাতেই আমি চলচ্চিত্রে আসি।"

পরবর্তীতে এহতেশাম পরিচালিত ‘এদেশ তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের নৃত্যে অভিনয়ের সুযোগ পান শবনম। এহতেশামের পাশাপাশি পরিচালক মুস্তাফিজের নজর কাড়তে সক্ষম হন অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেই। ১৯৬১ সালে মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শবনম।

পাকিস্তানি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে গুণী অভিনেত্রী বলেন, "উর্দু ছবি করলে পাকিস্তানের বাজারে পৌঁছানো যাবে-এহতেশাম সাহেবের এমন পরামর্শ এবং দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের স্বার্থেই ‘চান্দা’ সিনেমায় অভিনয় করি। তখন উর্দু ভাষা ভালোভাবে বুঝতাম না। সংলাপ বাংলায় লিখে নিয়ে উর্দুতে ডাবিং করতাম। ছবিটি পাকিস্তানে মুক্তির পর সুপারহিট হয়। এরপর ‘তালাশ’ সিনেমাতেও অভিনয় করি, সেটিও ব্যাপক সাফল্য পায়। এরপর পাকিস্তান থেকে অসংখ্য সিনেমার প্রস্তাব আসতে থাকে। কিন্তু আমি খুব একটা রাজি হতাম না। এভাবেই প্রায় দশ বছর কেটে যায়। অবশ্য এই দশ বছরে আমি পাকিস্তানি ভাষা শিখে ফেলি।"

শবনম আরও জানান, "আমার স্বামী রবিন আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। প্রথমবার লাহোরে গিয়ে মনে হয়েছিল, পাকিস্তানের চলচ্চিত্রে হয়তো আমার পক্ষে কাজ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু স্বামীর সমর্থনেই আমি আত্মবিশ্বাসী হয়ে যাই। ষাটের দশকে কাজী রিজভানী'র পরিচালনায় ওয়াহিদ মুরাদের বিপরীতে ‘লাদলা’ ছবির ‘সোচা থা পিয়ার না করেংগে’ গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পায়। ছবিটি সুপারহিট হয়। এরপর সেখানকার প্রযোজক-পরিচালকরা আমাকে নিয়ে একের পর এক সিনেমা নির্মাণ করতে শুরু করেন।"

পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ এবং অভিনেত্রীর ইচ্ছাশক্তির কথা শুনতে শুনতে কখন যে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমেছিল, তা বুঝতেই পারছিলাম না। দীর্ঘ সময়ের সেই আড্ডায় মনে হয়নি আমরা একজন তারকার সঙ্গে কথা বলছি। বরং মনে হয়েছে পরিবারেরই একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য তার জীবনের গল্প শুনিয়ে যাচ্ছেন। বিদায়ের সময়ও তার চোখে ছিল সেই আন্তরিকতার ছোঁয়া।

বারিধারা থেকে ফেরার পথে মনে হচ্ছিল, আজীবন সম্মাননা হয়তো একজন শিল্পীর অর্জনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। কিন্তু শবনমের মতো শিল্পীদের প্রকৃত সম্মান লুকিয়ে আছে দর্শকের হৃদয়ে, যেখানে তিনি বহু আগেই নিজের জন্য স্থায়ী আসন তৈরি করে নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে, তিনি উখিয়ার বালুখালী এলাকার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারে পৌঁছান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে বিকেল ৪টার দিকে তিনি উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। সেখানে, তিনি তুরস্কের সহায়তায় স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরবর্তীতে, তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পও পরিদর্শন করেন। এসব ক্যাম্পে অবস্থিত তুরস্কের নির্মিত ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‌্যাব-১৫ সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সফরকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং তার সফর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে দ্বিপক্ষীয় সফরের অংশ হিসেবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। সফরে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক রক্তাক্ত জখম রাজবাড়ীতে যানজটের প্রতিবাদ করায় রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক রক্তাক্ত জখম রাজবাড়ীতে যানজটের প্রতিবাদ করায় রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা

রাজবাড়ীর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপরে বাস রেখে যানজট সৃষ্টি করা নিয়ে প্রতিবাদ করায়, দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠ পত্রিকার অফিস সহায়ক মোঃ ইসলামের উপর রাবেয়া পরিবহনের বাসের চালক মিলন এবং অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন সহকারীর দ্বারা কাপুরুষোচিত ও বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে।

এ হামলার ঘটনা ঘটে শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার 'মুরগির ফার্ম' বাস স্ট্যান্ড এলাকায়। হামলার ফলে ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯ টার দিকে মুরগির ফার্ম বাস স্ট্যান্ডের এলাকায় রাবেয়া পরিবহনের বাস সড়কের মাঝখানে রেখে যানজট সৃষ্টি করা হয়। জামান উক্ত সময় দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠের অফিস সহায়ক ইসলাম যানজটের বিষয়টি ড্রাইভারকে জানানোর পর অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। রাবেয়া পরিবহনের ড্রাইভার এবং কয়েকজন শ্রমিক ইসলামের উপর হামলা চালানোর জন্য চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ইসলামের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়, ফলে তিনি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন ও সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার মাথায় ১২টি সেলাই লাগে। একজন সাধারণ কর্মজীবীর উপর এ ধরনের নৃশংস ও কাপুরুষোচিত হামলার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

হামলার শিকার মোঃ ইসলাম বলেন, আমি বালিয়াকান্দিতে পত্রিকা পাঠিয়ে অটো রিকশায় অফিসে আসছিলাম। এসময় আঞ্চলিক মহাসড়ক উপর ৩টি বাস একত্রে রেখে যানজট সৃষ্টি করায় তাদের সরিয়ে দিতে অনুরোধ জানাই। এই পরিস্থিতিতে রাবেয়া পরিবহনের চালক মিলন ও তার সহযোগীরা অ unexpectedly হামলার পরিকল্পনা করে হামলা চালায়। হামলায় ইসলাম মাথা, কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে জাতীয় সঙ্গীতের নিয়মে নতুন পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


বিশ্বকাপে জাতীয় সঙ্গীতের নিয়মে নতুন পরিবর্তন

আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ফিফা। এতদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয় সঙ্গীতের সময় মাঠে উপস্থিত থাকতেন কেবল শুরুর একাদশের খেলোয়াড়রা। তবে এখন থেকে স্কোয়াডে থাকা সকল খেলোয়াড়কে মাঠে নামতে হবে।

২০২৬ বিশ্বকাপের ২৩তম আসর আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হবে। এই আসরে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে স্কোয়াডের আকার ২২ থেকে ২৬ জনে বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুসারে, জাতীয় সঙ্গীতের সময় দলের সব সদস্য এবং ম্যাচের কর্মকর্তাগণ মাঠের মাঝখানের বৃত্তে নির্দিষ্ট বিন্যাসে অবস্থান করবেন। দুই দলের খেলোয়াড়রা একটি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করবেন।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এক বিবৃতিতে জানান, বিশ্বকাপের সম্প্রসারণের সঙ্গে ম্যাচের পূর্ব আয়োজনে নতুনত্ব আনা হচ্ছে। তাঁর মতে, জাতীয় সঙ্গীতের সময় সকল খেলোয়াড় এবং রেফারিদের একত্রে মাঠে উপস্থিতি খেলাটির আবেগ, গর্ব এবং ঐক্যকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরবে।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে। সেখানে স্বাগতিক মেক্সিকো নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে।

এদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে বিনোদন আয়োজনেও যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। এর আগেই ফিফা ফাইনালের বিরতিতে মার্কিন ফুটবলের সুপার বোলের মতো বিশেষ হাফটাইম শোর ঘোষণা দিয়েছে। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ম্যাডোনা এবং শাকিরার মতো তারকারা।

শুধু ফাইনাল নয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন শাকিরা এবং বার্না বয়। কানাডায় প্রথম ম্যাচের আগে পরিবেশনা করবেন মাইকেল বুবলে এবং অ্যালানিস মোরিসেট। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্যাটি পেরি ও ফিউচার ইন লস অ্যাঞ্জেলস ব্যান্ডের পরিবেশনা থাকবে।

মাঠের খেলাতেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কর্নার কিক এবং দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে ভিএআর ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গোল কিক এবং থ্রো-ইনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার পাশাপাশি প্রতিটি অর্ধে তিন মিনিটের ড্রিঙ্কস ব্রেক চালুর কথাও জানিয়েছেন ফিফা।

প্রথমবারের মতো তিন দেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে চলা ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%