০৭:০৩ পি.এম
৭ জুলাই মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে কর্মজীবী শিশুদের এবং পথশিশুদের বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নীতিনির্ধারণী অংশীজনদের সমন্বয়ে বার্ষিক এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের শিক্ষা সেক্টর অধীনে পরিচালিত ড্রপ-ইন-সেন্টার (ডিআইসি)’র উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুরা বাল্যবিবাহ, যৌন নির্যাতন এবং শোষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব শিশুরা অরক্ষিত অবস্থায় রাস্তায় বসবাস করে।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বন্ধ জামালপুর নার্সিং কলেজের ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস
এছাড়াও, শিশুরা তীব্র আঘাত, অভিযোগ ও কলংকের দায় নিয়ে জীবনযাপন করছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খারাপ প্রভাব পড়ছে তাদের স্বাস্থ্যের ওপর।
ডিআইসি প্রকল্পের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অগ্রগতি, শিখন ও প্রতিবন্ধকতার উপর উপস্থাপন করেন ডামের শিক্ষা সেক্টরের যুগ্ম-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। এরপর তিনি মুক্ত আলোচনা সঞ্চালন করেন। এছাড়া, সভাপতি হিসেবে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান বলেন, গ্রামীণ সমাজে বাল্যবিবাহের হার বেশি। সরকার যদি শক্তভাবে বিভিন্ন এনজিও ও সংস্থার মাধ্যমে কাজ করে তাহলে বাল্যবিবাহ রোধ করা সহজ হবে।
বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ বাংলাদেশের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী দেশে ভায় ৫০% মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হয়, যা তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের শহর এলাকায় হলক্ষের অধিক শ্রমজীবী শিশু রয়েছে। যার একটি বড় অংশ ঢাকা শহরে বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের এমডিএস ডিআইজি ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, ডামের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তৈয়ব আবু আহমদ, ডা. মোহাম্মদ খলিল উল্লাহ এবং ড. এস এম খলিলুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডামের নির্বাহী পরিচালক (কর্মসূচি) কে এম জাহিদুজ্জামান।
আরও পড়ুন: নিরাপদ দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাল পূজা উদযাপন ফ্রন্ট
এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন