ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাক্টচেকিংয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও প্রেস কাউন্সিল যুগোপযোগী করা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী


ফ্যাক্টচেকিংয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও প্রেস কাউন্সিল যুগোপযোগী করা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী জানিয়েছেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে নিরপেক্ষভাবে ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ফ্যাক্টচেকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্যাক্টচেকিং করার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জাতীয় সংসদকে অচিরেই অবহিত করা হবে।

আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শেরপুর-১ আসনের বিরোধী দলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বট বাহিনী যদি অসত্য তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করে, সেগুলোও ফ্যাক্টচেকিংয়ের আওতায় আসবে। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো বট বাহিনী পরিচালনা করে না, তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ফ্যাক্টচেকের সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নিরপেক্ষভাবে ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুত এবং প্রযুক্তিনির্ভরভাবে অপতথ্য শনাক্ত করতে স্বয়ংক্রিয় ফ্যাক্টচেকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির সদস্য আবুল হাসনাত প্রেস কাউন্সিলের বর্তমান আইনের আওতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী মূলত প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়। কিন্তু একই প্রতিষ্ঠানের অনলাইন সংস্করণে কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হলে তার বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগের সুযোগ নেই।

এ অবস্থায়, অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অপতথ্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি এবং প্রেস কাউন্সিল আইনকে যুগোপযোগী করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান তিনি।

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বিরোধী দলীয় সদস্যরাই নন, দেশের মা-বোনদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দলের সদস্য, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিয়েও অনলাইনে আক্রমণাত্মক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি জানান, প্রেস কাউন্সিলকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন কীভাবে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে অন্যান্য দেশ কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, তা সরকার পর্যালোচনা করছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শও করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরামর্শ ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় একটি কার্যকর ও সুন্দর কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুন: কৃষিমন্ত্রী: নিয়মবহির্ভূত সবকিছুই পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম রেঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


চট্টগ্রাম রেঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯৯

চট্টগ্রাম, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, গ্রেফতার ৩৯৯ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১০৬ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ১০ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় চারজন, গ্রেফতারি পরোয়ানার অন্তর্ভূক্ত ৯৪ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ১৮ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া মাদক মামলায় ১৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৪ জন মাদক ব্যবসায়ী, পাঁচজন মাদক বহনকারী এবং ৯৮ জন মাদক সেবনকারী।

তিনি আরও জানান, অভিযানে ২ লাখ ১৯ হাজার ১২৯ পিস ইয়াবা, ৮২ কেজি ৪১৪ গ্রাম গাঁজা, ৬২ লিটার মদ এবং চার বোতল বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে ৮ হাজার ৫২০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২২টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিন সংকটকে উপেক্ষা করা যাবে না: শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


ফিলিস্তিন সংকটকে উপেক্ষা করা যাবে না: শি জিনপিং

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মন্তব্য করেছেন যে, ফিলিস্তিন সংকটকে কখনোই উপেক্ষা করা উচিত নয় বা একপাশে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়। তিনি এই মন্তব্যটি মিসরের রাজধানী কায়রোয় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় করেছেন। এটি চীনা প্রেসিডেন্টের মিসরে প্রথম সফর, যা এক দশকের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার জন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি বেইজিংয়ের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “মধ্যপ্রাচ্যের মূল সংকটই হলো ফিলিস্তিন ইস্যু। একে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই।”

 

চীনা প্রেসিডেন্ট আরও যা তুলে ধরেন:

মধ্যপ্রাচ্যে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে তিনি বহিরাগত পরাশক্তিগুলোকে এই অঞ্চলে ‘দ্বিমুখী নীতি’ বা 'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' পরিহার করার আহ্বান জানান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার ফলে হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ব্যবস্থার নিরাপত্তা রক্ষায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য চীনের প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।

শি জিনপিং দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মিসরে অবস্থান করছেন। এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ভূ-রাজনীতিতে চীনের প্রভাব ও অবস্থান পুনর্নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গেরুয়া গুন্ডামি’ মামলায় আনন্দবাজারের সাংবাদিকদের জরুরি স্বস্তি দিতে অস্বীকৃতি হাইকোর্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


‘গেরুয়া গুন্ডামি’ মামলায় আনন্দবাজারের সাংবাদিকদের জরুরি স্বস্তি দিতে অস্বীকৃতি হাইকোর্টের

কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতা সংক্রান্ত খবরের জন্য "গেরুয়া গুন্ডামি" শব্দবন্ধটি ব্যবহারের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদপত্র ‘আনন্দবাজার’ এর সাংবাদিকরা এফআইআর এর মুখোমুখি হয়েছেন। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট সাংবাদিকদের জরুরি ভিত্তিতে কোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা বা স্বস্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

দৈনিকটির শিরোনামকে কেন্দ্র করে একাধিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষে উপস্থিত বর্ষীয়ান আইনজীবী এস. এন. মুখার্জি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের কাছে অবিলম্বে আদালতের হস্তক্ষেপের আবেদন জানান।

অভিযুক্ত সাংবাদিকরা আদালতের কাছে এফআইআরগুলো সম্পূর্ণ বাতিল বা রদের আবেদন জানিয়ে শরণাপন্ন হয়েছেন। আইনজীবী মুখার্জি আদালতকে জানান, তার মক্কেল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি ঘটনাটির গুরুত্বের দিকে ইঙ্গিত করে অবিলম্বে শুনানির আর্জি জানান। আদালতে এস. এন. মুখার্জি বলেন, "বলা হয়েছে যে আমি নাকি সাম্প্রদায়িক অনুভূতিতে উস্কানি দিচ্ছি। এ সংক্রান্ত ৩টি ঘটনা ঘটেছে। আমার জরুরি স্বস্তি প্রয়োজন।"

আদালত উল্লেখ করে যে, এফআইআর বাতিলের আবেদন করা উচিত। মুখার্জি জবাবে বলেন, "আমি এফআইআর বাতিলের জন্যই আর্জি জানাচ্ছি।" তবে আদালত মামলাটিকে জরুরি শুনানির তালিকায় তুলতে রাজি হয়নি এবং জানায় যে সাধারণ বা নিয়ম মাফিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মামলা বিবেচনা করা হবে। আদালত মন্তব্য করে, "আবেদন জমা দিন, তা উপস্থাপনার নিয়ম অনুসারেই ক্রমানুসারে তালিকায় আসবে।"

 

আইনজীবী মুখার্জি যখন জরুরি শুনানির জন্য ফের জোর দেন, তখন বেঞ্চ জানায় যে এফআইআর বাতিলের চেয়ে আরও বেশ কয়েকটি পিটিশন ইতিমধ্যেই তাদের কাছে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বলে, "আমি এখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের তারিখ নির্ধারণ করছি না কারণ আমার কাছে এফআইআর বাতিল সংক্রান্ত একাধিক বিষয় বিচারাধীন রয়েছে।" আইনজীবী বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন যে, এটি "একেবারেই রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়" এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হওয়া বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করতে আদালতকে অনুরোধ জানান। বিচারপতি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তিনি বিশেষভাবে মামলাটি তালিকার শীর্ষে তুলতে পারবেন না।

আদালত আরও বলে, "আমি সময় নির্ধারণ করে দিতে শুরু করতে পারি না। এটা তালিকায় আসবে। খুব বেশি মামলা জমেনি, বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। না হলে আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিতে পারেন। আমি এখন জরুরি শুনানির অনুমতি দিচ্ছি না।" পরবর্তীতে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে আবারও আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুমতি চান আইনজীবী মুখার্জি।

তিনি বলেন, "পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটলে আমাদের বিষয়টি পুনরায় আদালতের সামনে আনার অনুমতি দেওয়া হোক। দুজন জ্যেষ্ঠ নারী সাংবাদিককেও এই মামলায় টানা হয়েছে।" আদালত আইনজীবীদের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনটি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং ইঙ্গিত দেয় যে পরবর্তীতে তারা মামলাটি দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নিতে পারেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘাতের প্রতিবেদন ও এফআইআর

গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ওপর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার পত্রিকা "গেরুয়া গুন্ডামি" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করার পর এই এফআইআরগুলো দায়ের করা হয়। ফ্যাকাল্টি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের এক সাধারণ সভা চলাকালীন ওই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে সহিংসতা শুরু করার অভিযোগ তোলে এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের নিয়ে আসার দাবি করে। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, এবিভিপি জাতীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সাথে যুক্ত একটি চরমপন্থী সংগঠন, যা ভারতীয় জনতা পার্টিরও (বিজেপি) অভিভাবক সংস্থা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফআইআরে আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদক ঈশানী দত্ত রায় এবং প্রধান প্রতিবেদক সোমা মুখার্জিসহ সম্পাদকীয় দলের সদস্যদের নাম রয়েছে।

পত্রিকা অফিসের সামনে বিক্ষোভ

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সাথে যুক্ত একদল লোক কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। বিক্ষোভকারীরা "গেরুয়া গুন্ডামি" শব্দবন্ধ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনের দেয়ালে গেরুয়া রং লেপে দেয় এবং স্লোগান তোলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা যখন ভবনের অংশে রং মাখছিল, তখন কাছেই পুলিশ সদস্যরা দাঁড়িয়ে ছিলেন।

পরবর্তীতে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ভবনের দেয়ালগুলো পুনরায় রং করে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলমতের উর্ধ্বে সবাই মিলে দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


দলমতের উর্ধ্বে সবাই মিলে দেশকে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

ভোলা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের বর্তমান পরিস্থিতি কাটিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিগত সরকার দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিনতম সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন। এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে হলে দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে আমাদের সবাইকে অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

আজ বুধবার বিকেল ৩টায় ভোলার নতুন বাজার চত্বর এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোলা জেলা শাখা আয়োজিত একটি গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো আজ তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা সফরে আসেন।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষে বিকেল ৪টায় শহরের উকিলপাড়াস্থ নিজের বাসভবনে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় জেলা পুলিশ কর্তৃক গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী।

বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে আন্দোলনের দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের শাসনকাল থেকে শুরু করে বিগত ১৮ বছর জাতীয়তাবাদী শক্তির ওপর অপূরণীয় নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনে রাজনীতিতে নানা প্রলোভন ও সুবিধাপ্রাপ্তির সুযোগ থাকলেও তা প্রত্যাখ্যান করে আমি জিয়া পরিবারের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম। জিয়া পরিবার ও দল আমাকে সেই মূল্যায়ন করেছে। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।’

ভোলার ভৌগোলিক ও সামাজিক অবকাঠামো ঢেলে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে কে আমাকে ভোট দিয়েছেন বা দেননি- তা দেখার বিষয় নয়। ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন, সবাইকে সাথে নিয়ে ভোলার উন্নয়নের কাজ করতে হবে।’

দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এমপি হিসেবে বিগত সময়ে আমি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি, ভবিষ্যতেও দেব না। আমার দল বা নাম ব্যবহার করে কেউ কোনো অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা টেন্ডারবাজি করলে তাকে বরদাশত করা হবে না; সে আমার দলের লোক হতে পারে না।’

টিআর ও কাবিখাসহ সরকারি প্রকল্পের কোনো অনিয়ম হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

এর আগে আজ সকালে মন্ত্রী ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে বরিশাল ও লাহারহাট হয়ে স্পিডবোটযোগে ভোলা খেয়াঘাটে পৌঁছালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোলা জেলার সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম রতন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাছিম বিল্লাহর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

এ সময় ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার) উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%